রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উগ্রবাদীদের পরাজিত করবো: ওবায়দুল কাদের

Spread the love

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: আজ ৩১ডিসেম্বর বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে সকাল ১০.০০টায় বিজয় দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি বলেন- জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় ঘুরে দাঁড়িয়েছি উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিপদ এখনো যায়নি। নতুন বছরের জন্য এই অসম্পূর্ণ কাজ সম্পন্ন করতে হবে। তিনি বলেন, আমাদের বিজয়কে সুসংহত করতে হবে। সাম্প্রদায়িক উগ্রবাদ আমাদের বিজয়ের পথে বাধা। এই বাধাও অতিক্রম করে আমাদের পুরোপুরি বিজয়ী হতে হবে।

 

নতুন বছরে সাবাইকে সুসংঘঠিত করে সকল বাধা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। এটাই হবে, আমাদের আজকের শিক্ষা-দীক্ষা। তিনি বলেন- হোলি আর্টিজান ও শোলাকিয়া সাময়িকভাবে বিচলিত-ধৈর্যহারা করেছিল। কিন্তু দিশেহারা করতে পারেনি। এখনো শোলাকিয়া ও হোলি আর্টিজানের রক্তাক্ত ট্রাজেডি থেকে বেরিয়ে আসতে পারিনি। বিজয়ের মাসের শেষ দিনে আমাদের শপথ হবে, এই দুটি ট্রাজেডি থেকে বেরিয়ে আসব। জনগণকে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উগ্রবাদীদের প্রতিরোধ করে পরাজিত করব। বিদায়ী বছর নিয়ে তিন বলেন, ফেলা আসা বছরে আমাদের উন্নয়ন ও অর্জন বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে।

 

আজকে নির্দিধায় বলতে পারি, রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমাদের ফেলা আসা বছরের উন্নয়ন ও অর্জনের প্রাপ্তি অনেক অনেক বেশি। আজকে গর্ব করে বলছি। বুক উঁচু করে বলছি, বঙ্গবন্ধু তুমি এ দেশ স্বাধীন করে ভুল করোনি। বঙ্গবন্ধু তোমার স্বপ্নের বাংলাদেশ আজ কেবল এগিয়ে যাচ্ছে। আর তোমার নেতৃত্বে একাত্তরে যাদের পরাজিত করেছি, তারা কেবল পিছিয়ে যাচ্ছে। পাকিস্তান পিছিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক সমীক্ষায় অন্তত ২৫ সূচকে পাকিস্তান বাংলাদেশের চেয়ে পিছিয়ে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

 

বিএনপির সমালোচনা করে ওবায়দুল কাদের বলেন, তারা এখন সব জায়গায় ব্যর্থ। ব্যর্থ আন্দোলনে। ব্যর্থ নির্বাচনে। সর্বশেষ প্রমাণ নারায়ণগঞ্জ। ব্যর্থ লোক শুধু নালিশ করে। বিএনপি এখন বাংলাদেশ নালিশ পার্টি। জেলা পরিষদের নির্বাচন সংবিধান বহির্ভূত নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপি মিথ্যাচার করে। মিথ্যাচারকে পুঁজি করে রাজনীতি করে। সংবিধানকে রক্তাক্ত করেন তারা এখন সংবিধানের কথা টেনে আনেন। ভূতের মুখে রাম নামের মতো।

 

সভাপতির বক্তব্যে যুবলীগ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী বলেন- ডিসেম্বর মাস-আজ ৩১শে ডিসেম্বর- বিজয় মাসের শেষ দিন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি। ৩০ লক্ষ শহীদ এবং ২ লক্ষ মা বোনের ত্যাগের বিনিময়ে এ দেশ, ডিসেম্বরের শেষ দিনের আজকের সকালটা কী সুন্দর! আহা! আমার বাংলাদেশ নীল আকাশ-ঝকঝক করছে রোদ্দুরে- স্বাধীনতার আলোয় বিজয়ের গৌরবের আলোয়। এই মাটির প্রতিটা ঘাসে, প্রতিটা অন্নদানায় শহীদের রক্ত লেগে আছে। মিশে আছে শহীদের স্বজনদের অশ্র“।

 

আমার সোনার বাংলা-আমি তোমায় ভালোবাসি। তিনি বলেন- এ বছর বিজয়ের মাসের প্রথম দিনেই একটি চমৎকার অর্জন- চারুকলা অনুষদের চত্বর থেকে পহেলা বৈশাখ উদযাপন উপলক্ষে যে বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোষাযাত্রা-সেটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করে নিয়েছে। এই শোভাযাত্রার মাধ্যমে কলুষিত সংস্কৃতি, সব অশুভ শক্তি, বিশেষ করে সাম্প্রদায়িকতা, মৌলবাদ এবং জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া। কারণ মঙ্গল শোভাযাত্রা-জাতির ধর্ম-বর্ণ-সবমানুষের জন্য। এখানে কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ, কে খ্রিষ্টান, কে মুসলমান সেটা দেখা যায় না। তাই শতবার অভিবাদন জানাব এই শোভাযাত্রাকারীদের। বলতে ইচ্ছে করে আমরা যদিনা জাগিমা কেমনে সকাল হবে? কারণ- এখন প্রতিটা দিন এক একেকটা আর্শীবাদ।

 

কারণ- মানুষ জন্মের সময় সে আইডিয়া নিয়ে জন্মায় না মরার সময় আইডিয়া নিয়ে মরে না। তাই উচ্চস্বরে বলবো জ্ঞানের চেয়ে অনুভব বেশি দামি। ভবিষ্যৎ জানতে হলে অতীত পাঠ করতে হবে। যারা অতীত মনে রাখে না, তারাই অতীতের দোষে দুষ্ট। তিনি আরো বলেন- জেলা পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী দেয় নাই ঠিক- বললেন রসিকতার নির্বাচন। কিন্তু ভোট দিলেন দল বেঁধে বিএনপি নেতারা। এটা কোন ধরণের রসিকতা। তাই বলব- বর্তমানকে দেখুন- জ্ঞনের দৃষ্টিতে। কারণ এটাতেই আপনারা আমরা বর্তমান। রাজনীতি এখন আগের মতো নেই। প্রক্সি ও প্রম্পট করে রাজনৈতিক দল পরিচালনা করার দিন শেষ হয়ে গেছে। এখন সজীব ওয়াজেদ জয়ের ডিজিটাল বাংলাদেশ।

 

এখন ডিজিটাল রাজনীতির যুগ। আমাদের সবাইকে সজাগ, সচেতন হতে হবে। বঙ্গবন্ধু দিয়েছেন স্বাধীনতা, রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা দিলেন- অর্থনৈতিক মুক্তি আর সজিব ওয়াজেদ জয় দিলেন- ডিজিটাল বাংলাশে-জ্ঞনে নির্ভর বাংলাদেশ। তিনি বলেন- বিশ্বব্যাপী প্রভাবশালী নেতাদের তালিকায় রাষ্ট্রপ্রধানদের নামই উঠে আসে। কিন্তু অনুপ্রেরনীয় নেতৃত্বের কথা এলে হিসাবটা পাল্টে যায়। আজকের প্রধান অতিথি জনাব ওবায়দুল কাদের আমাদের কাছে অনুপ্রেরণীয় নেতা- আপনার সমীপে কিছু কথা। তিনি আরো বলেন- নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে জাতীয় সংসদে ৩০০ আসনের জন্য তিনজন আইভি আছেন কিনা সন্দেহ- তাই বিএনপির অস্তিত্ব সংকট নিয়ে বেশি মাথা না ঘামিয়ে দলের প্রতি নজর দেওয়া দরকার।

 

জাতীয় বিষয়-বাইরের বিষয়ে নাক গলানোর বক্তব্য দেওয়ার পরিবর্তে দলীয় বিষয়/আভ্যন্তরীন বিষয় নিয়ে বেশি মাথা ঘামালে দলের কর্মী নেতাদের হৃদয়ে বেশি স্থান করে নেওয়া যাবে। তিনি বলেন- কথাটি এজন্য বললাম- বিএনপির বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ ছিল সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের, জ্বালাও-পোড়াও, জঙ্গবাদের কিন্তু নারায়ণগঞ্জের মানুষ তা পুরোপুরি বিশ্বাস করেনি। এটাই আমাদের বড় ব্যর্থতা। ১২ কাউন্সিলারকে বিএনপি সমর্থক-তাঁরা নির্বাচিত করেছে। বিএনপি আবার মূলধরায় ফিরে এসছে।

 

এটি আজ আমাদের ভাবতে হবে। নারায়ণগঞ্জের মতো সারা দেশে পরিচ্ছন্ন প্রার্থী তৈরী করতে হবে। প্রতিপক্ষকে গালাগালি করে ভোট পাওয়ার দিন সম্ভবত শেষ হয়ে গেছে। বহুল পরিচিত বাংলা প্রবাদ আছে- ‘যায় দিন ভালো, আসে দিন খারাপ’। যদি প্রবাদটি উল্টে দিয়ে- আসে দিন ভালো, যায় দিন খারাপ’- নিশ্চিত করতে হবে। তবেই আমাদের সফলতা আসবে। তবেই বলতে পারব-হারিয়ে যাওয়া দিনগুলো মোর তাঁরার মতো জ্বলে। সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা।

 

আরো বক্তব্য রাখেন- যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ হারুনুর রশীদ, প্রেসিডিম সদস্য শহীদ সেরনিয়াবাত, শেখ সামসুল আবেদীন, মোঃ ফারুক হোসেন, আব্দুস সাত্তার মাসুদ, আতাউর রহমান, সিরাজুল ইসলাম মোল্লা, অধ্যাপক এবিএম আমজাদ হোসেন, আনোয়ারুল ইসলাম, যুগ্ম-সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম শাহীন, নাসরিন জাহান শেফালী, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক আতিক, আসাদুল হক আসাদ, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য কাজী আনিসুর রহমান, মিজানুল ইসলাম মিজু, মিল্লাত হোসেন, ঢাকা মহানগর উত্তর সভাপতি মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ঢাকা মহানগর দক্ষিন সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট, দক্ষিন সহ-সভাপতি হারুনুর রশিদ, সোহরাব হোসেন স্বপন, আনোয়ার ইকবাল সান্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী ইব্রাহিম খলিল মারুফ, দপ্তর সম্পাদক এমদাদুল হক এমদাদ, আইন সম্পাদক এড. শাহনাজ পারভীন হীরা, যুবলীগ উত্তর সহ-সভাপতি মোঃ জাফর ইকবাল, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন সেলিম প্রমুখ। যৌথভাবে সভা পরিচালনা করেন- যুবলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাঃ বদিউল আলম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা, ঢাকা মহানগর উত্তর সাংগঠনিক সম্পাদক সিদ্দিক বিশ্বাস।

নিউজটি শেয়ার করুন:

সর্বশেষ আপডেট



» মৌলভীবাজারের মনু নদীর পানি কমতে শুরু করেছে

» মৌলভীবাজারে আধুনিক চক্ষু হাসপাতালের শুভ উদ্বোধন

» কুয়াকাটায় পর্যটকদের হয়রানী বন্ধে সচেতনতামুলক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

» কলাপাড়ায় জমকলো অনুষ্ঠানে ফুটবল টুর্নামেন্ট লীগের উদ্বোধন

» রোহিঙ্গা সংকট সমাধান না হলে অস্থিতিশীল হবে এশিয়া: রাষ্ট্রপতি

» শরীয়তপুরে আগুনে পুরে নিহত ১

» বাজেট প্রত্যাখ্যান ড. কামালের, কর্মসূচি দিচ্ছে ঐক্যফ্রন্ট

» ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনায় নিহত ২৯৮, আহত ৮৬০ : যাত্রী কল্যাণ সমিতি

» তৃণমূলের টানে রাজনীতিতে সক্রিয় হতে চান বিদিশা

» আষাঢ়ের প্রথম দিনেই স্বস্তির বৃষ্টি

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন








ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ রবিবার, ১৬ জুন ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ২রা আষাঢ় ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উগ্রবাদীদের পরাজিত করবো: ওবায়দুল কাদের

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:
Spread the love

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: আজ ৩১ডিসেম্বর বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে সকাল ১০.০০টায় বিজয় দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি বলেন- জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় ঘুরে দাঁড়িয়েছি উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিপদ এখনো যায়নি। নতুন বছরের জন্য এই অসম্পূর্ণ কাজ সম্পন্ন করতে হবে। তিনি বলেন, আমাদের বিজয়কে সুসংহত করতে হবে। সাম্প্রদায়িক উগ্রবাদ আমাদের বিজয়ের পথে বাধা। এই বাধাও অতিক্রম করে আমাদের পুরোপুরি বিজয়ী হতে হবে।

 

নতুন বছরে সাবাইকে সুসংঘঠিত করে সকল বাধা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। এটাই হবে, আমাদের আজকের শিক্ষা-দীক্ষা। তিনি বলেন- হোলি আর্টিজান ও শোলাকিয়া সাময়িকভাবে বিচলিত-ধৈর্যহারা করেছিল। কিন্তু দিশেহারা করতে পারেনি। এখনো শোলাকিয়া ও হোলি আর্টিজানের রক্তাক্ত ট্রাজেডি থেকে বেরিয়ে আসতে পারিনি। বিজয়ের মাসের শেষ দিনে আমাদের শপথ হবে, এই দুটি ট্রাজেডি থেকে বেরিয়ে আসব। জনগণকে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উগ্রবাদীদের প্রতিরোধ করে পরাজিত করব। বিদায়ী বছর নিয়ে তিন বলেন, ফেলা আসা বছরে আমাদের উন্নয়ন ও অর্জন বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে।

 

আজকে নির্দিধায় বলতে পারি, রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমাদের ফেলা আসা বছরের উন্নয়ন ও অর্জনের প্রাপ্তি অনেক অনেক বেশি। আজকে গর্ব করে বলছি। বুক উঁচু করে বলছি, বঙ্গবন্ধু তুমি এ দেশ স্বাধীন করে ভুল করোনি। বঙ্গবন্ধু তোমার স্বপ্নের বাংলাদেশ আজ কেবল এগিয়ে যাচ্ছে। আর তোমার নেতৃত্বে একাত্তরে যাদের পরাজিত করেছি, তারা কেবল পিছিয়ে যাচ্ছে। পাকিস্তান পিছিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক সমীক্ষায় অন্তত ২৫ সূচকে পাকিস্তান বাংলাদেশের চেয়ে পিছিয়ে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

 

বিএনপির সমালোচনা করে ওবায়দুল কাদের বলেন, তারা এখন সব জায়গায় ব্যর্থ। ব্যর্থ আন্দোলনে। ব্যর্থ নির্বাচনে। সর্বশেষ প্রমাণ নারায়ণগঞ্জ। ব্যর্থ লোক শুধু নালিশ করে। বিএনপি এখন বাংলাদেশ নালিশ পার্টি। জেলা পরিষদের নির্বাচন সংবিধান বহির্ভূত নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপি মিথ্যাচার করে। মিথ্যাচারকে পুঁজি করে রাজনীতি করে। সংবিধানকে রক্তাক্ত করেন তারা এখন সংবিধানের কথা টেনে আনেন। ভূতের মুখে রাম নামের মতো।

 

সভাপতির বক্তব্যে যুবলীগ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী বলেন- ডিসেম্বর মাস-আজ ৩১শে ডিসেম্বর- বিজয় মাসের শেষ দিন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি। ৩০ লক্ষ শহীদ এবং ২ লক্ষ মা বোনের ত্যাগের বিনিময়ে এ দেশ, ডিসেম্বরের শেষ দিনের আজকের সকালটা কী সুন্দর! আহা! আমার বাংলাদেশ নীল আকাশ-ঝকঝক করছে রোদ্দুরে- স্বাধীনতার আলোয় বিজয়ের গৌরবের আলোয়। এই মাটির প্রতিটা ঘাসে, প্রতিটা অন্নদানায় শহীদের রক্ত লেগে আছে। মিশে আছে শহীদের স্বজনদের অশ্র“।

 

আমার সোনার বাংলা-আমি তোমায় ভালোবাসি। তিনি বলেন- এ বছর বিজয়ের মাসের প্রথম দিনেই একটি চমৎকার অর্জন- চারুকলা অনুষদের চত্বর থেকে পহেলা বৈশাখ উদযাপন উপলক্ষে যে বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোষাযাত্রা-সেটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করে নিয়েছে। এই শোভাযাত্রার মাধ্যমে কলুষিত সংস্কৃতি, সব অশুভ শক্তি, বিশেষ করে সাম্প্রদায়িকতা, মৌলবাদ এবং জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া। কারণ মঙ্গল শোভাযাত্রা-জাতির ধর্ম-বর্ণ-সবমানুষের জন্য। এখানে কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ, কে খ্রিষ্টান, কে মুসলমান সেটা দেখা যায় না। তাই শতবার অভিবাদন জানাব এই শোভাযাত্রাকারীদের। বলতে ইচ্ছে করে আমরা যদিনা জাগিমা কেমনে সকাল হবে? কারণ- এখন প্রতিটা দিন এক একেকটা আর্শীবাদ।

 

কারণ- মানুষ জন্মের সময় সে আইডিয়া নিয়ে জন্মায় না মরার সময় আইডিয়া নিয়ে মরে না। তাই উচ্চস্বরে বলবো জ্ঞানের চেয়ে অনুভব বেশি দামি। ভবিষ্যৎ জানতে হলে অতীত পাঠ করতে হবে। যারা অতীত মনে রাখে না, তারাই অতীতের দোষে দুষ্ট। তিনি আরো বলেন- জেলা পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী দেয় নাই ঠিক- বললেন রসিকতার নির্বাচন। কিন্তু ভোট দিলেন দল বেঁধে বিএনপি নেতারা। এটা কোন ধরণের রসিকতা। তাই বলব- বর্তমানকে দেখুন- জ্ঞনের দৃষ্টিতে। কারণ এটাতেই আপনারা আমরা বর্তমান। রাজনীতি এখন আগের মতো নেই। প্রক্সি ও প্রম্পট করে রাজনৈতিক দল পরিচালনা করার দিন শেষ হয়ে গেছে। এখন সজীব ওয়াজেদ জয়ের ডিজিটাল বাংলাদেশ।

 

এখন ডিজিটাল রাজনীতির যুগ। আমাদের সবাইকে সজাগ, সচেতন হতে হবে। বঙ্গবন্ধু দিয়েছেন স্বাধীনতা, রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা দিলেন- অর্থনৈতিক মুক্তি আর সজিব ওয়াজেদ জয় দিলেন- ডিজিটাল বাংলাশে-জ্ঞনে নির্ভর বাংলাদেশ। তিনি বলেন- বিশ্বব্যাপী প্রভাবশালী নেতাদের তালিকায় রাষ্ট্রপ্রধানদের নামই উঠে আসে। কিন্তু অনুপ্রেরনীয় নেতৃত্বের কথা এলে হিসাবটা পাল্টে যায়। আজকের প্রধান অতিথি জনাব ওবায়দুল কাদের আমাদের কাছে অনুপ্রেরণীয় নেতা- আপনার সমীপে কিছু কথা। তিনি আরো বলেন- নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে জাতীয় সংসদে ৩০০ আসনের জন্য তিনজন আইভি আছেন কিনা সন্দেহ- তাই বিএনপির অস্তিত্ব সংকট নিয়ে বেশি মাথা না ঘামিয়ে দলের প্রতি নজর দেওয়া দরকার।

 

জাতীয় বিষয়-বাইরের বিষয়ে নাক গলানোর বক্তব্য দেওয়ার পরিবর্তে দলীয় বিষয়/আভ্যন্তরীন বিষয় নিয়ে বেশি মাথা ঘামালে দলের কর্মী নেতাদের হৃদয়ে বেশি স্থান করে নেওয়া যাবে। তিনি বলেন- কথাটি এজন্য বললাম- বিএনপির বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ ছিল সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের, জ্বালাও-পোড়াও, জঙ্গবাদের কিন্তু নারায়ণগঞ্জের মানুষ তা পুরোপুরি বিশ্বাস করেনি। এটাই আমাদের বড় ব্যর্থতা। ১২ কাউন্সিলারকে বিএনপি সমর্থক-তাঁরা নির্বাচিত করেছে। বিএনপি আবার মূলধরায় ফিরে এসছে।

 

এটি আজ আমাদের ভাবতে হবে। নারায়ণগঞ্জের মতো সারা দেশে পরিচ্ছন্ন প্রার্থী তৈরী করতে হবে। প্রতিপক্ষকে গালাগালি করে ভোট পাওয়ার দিন সম্ভবত শেষ হয়ে গেছে। বহুল পরিচিত বাংলা প্রবাদ আছে- ‘যায় দিন ভালো, আসে দিন খারাপ’। যদি প্রবাদটি উল্টে দিয়ে- আসে দিন ভালো, যায় দিন খারাপ’- নিশ্চিত করতে হবে। তবেই আমাদের সফলতা আসবে। তবেই বলতে পারব-হারিয়ে যাওয়া দিনগুলো মোর তাঁরার মতো জ্বলে। সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা।

 

আরো বক্তব্য রাখেন- যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ হারুনুর রশীদ, প্রেসিডিম সদস্য শহীদ সেরনিয়াবাত, শেখ সামসুল আবেদীন, মোঃ ফারুক হোসেন, আব্দুস সাত্তার মাসুদ, আতাউর রহমান, সিরাজুল ইসলাম মোল্লা, অধ্যাপক এবিএম আমজাদ হোসেন, আনোয়ারুল ইসলাম, যুগ্ম-সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম শাহীন, নাসরিন জাহান শেফালী, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক আতিক, আসাদুল হক আসাদ, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য কাজী আনিসুর রহমান, মিজানুল ইসলাম মিজু, মিল্লাত হোসেন, ঢাকা মহানগর উত্তর সভাপতি মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ঢাকা মহানগর দক্ষিন সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট, দক্ষিন সহ-সভাপতি হারুনুর রশিদ, সোহরাব হোসেন স্বপন, আনোয়ার ইকবাল সান্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী ইব্রাহিম খলিল মারুফ, দপ্তর সম্পাদক এমদাদুল হক এমদাদ, আইন সম্পাদক এড. শাহনাজ পারভীন হীরা, যুবলীগ উত্তর সহ-সভাপতি মোঃ জাফর ইকবাল, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন সেলিম প্রমুখ। যৌথভাবে সভা পরিচালনা করেন- যুবলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাঃ বদিউল আলম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা, ঢাকা মহানগর উত্তর সাংগঠনিক সম্পাদক সিদ্দিক বিশ্বাস।

নিউজটি শেয়ার করুন:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Click Here



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us | Sitemap
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited