আর কত দুর্নীতি করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে বরাব ইউনিয়ন ভূমি অফিসের পিয়ন আওলাদের!

Spread the love

কুয়াকাটা নিউজ:- আর কত দুর্নীতি করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে সোনারগাঁয়ের বরাব ইউনিয়ন ভূমি অফিসের পিয়ন আওলাদ হোসেনের বিরুদ্ধে। বরাব ভূমি অফিসের চতুর্থ শ্রেনীর পিয়ন পদে চাকরিরত আওলাদ হোসেনের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নিচ্ছে না তার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। একজন পিয়নের এত ক্ষমতা দেখে রীতিমত হতবাক হয়েছে সাদিপুর ইউনিয়নবাসী। পিয়ন আওলাদ হোসেনের অভিযোগগুলো দ্রুত তদন্তপূর্বক তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় বিভাগীয় ব্যবস্হা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী।

 

এভাবে প্রকাশ্য দুর্নীতি ও অনিয়ম করার পর যদি নূন্যতম তদন্ত পর্যন্ত না হয় এবং কোন প্রশাসনিক ব্যবস্হা নেয়া না হয় তাহলে বরাব ভূমি অফিস দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যে পরিনত হবে।

 

খোজ নিয়ে জানা গেছে, এই একই পদে চাকরি করে অন্যন্য সরকারি কর্মচারীদের যখন নূন আনতে পান্তা ফুরায় তখন সোনারগাঁও উপজেলার বরাব ইউনিয়ন ভুমি অফিসের

 

পিয়ন আওলাদ হোসেনের অধিনে কাজ করে তিন জন ওমেদার। তিনজন ওমেদারই আওলাদ হোসেনের আদেশ ও নির্দেশে কাজ করে। তিনজনের বেতনের টাকাও প্রদান করে আওলাদ হোসেন। তার আদেশে সরকারি সকল কাজকর্ম করেন তিনজন ওমেদার। আওলাদ হোসেন সপ্তাহে ২ থেকে ৩ দিন অফিসে এসে হাজিরা দিয়ে চলে যান। তার এই সামান্য বেতনে কিভাবে মাষ্টার্স পাশ করা তিনজন ওমেদারকে নিয়োগ দিলেন তা নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে সাদিপুর ইউনিয়ন ব্যাপী।

 

অভিযোগ রয়েছে, আওলাদ হোসেন যোগদানের পর থেকেই অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠেন এবং ব্যাপক দুর্নীতি, অনিয়ম ও ঘুষ বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়েন। তিনি ভূমি অফিসে সেবা নিতে আসা সাধারণ লোকজনের সঙ্গে সবসময় অসৎ আচরণ করে থাকেন। একইসঙ্গে কারণে-অকারণে বাক-বিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন। মাঝে-মধ্যেই মানুষকে অফিস থেকে বের করে দেন। আওলাদ হোসেন উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মানতে নারাজ। যাকে যা ইচ্ছা তাই বলছেন তিনি। বরাব ভূমি অফিসে তার সাথে ভূমি সংশ্লিষ্ট অনেকের সাথে হাতাহাতির ঘটনা পর্যন্ত ঘটে। তার ঔদ্ধত্যপূর্ন আচরন ও ব্যাপক ক্ষমতায় সাদিপুর ইউনিয়নের সাধারন জনগন ও জমি সংশ্লিষ্ট প্রতিটি মানুষের মনে প্রশ্ন জেগেছে, আওলাদ হোসেনের খুঁটির জোর কোথায়?

 

জানা গেছে, বরাব ভূমি অফিসে ২০০-৩০০ টাকার বিনিময়ে খসড়া এস.এ ও আর.এস পর্চা বিক্রির ব্যবসা করে। যদি কোন ওমেদারও পর্চা বিক্রি করে তবুও আওলাদ হোসেনকে প্রতি পর্চা প্রতি ১৫০ টাকা করে দিতে হয়। প্রতিটি নামজারি মোকদ্দমার নোটিশ জারি করতে আওলাদ হোসেনকে দিতে হয় ১ হাজার টাকা। ১ হাজার টাকা দিলে অফিসে বসেই নোটিশ জারি করে আর টাকা না দিলে নোটিশ জারিই করেনা। সাধারন মানুষকে ঘুরতে হয় দিনের পর দিন।

 

এ বিষয়ে অভিযুক্ত পিয়ন আওলাদ হোসেন বলেন, আমি দুর্নীতি করলে ব্যবস্হা নিবে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। আমার বিষয়ে সব জানে আমার স্যারেরা।

 

সোনারগাঁয়ের সহকারী কমিশনার (ভূমি) বিএম রুহুল আমিন রিমন বলেন, বরাব ভূমি অফিসের পিয়ন আওলাদ হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো পাওয়া গেছে। অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন:

সর্বশেষ আপডেট



» কমলগঞ্জ ভোক্তা অধিকার আইনে ২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

» লাংলিয়াছড়া সেতু বন্ধন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গৃহ নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন

» নলছিটিতে ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে নদীতে পড়ে বাবা নিখোঁজ

» গলাচিপায় জাতীর পিতার শাহদাত বার্ষিকী পালিত

» ঝিনাইদহের শৈলকুপায় আওয়ামীলীগের শোক দিবস পালন

» ঝিনাইদহে ছাত্র লীগের কালোপতাকা মৌন মিছিল ও সমাবেশ

» ঝিনাইদহে স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামীসহ ২ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

» ঝিনাইদহ জেলার শ্রেষ্ঠ পুলিশ সার্জেন্ট সাদ্দাম হোসেন নির্বাচিত

» কুয়াকাটা সৈকত সুরক্ষা বাধেঁর নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার আগেই বিলিন হয়ে গেছে জিও টিউব

» রুমায় সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা অস্ত্রের মুখে এক ড্রাইভার অপহরণ

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ৫ই ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

আর কত দুর্নীতি করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে বরাব ইউনিয়ন ভূমি অফিসের পিয়ন আওলাদের!

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:
Spread the love

কুয়াকাটা নিউজ:- আর কত দুর্নীতি করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে সোনারগাঁয়ের বরাব ইউনিয়ন ভূমি অফিসের পিয়ন আওলাদ হোসেনের বিরুদ্ধে। বরাব ভূমি অফিসের চতুর্থ শ্রেনীর পিয়ন পদে চাকরিরত আওলাদ হোসেনের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নিচ্ছে না তার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। একজন পিয়নের এত ক্ষমতা দেখে রীতিমত হতবাক হয়েছে সাদিপুর ইউনিয়নবাসী। পিয়ন আওলাদ হোসেনের অভিযোগগুলো দ্রুত তদন্তপূর্বক তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় বিভাগীয় ব্যবস্হা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী।

 

এভাবে প্রকাশ্য দুর্নীতি ও অনিয়ম করার পর যদি নূন্যতম তদন্ত পর্যন্ত না হয় এবং কোন প্রশাসনিক ব্যবস্হা নেয়া না হয় তাহলে বরাব ভূমি অফিস দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যে পরিনত হবে।

 

খোজ নিয়ে জানা গেছে, এই একই পদে চাকরি করে অন্যন্য সরকারি কর্মচারীদের যখন নূন আনতে পান্তা ফুরায় তখন সোনারগাঁও উপজেলার বরাব ইউনিয়ন ভুমি অফিসের

 

পিয়ন আওলাদ হোসেনের অধিনে কাজ করে তিন জন ওমেদার। তিনজন ওমেদারই আওলাদ হোসেনের আদেশ ও নির্দেশে কাজ করে। তিনজনের বেতনের টাকাও প্রদান করে আওলাদ হোসেন। তার আদেশে সরকারি সকল কাজকর্ম করেন তিনজন ওমেদার। আওলাদ হোসেন সপ্তাহে ২ থেকে ৩ দিন অফিসে এসে হাজিরা দিয়ে চলে যান। তার এই সামান্য বেতনে কিভাবে মাষ্টার্স পাশ করা তিনজন ওমেদারকে নিয়োগ দিলেন তা নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে সাদিপুর ইউনিয়ন ব্যাপী।

 

অভিযোগ রয়েছে, আওলাদ হোসেন যোগদানের পর থেকেই অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠেন এবং ব্যাপক দুর্নীতি, অনিয়ম ও ঘুষ বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়েন। তিনি ভূমি অফিসে সেবা নিতে আসা সাধারণ লোকজনের সঙ্গে সবসময় অসৎ আচরণ করে থাকেন। একইসঙ্গে কারণে-অকারণে বাক-বিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন। মাঝে-মধ্যেই মানুষকে অফিস থেকে বের করে দেন। আওলাদ হোসেন উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মানতে নারাজ। যাকে যা ইচ্ছা তাই বলছেন তিনি। বরাব ভূমি অফিসে তার সাথে ভূমি সংশ্লিষ্ট অনেকের সাথে হাতাহাতির ঘটনা পর্যন্ত ঘটে। তার ঔদ্ধত্যপূর্ন আচরন ও ব্যাপক ক্ষমতায় সাদিপুর ইউনিয়নের সাধারন জনগন ও জমি সংশ্লিষ্ট প্রতিটি মানুষের মনে প্রশ্ন জেগেছে, আওলাদ হোসেনের খুঁটির জোর কোথায়?

 

জানা গেছে, বরাব ভূমি অফিসে ২০০-৩০০ টাকার বিনিময়ে খসড়া এস.এ ও আর.এস পর্চা বিক্রির ব্যবসা করে। যদি কোন ওমেদারও পর্চা বিক্রি করে তবুও আওলাদ হোসেনকে প্রতি পর্চা প্রতি ১৫০ টাকা করে দিতে হয়। প্রতিটি নামজারি মোকদ্দমার নোটিশ জারি করতে আওলাদ হোসেনকে দিতে হয় ১ হাজার টাকা। ১ হাজার টাকা দিলে অফিসে বসেই নোটিশ জারি করে আর টাকা না দিলে নোটিশ জারিই করেনা। সাধারন মানুষকে ঘুরতে হয় দিনের পর দিন।

 

এ বিষয়ে অভিযুক্ত পিয়ন আওলাদ হোসেন বলেন, আমি দুর্নীতি করলে ব্যবস্হা নিবে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। আমার বিষয়ে সব জানে আমার স্যারেরা।

 

সোনারগাঁয়ের সহকারী কমিশনার (ভূমি) বিএম রুহুল আমিন রিমন বলেন, বরাব ভূমি অফিসের পিয়ন আওলাদ হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো পাওয়া গেছে। অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Click Here

সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us | Sitemap
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited