আজ ৮ ডিসেম্বর বাউফল উপজেলা হানাদার মুক্ত দিবস ৪৬ বছর অতিবাহিত হলেও বঞ্চিত ক্ষতিগ্রস্থরা

Spread the love

হারুন অর রশিদ, বাউফল: আজ ৮ ডিসেম্বর। বাউফল সহ পটুয়াখালী জেলা পাক হানাদার বাহিনী মুক্ত দিবস। ১৯৭১সালের এই দিন পাক হানাদারকে উৎখাত করে বাউফল থানা দখলে নেয় মুক্তিবাহিনী। স্বাধীনতার যুদ্ধে পাক-হানাদার বাহিনী কর্তৃক পটুয়াখালী বাউফলের শতাধিক মানুষ গণহত্যা ও নির্যাতনের স্বীকার হয়েছে। পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে হাজারও বাড়িঘর। স্বাধীনতার ৪৬ বছর পার হলেও ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার এখনও পায়নি কোন সরকারি সুযোগ সুবিধা। সেই ৭১ সালের লোমহর্ষক ঘটনার দৃশ্য ও প্রিয়জনদের হারিয়ে যাওয়া স্মৃতি স্মরন করে আজও চোঁখের পানি ফেলছেন অনেক পরিবার।

 

৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বর দীর্ঘ ৯ মাসের যুদ্ধে বিভিন্ন এলাকায় পাক-হানাদার কর্তৃক ৭১ সালের নিষ্পাচারিত ঘটনার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- ১৭ সেপ্টেম্বর-কালিশুরীর শিবপুর এলাকায় পাকবাহিনীর সাথে মুক্তিবাহিনীর প্রথম সম্মুখ যুদ্ধ, ৬ আগষ্ট-ধুলিয়া এলাকায় গনহত্যা, ২৬ সেপ্টেম্বর-মদনপুরা চন্দ্রপাড়া গ্রামের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ ও ১৩ জন নিরিহ মানুষকে গুলি করে হত্যাসহ ১১ সেপ্টেম্বর কালিশুরী বন্দরের শতাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়িয়ে দেওয়া। রাজাকারদের পরিকল্পনা জানার জন্য বিশেষ ডিউটি পালনসহ মুক্তিবাহিনীকে প্রশিক্ষন দেন বাউফল ইউপির আবদুল কাদের সিকদার। দীর্ঘ ৯ মাস বিভিন্ন ক্যাম্পে অপারেশন চালিয়ে মেলেসিয়া বাহিনীকে প্রশিক্ষণসহ সনদ প্রদান করেন। দীর্ঘদিন ভিডিআর চাকরী করে অবসর জীবনে বৃদ্ধ বয়সে নানা রোগে ভুগছে। এ দিকে সারাদেশে মুক্তিযোদ্ধা তালিকা বাছাই চললেও আব্দুল কাদের সিকদার সেই তালিকার নাম অর্ন্তভুক্ত হওয়ার অপেক্ষায় দিন গুনছে।

 

বাউফল উপজেলার অলীপুরা গ্রামে বাসিন্দা ওয়াজেদ তালুকদার কুষ্টিয়া পুলিশ লাইন থেকে পালিয়ে পাক হানাদার বিরুদ্ধে যুদ্ধে করেন। যুদ্ধকালীন সময় পাকহানাদার বাহিনীর ছোড়াগুলিতে ওয়াজেদ তালুকদার আহত হন এবং সহ-মুক্তিযোদ্ধা আক্কাচ আলীর মাথার ওপর গুলি লেগে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। তবুও মুক্তিযোদ্ধার খাতায় নাম লেখাতে পারেনি ওয়াজেদ আলী ! বাংলাদেশ সরকার স্বাধীনতা ঘোষনা করলে ১৪ই ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে বাউফল থানা কমান্ডারের কাছে হেফাজতে থাকা অস্ত্র (রাইফেল নং ১৭৭০ পটুয়া) জমা দেন এবং একখানা সনদপত্র নিয়ে কুষ্টিয়া পুলিশ লাইনে যোগদান করেন। চাকুরী শেষে বর্তমানে অবসরে অলীপুরা বাড়ীতে অবস্থান করেছেন। যুদ্ধ সময়কালীন ওয়াজেদ তালুকদার বয়স ২১ হলেও বর্তমানে ৬৯ বছর পড়েছে। বয়সের ভারে অনেক কিছু ভুলে গেছে। স্বাধীনতার যুদ্ধকালীন সময়ের তারিখও স্থানের নাম মনে নেই তার।

 

উপজেলার কালিশুরী ইউপির জালাল উদ্দিন হাং (৮৫) ও নুর হোসেন হাং (৮০) জানান, অস্ত্র নিয়ে যুদ্ধে অংশগ্রহন করার অপরাধে বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ লুটপাট চালানো হয়। কর্নেল ওসমানি সার্টিফিকেট পেয়েছি। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর হত্যার পরে জিয়াউর রহমান যেসব সেনাবাহিনী ও মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে কর্নেল ওসমানীর সার্টিফিকেট পেয়েছে তাদেরকে ধরে গুলি করে মেরে ফেলেছে। সেই ভয়ে কর্নেল ওসমানি সার্টিফিকেটটি পুড়িয়ে ফেলেছি। সার্টিফিকেট হারানোর পরে আর মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় নাম উঠাতে পারিনি।

 

চন্দ্রপাড়া গ্রামের রাহেলা ভানু জানান, আমার বাবার পরিবারেই থাকি, কোন ভাই বোন নেই। আমার বাবা চাচা সহ এই গ্রামের ১৩ জনকে আমাদের সামনে সকাল ১০টার দিকে উঠানের ভিতর দারা করে গুলি দিয়েছিল পাকিস্তানী সেনারা। একটি পরিবারও কোন ধরনের সাহায্য পায়নি। বঙ্গবন্ধু থাকতে বাউফলে কম্বল দিয়েছিল, কিন্তু আমরা পাইনি।

উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের তথ্যানুসারে বাউফল উপজেলায় ৫৬৮ জন মুক্তিযোদ্ধা তালিকাভ’ক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ১৭১ জন মারা গেছে। ৪৫৮ জন মুক্তিযোদ্ধা সম্মানী ভাতা পাচ্ছেন। বেসরকারি জরিপ বলছে, বাউফল উপজেলায় সহ¯্রাধীক মুক্তিযোদ্ধা রয়েছে। যাদের ৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ অংশগ্রহন ছিল। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের শর্তানুসারে প্রমানপত্র উপস্থাপন ব্যর্থ হওয়ায় ওইসব মুক্তিযোদ্ধাগন সরকারি গেজেটভুক্ত তালিকায় নাম অর্ন্তভ’ক্ত হতে পারেনি। ফলে আর্থিক সংকট, বার্ধক্যজনিত রোগ ও শারিরীক নির্যাতনের ক্ষত বুকে নিয়ে ক্ষোভে কষ্টে দিনাতিপাত করছে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলো।

 

সেই দিনের পৌশাচিক নির্যাতনের ঘটনায় নিহত ব্যক্তির নেই নামফলক। সংরক্ষন করা হয়নি গন কবরগুলো। এমনকি যুদ্ধকালীন স্থানগুলো চিহ্নিত করা হয়নি। সময়ের সাথে ইতিহাসগুলো ভুলে যাচ্ছে এই প্রজম্মের মানুষগুলো।উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার মো: শামসুল আলম মিয়া বলেন, মুক্তিযোদ্ধা ক্ষেত্রে বৈষম্য নয়, ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের তালিকা তৈরির মাধ্যমে সাধারণ মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় নাম অর্ন্তভুক্তি করে প্রয়োজনীয় সহয়তা দিয়ে স্বাধীন দেশের মর্যাদা অক্ষুন্ন রাখা হোক।

নিউজটি শেয়ার করুন:

সর্বশেষ আপডেট



» ঝিনাইদহে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন কার্যালয় ও সিও সংস্থার আয়োজনে কারাবন্দীদের সাথে মাদক বিরোধী আলোচনা সভা

» ঝিনাইদহে গোয়েন্দা পুলিশের সফল অভিযানে একাধিক মামলার আসামি দেশীয় ওয়ান শুটারগান ও গুলি সহ গ্রেফতার

» মৌলভীবাজারে সন্ত্রাসী হামলায় ব্যবসায়ী আহত

» রাম আদালত সক্রিয়করণে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা নিতে হবে – জেলা প্রশাসক মোঃ মাজেদুর রহমান খান

» ঝালকাঠিতে বিনামূল্যে কৃষকদের মাঝে আমনের বীজ বিতরন

» “ন্যাশনাল সার্ভিস ১ম-৪র্থ পর্বের কর্মীদের পুনরায় নিয়োগ এবং চলমান কর্মসূচির মেয়াদ বৃদ্ধি করে স্থায়ী কর্মসংস্থান প্রদানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা ও ৭ দফা বাস্তবায়নের দাবিতে” মানববন্ধন

» যশোরের বেনাপোল দৌলতপুর সীমান্তে ফেন্সিডিল মহিলাসহ আটক-২

» শার্শা থানার এসআই মামুন লুঙ্গী,গেঞ্জি পড়ে ছদ্ববেশে খুনের আসামীকে গ্রেফতার করলেন

» চলতি বাজেটে মুঠোফোনে বর্ধিত কর বাতিলের দাবিতে গণসমাবেশ

» রংপুরে ঘুষ নেয়ার ভিডিও করায় সাংবাদিককে পেটাল পুলিশ, ৪ পুলিশ সদস্য ক্লোজড

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন





ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ১১ই আষাঢ় ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

আজ ৮ ডিসেম্বর বাউফল উপজেলা হানাদার মুক্ত দিবস ৪৬ বছর অতিবাহিত হলেও বঞ্চিত ক্ষতিগ্রস্থরা

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:
Spread the love

হারুন অর রশিদ, বাউফল: আজ ৮ ডিসেম্বর। বাউফল সহ পটুয়াখালী জেলা পাক হানাদার বাহিনী মুক্ত দিবস। ১৯৭১সালের এই দিন পাক হানাদারকে উৎখাত করে বাউফল থানা দখলে নেয় মুক্তিবাহিনী। স্বাধীনতার যুদ্ধে পাক-হানাদার বাহিনী কর্তৃক পটুয়াখালী বাউফলের শতাধিক মানুষ গণহত্যা ও নির্যাতনের স্বীকার হয়েছে। পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে হাজারও বাড়িঘর। স্বাধীনতার ৪৬ বছর পার হলেও ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার এখনও পায়নি কোন সরকারি সুযোগ সুবিধা। সেই ৭১ সালের লোমহর্ষক ঘটনার দৃশ্য ও প্রিয়জনদের হারিয়ে যাওয়া স্মৃতি স্মরন করে আজও চোঁখের পানি ফেলছেন অনেক পরিবার।

 

৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বর দীর্ঘ ৯ মাসের যুদ্ধে বিভিন্ন এলাকায় পাক-হানাদার কর্তৃক ৭১ সালের নিষ্পাচারিত ঘটনার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- ১৭ সেপ্টেম্বর-কালিশুরীর শিবপুর এলাকায় পাকবাহিনীর সাথে মুক্তিবাহিনীর প্রথম সম্মুখ যুদ্ধ, ৬ আগষ্ট-ধুলিয়া এলাকায় গনহত্যা, ২৬ সেপ্টেম্বর-মদনপুরা চন্দ্রপাড়া গ্রামের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ ও ১৩ জন নিরিহ মানুষকে গুলি করে হত্যাসহ ১১ সেপ্টেম্বর কালিশুরী বন্দরের শতাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়িয়ে দেওয়া। রাজাকারদের পরিকল্পনা জানার জন্য বিশেষ ডিউটি পালনসহ মুক্তিবাহিনীকে প্রশিক্ষন দেন বাউফল ইউপির আবদুল কাদের সিকদার। দীর্ঘ ৯ মাস বিভিন্ন ক্যাম্পে অপারেশন চালিয়ে মেলেসিয়া বাহিনীকে প্রশিক্ষণসহ সনদ প্রদান করেন। দীর্ঘদিন ভিডিআর চাকরী করে অবসর জীবনে বৃদ্ধ বয়সে নানা রোগে ভুগছে। এ দিকে সারাদেশে মুক্তিযোদ্ধা তালিকা বাছাই চললেও আব্দুল কাদের সিকদার সেই তালিকার নাম অর্ন্তভুক্ত হওয়ার অপেক্ষায় দিন গুনছে।

 

বাউফল উপজেলার অলীপুরা গ্রামে বাসিন্দা ওয়াজেদ তালুকদার কুষ্টিয়া পুলিশ লাইন থেকে পালিয়ে পাক হানাদার বিরুদ্ধে যুদ্ধে করেন। যুদ্ধকালীন সময় পাকহানাদার বাহিনীর ছোড়াগুলিতে ওয়াজেদ তালুকদার আহত হন এবং সহ-মুক্তিযোদ্ধা আক্কাচ আলীর মাথার ওপর গুলি লেগে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। তবুও মুক্তিযোদ্ধার খাতায় নাম লেখাতে পারেনি ওয়াজেদ আলী ! বাংলাদেশ সরকার স্বাধীনতা ঘোষনা করলে ১৪ই ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে বাউফল থানা কমান্ডারের কাছে হেফাজতে থাকা অস্ত্র (রাইফেল নং ১৭৭০ পটুয়া) জমা দেন এবং একখানা সনদপত্র নিয়ে কুষ্টিয়া পুলিশ লাইনে যোগদান করেন। চাকুরী শেষে বর্তমানে অবসরে অলীপুরা বাড়ীতে অবস্থান করেছেন। যুদ্ধ সময়কালীন ওয়াজেদ তালুকদার বয়স ২১ হলেও বর্তমানে ৬৯ বছর পড়েছে। বয়সের ভারে অনেক কিছু ভুলে গেছে। স্বাধীনতার যুদ্ধকালীন সময়ের তারিখও স্থানের নাম মনে নেই তার।

 

উপজেলার কালিশুরী ইউপির জালাল উদ্দিন হাং (৮৫) ও নুর হোসেন হাং (৮০) জানান, অস্ত্র নিয়ে যুদ্ধে অংশগ্রহন করার অপরাধে বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ লুটপাট চালানো হয়। কর্নেল ওসমানি সার্টিফিকেট পেয়েছি। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর হত্যার পরে জিয়াউর রহমান যেসব সেনাবাহিনী ও মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে কর্নেল ওসমানীর সার্টিফিকেট পেয়েছে তাদেরকে ধরে গুলি করে মেরে ফেলেছে। সেই ভয়ে কর্নেল ওসমানি সার্টিফিকেটটি পুড়িয়ে ফেলেছি। সার্টিফিকেট হারানোর পরে আর মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় নাম উঠাতে পারিনি।

 

চন্দ্রপাড়া গ্রামের রাহেলা ভানু জানান, আমার বাবার পরিবারেই থাকি, কোন ভাই বোন নেই। আমার বাবা চাচা সহ এই গ্রামের ১৩ জনকে আমাদের সামনে সকাল ১০টার দিকে উঠানের ভিতর দারা করে গুলি দিয়েছিল পাকিস্তানী সেনারা। একটি পরিবারও কোন ধরনের সাহায্য পায়নি। বঙ্গবন্ধু থাকতে বাউফলে কম্বল দিয়েছিল, কিন্তু আমরা পাইনি।

উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের তথ্যানুসারে বাউফল উপজেলায় ৫৬৮ জন মুক্তিযোদ্ধা তালিকাভ’ক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ১৭১ জন মারা গেছে। ৪৫৮ জন মুক্তিযোদ্ধা সম্মানী ভাতা পাচ্ছেন। বেসরকারি জরিপ বলছে, বাউফল উপজেলায় সহ¯্রাধীক মুক্তিযোদ্ধা রয়েছে। যাদের ৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ অংশগ্রহন ছিল। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের শর্তানুসারে প্রমানপত্র উপস্থাপন ব্যর্থ হওয়ায় ওইসব মুক্তিযোদ্ধাগন সরকারি গেজেটভুক্ত তালিকায় নাম অর্ন্তভ’ক্ত হতে পারেনি। ফলে আর্থিক সংকট, বার্ধক্যজনিত রোগ ও শারিরীক নির্যাতনের ক্ষত বুকে নিয়ে ক্ষোভে কষ্টে দিনাতিপাত করছে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলো।

 

সেই দিনের পৌশাচিক নির্যাতনের ঘটনায় নিহত ব্যক্তির নেই নামফলক। সংরক্ষন করা হয়নি গন কবরগুলো। এমনকি যুদ্ধকালীন স্থানগুলো চিহ্নিত করা হয়নি। সময়ের সাথে ইতিহাসগুলো ভুলে যাচ্ছে এই প্রজম্মের মানুষগুলো।উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার মো: শামসুল আলম মিয়া বলেন, মুক্তিযোদ্ধা ক্ষেত্রে বৈষম্য নয়, ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের তালিকা তৈরির মাধ্যমে সাধারণ মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় নাম অর্ন্তভুক্তি করে প্রয়োজনীয় সহয়তা দিয়ে স্বাধীন দেশের মর্যাদা অক্ষুন্ন রাখা হোক।

নিউজটি শেয়ার করুন:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Click Here



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us | Sitemap
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited