অভিযুক্ত প্রভাষকের বিচার না হলে আত্মহত্যার হুমকি দিয়েছে শিক্ষার্থী

Spread the love

অপূর্ব লাল সরকার, আগৈলঝাড়া (বরিশাল) থেকে :  বরিশালের আগৈলঝাড়ায় সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের এক প্রভাকের বিরুদ্ধে একাধিক শিক্ষার্থীর শ্লীলতাহানি, ধর্ষণ ও যৌণ নিপীড়নের বিস্তর অভিযোগের বিচার দাবি করে ইউএনও, কলেজ সভাপতি, অধ্যক্ষ, ওসিসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে নির্যাতিতা।

 

গভর্নিং বডির সিদ্ধান্ত অদৃশ্য কারণে বাস্তবায়ন না হওয়ায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। চলতি বছর উপজেলার শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত ডিগ্রী কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করা বাকাল গ্রামের ভুক্তভোগী সংখ্যালঘু এক ছাত্রীকে একই কলেজের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক ফারুক ফকিরের বিরুদ্ধে তাকে ধর্ষণসহ তার একই ব্যাচের বিভিন্ন ছাত্রীর শ্লীলতাহানি ও যৌণ নিপীড়নের স্বাক্ষী হিসেবে সম্পূর্ণ অপকর্মের ফিরিস্তি তুলে ধরেন। সম্প্রতি ওই শিক্ষার্থী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রভাষক ফারুক ফকিরের বিচার ও অপসারণের দাবি জানান, অন্যথায় আত্মহত্যা করবেন বলেও হুমকি প্রদান করেছেন।

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রভাষক ফারুক ফকিরের নিজ গ্রামের ভুক্তভোগী সংখ্যালঘু শিক্ষার্থী অভিযোগে জানান, সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক ফারুক ফকির কলেজে ভর্তির সময় থেকে  বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাসে ভুক্তভোগী ছাত্রীসহ বিভিন্ন ছাত্রীদের প্রলোভন দেখিয়ে কৌশলে তাদের সাথে সখ্যতা গড়ে তোলেন। অভিযোগ সূত্র মতে, বাকাল গ্রামের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সাধারণ পরিবারের ওই শিক্ষার্থী পড়াশুনায় সহযোগিতা কামণা করে একই গ্রামের বাসিন্দা সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক ফারুক ফকিরের। সহযোগিতার আশ্বাসের সুযোগ নিয়ে শিক্ষক ফারুক ফকিরের লালসার শিকার হন তিনি। লালসা চরিতার্থ করে বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি দেখিয়ে বার বার ওই ছাত্রীকে শয্যাসঙ্গী করেন ফারুক।

 

অভিযোগে আরও জানা গেছে, ভুক্তভোগী ছাত্রীর মতো অনেক ছাত্রী ফারুকের লালসার শিকার হলেও লোকলজ্জা আর মান-সম্মাণের ভয়ে কেউ মুখ খোলেনি। এর আগে ফারুকের লালসার শিকার হয়েছে একই গ্রামের সংখ্যালঘু অন্য এক ছাত্রী। এছাড়াও সাবেক এক প্রকৌশলীর মেয়ের শ্লীলতাহানি ঘটায় ওই ফারুক।  বিষয়টি জানাজানির পর ফারুক ওই ছাত্রীর পরিবারের কাছে পা ধরে মাফ চেয়ে নিস্তার পায়। গত দু’বছর আগে সংখ্যালঘু খ্রিস্টান সম্প্র্রদায়ের এক ছাত্রীর সর্বনাশ করায় ফারুকের বিরুদ্ধে মামলা করে ওই শিক্ষার্থী। একারণে কলেজ থেকে বহিস্কারও করা হয় ফারুককে। বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার করতে কলেজ গভর্নিং বডির কতিপয় সদস্যকে অর্থের বিনিময়ে ম্যানেজ করে ছাত্রীকে  বিভিন্ন রকম ভয়ভীতি দিয়ে মামলা তুলে নিতে বাধ্য করা হয়।

 

অভিযুক্ত প্রভাষক ফারুকের বিচার দাবি করে শিক্ষার্থী জানায়, আমাদের দেশের মেয়েরা এই ফারুক ফকিরদের মত লোকের লালসার শিকার হয়েও কলংকের ভয়ে সমাজ অথবা পৃথিবী ছেড়ে চলে যায়, আমিও গ্রাম ছেড়ে চলে এসেছি। কুলাঙ্গার শিক্ষকের বিচার না দেখতে পেলে আত্মহত্যারও হুমকি দিয়েছে ওই শিক্ষার্থী। এ ব্যাপারে কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি ওই কলেজের সাবেক অধ্যাপক মুক্তিযোদ্ধা লিয়াকত আলী হাওলাদার অভিযোগ প্রাপ্তির সত্যতা স্বীকার করে বলেন, অভিযোগের মধ্যে অনেক ঘটনাই সত্য। তবে অভিযোগকারী নাম প্রকাশ না করায় কার্যকর ব্যবস্থা নিতে তাদের সমস্যা হচ্ছে। এমন অভিযোগের জন্য তাকে বহিস্কারও করা হয়েছিল। সে শিক্ষার্থী মামলা না তুললে ফারুককে চাকুরীতে সুযোগ দেয়া হত না। এবারের অভিযোগ পেয়ে গভর্নিং বডির সভায় নৈতিকতা ও শৃংখলা পরিপন্থী এজেন্ডায় তাকে সতর্ক করা হয়েছে।

 

তাকে কলেজে চাকুরী করতে হলে অবশ্যই বিয়ে করতে হবে। এজন্য তার অভিভাবদের সাথে কথা বলে তাকে বিয়ের জন্য এক মাসের সময় দেয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে বিয়ে না করলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়ার কথাও জানান তিনি। কলেজ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কমলা রানী মন্ডল জানান, বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অবহিত রয়েছেন। তার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গভর্নিং বডির সভায় ফারুক ফকিরকে সতর্ক করা হয়েছে।

 

অভিযোগ প্রাপ্তির সত্যতা স্বীকার করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশ্রাফ আহমেদ রাসেল বলেন, বিষয়টি নিয়ে অধ্যক্ষর সাথে তার কথা হয়েছে। অভিযোগকারী ছাত্রী পরিচয় প্রকাশ করতে না চাওয়ায় প্রভাষকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া যাচ্ছে না। অভিযোগটি নি:সন্দেহে গুরুতর। অভিযোগকারী যদি ব্যক্তিগতভাবে আমার সাথেও কথা বলে তাহলে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। ওই শিক্ষককে নজরদারিতে রাখার জন্য অধ্যক্ষকে পরামর্শ দেয় হয়েছে। এব্যাপারে অভিযুক্ত ফারুক ফকির ফোনে জানান, তাকে সামাজিকভাবে তাকে হেয় প্রতিপন্ন করতে একটি কুচক্রী মহল এই কাজে লিপ্ত রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন:

সর্বশেষ আপডেট



» ফুুুুটবল খেলোয়াড় হতে না পেরেই হলেন নাট্যকার

» আমি মৃত্যুর মুখে, আমাকে বাঁচান

» আমেরিকায় অভিনেত্রী মৌসুমীকে আজীবন সম্মাননা

» নুসরাতকে হত্যার হুকুম দিয়ে ভুল করেছি, জবানবন্দিতে সিরাজ উদ দৌলা

» বান্দরবানের রুমায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় সেনাবাহিনীর ১০ সদস্য আহত

» বান্দরবানে মানবাধিকার কর্মীর বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ বৌদ্ধ ভিক্ষুর

» পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে শ্রমিক অসন্তোষ নিয়ন্ত্রনে, চায়না শ্রমিক সহ নিহত ২; পুলিশ সহ আহত ১৫

» তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে মতবিনিময় ও পরিদর্শন করলেন উপজেলা চেয়ারম্যান

» কলাপাড়ায় আস্থা প্রকল্পের উদ্যোগে উদযাপিত হলো যুব সমাবেশ

» বাগেরহাটে সব দোকানেই মিলছে গ্যাস সিলিন্ডার, দুর্ঘটনার আশঙ্কা

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন





ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ৬ই আষাঢ় ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

অভিযুক্ত প্রভাষকের বিচার না হলে আত্মহত্যার হুমকি দিয়েছে শিক্ষার্থী

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:
Spread the love

অপূর্ব লাল সরকার, আগৈলঝাড়া (বরিশাল) থেকে :  বরিশালের আগৈলঝাড়ায় সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের এক প্রভাকের বিরুদ্ধে একাধিক শিক্ষার্থীর শ্লীলতাহানি, ধর্ষণ ও যৌণ নিপীড়নের বিস্তর অভিযোগের বিচার দাবি করে ইউএনও, কলেজ সভাপতি, অধ্যক্ষ, ওসিসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে নির্যাতিতা।

 

গভর্নিং বডির সিদ্ধান্ত অদৃশ্য কারণে বাস্তবায়ন না হওয়ায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। চলতি বছর উপজেলার শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত ডিগ্রী কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করা বাকাল গ্রামের ভুক্তভোগী সংখ্যালঘু এক ছাত্রীকে একই কলেজের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক ফারুক ফকিরের বিরুদ্ধে তাকে ধর্ষণসহ তার একই ব্যাচের বিভিন্ন ছাত্রীর শ্লীলতাহানি ও যৌণ নিপীড়নের স্বাক্ষী হিসেবে সম্পূর্ণ অপকর্মের ফিরিস্তি তুলে ধরেন। সম্প্রতি ওই শিক্ষার্থী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রভাষক ফারুক ফকিরের বিচার ও অপসারণের দাবি জানান, অন্যথায় আত্মহত্যা করবেন বলেও হুমকি প্রদান করেছেন।

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রভাষক ফারুক ফকিরের নিজ গ্রামের ভুক্তভোগী সংখ্যালঘু শিক্ষার্থী অভিযোগে জানান, সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক ফারুক ফকির কলেজে ভর্তির সময় থেকে  বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাসে ভুক্তভোগী ছাত্রীসহ বিভিন্ন ছাত্রীদের প্রলোভন দেখিয়ে কৌশলে তাদের সাথে সখ্যতা গড়ে তোলেন। অভিযোগ সূত্র মতে, বাকাল গ্রামের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সাধারণ পরিবারের ওই শিক্ষার্থী পড়াশুনায় সহযোগিতা কামণা করে একই গ্রামের বাসিন্দা সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক ফারুক ফকিরের। সহযোগিতার আশ্বাসের সুযোগ নিয়ে শিক্ষক ফারুক ফকিরের লালসার শিকার হন তিনি। লালসা চরিতার্থ করে বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি দেখিয়ে বার বার ওই ছাত্রীকে শয্যাসঙ্গী করেন ফারুক।

 

অভিযোগে আরও জানা গেছে, ভুক্তভোগী ছাত্রীর মতো অনেক ছাত্রী ফারুকের লালসার শিকার হলেও লোকলজ্জা আর মান-সম্মাণের ভয়ে কেউ মুখ খোলেনি। এর আগে ফারুকের লালসার শিকার হয়েছে একই গ্রামের সংখ্যালঘু অন্য এক ছাত্রী। এছাড়াও সাবেক এক প্রকৌশলীর মেয়ের শ্লীলতাহানি ঘটায় ওই ফারুক।  বিষয়টি জানাজানির পর ফারুক ওই ছাত্রীর পরিবারের কাছে পা ধরে মাফ চেয়ে নিস্তার পায়। গত দু’বছর আগে সংখ্যালঘু খ্রিস্টান সম্প্র্রদায়ের এক ছাত্রীর সর্বনাশ করায় ফারুকের বিরুদ্ধে মামলা করে ওই শিক্ষার্থী। একারণে কলেজ থেকে বহিস্কারও করা হয় ফারুককে। বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার করতে কলেজ গভর্নিং বডির কতিপয় সদস্যকে অর্থের বিনিময়ে ম্যানেজ করে ছাত্রীকে  বিভিন্ন রকম ভয়ভীতি দিয়ে মামলা তুলে নিতে বাধ্য করা হয়।

 

অভিযুক্ত প্রভাষক ফারুকের বিচার দাবি করে শিক্ষার্থী জানায়, আমাদের দেশের মেয়েরা এই ফারুক ফকিরদের মত লোকের লালসার শিকার হয়েও কলংকের ভয়ে সমাজ অথবা পৃথিবী ছেড়ে চলে যায়, আমিও গ্রাম ছেড়ে চলে এসেছি। কুলাঙ্গার শিক্ষকের বিচার না দেখতে পেলে আত্মহত্যারও হুমকি দিয়েছে ওই শিক্ষার্থী। এ ব্যাপারে কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি ওই কলেজের সাবেক অধ্যাপক মুক্তিযোদ্ধা লিয়াকত আলী হাওলাদার অভিযোগ প্রাপ্তির সত্যতা স্বীকার করে বলেন, অভিযোগের মধ্যে অনেক ঘটনাই সত্য। তবে অভিযোগকারী নাম প্রকাশ না করায় কার্যকর ব্যবস্থা নিতে তাদের সমস্যা হচ্ছে। এমন অভিযোগের জন্য তাকে বহিস্কারও করা হয়েছিল। সে শিক্ষার্থী মামলা না তুললে ফারুককে চাকুরীতে সুযোগ দেয়া হত না। এবারের অভিযোগ পেয়ে গভর্নিং বডির সভায় নৈতিকতা ও শৃংখলা পরিপন্থী এজেন্ডায় তাকে সতর্ক করা হয়েছে।

 

তাকে কলেজে চাকুরী করতে হলে অবশ্যই বিয়ে করতে হবে। এজন্য তার অভিভাবদের সাথে কথা বলে তাকে বিয়ের জন্য এক মাসের সময় দেয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে বিয়ে না করলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়ার কথাও জানান তিনি। কলেজ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কমলা রানী মন্ডল জানান, বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অবহিত রয়েছেন। তার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গভর্নিং বডির সভায় ফারুক ফকিরকে সতর্ক করা হয়েছে।

 

অভিযোগ প্রাপ্তির সত্যতা স্বীকার করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশ্রাফ আহমেদ রাসেল বলেন, বিষয়টি নিয়ে অধ্যক্ষর সাথে তার কথা হয়েছে। অভিযোগকারী ছাত্রী পরিচয় প্রকাশ করতে না চাওয়ায় প্রভাষকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া যাচ্ছে না। অভিযোগটি নি:সন্দেহে গুরুতর। অভিযোগকারী যদি ব্যক্তিগতভাবে আমার সাথেও কথা বলে তাহলে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। ওই শিক্ষককে নজরদারিতে রাখার জন্য অধ্যক্ষকে পরামর্শ দেয় হয়েছে। এব্যাপারে অভিযুক্ত ফারুক ফকির ফোনে জানান, তাকে সামাজিকভাবে তাকে হেয় প্রতিপন্ন করতে একটি কুচক্রী মহল এই কাজে লিপ্ত রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Click Here



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us | Sitemap
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited