নিখোঁজ সাংবাদিক উৎপল দাসের সন্ধান পাওয়া যায়নি

Spread the love

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের একটি হাসপাতালে অপহৃত সাংবাদিক উৎপল দাস চিকিৎসাধীন আছেন। এমন খবরের গুজব ছড়িয়ে পড়ায় স্থানীয় সাংবাদিকরা বিভিন্ন হাসপাতালে নিখোঁজ সাংবাদিক উৎপল দাসের সন্ধান করেও তার সন্ধান পায়নি।

 

স্থানীয় সাংবাদিকরা টাঙ্গাইলের মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও সদর এবং আশপাশের কমপক্ষে ১০টি ক্লিনিকে তল্লাশি করেন। এছাড়া থানা পুলিশও সন্ধান চালিয়ে তার কোন অবস্থান নিশ্চিত করতে পারেননি বলে জানা গেছে। রোববার পুলিশের এসআই মনির পরিচয় দিয়ে (০১৭৯৪৮৮২৯৮৬) নম্বর থেকে বিভিন্ন গণমাধ্যমে জানান, উৎপল মির্জাপুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। টাকা নিয়ে এসে তার উন্নত চিকিৎসার করানোর কথা বলেন। রোববার রাত পৌনে আটটার দিকে ওই নম্বরে যোগাযোগ করা কলে তিনি নিজেকে রিপন পরিচয় দিয়ে ফোনটি বন্ধ করে দেন।

 

জানা গেছে, রোববার বিকেলে উৎপল তার বাবা চিত্তরঞ্জন দাসকে মোবাইলে মির্জাপুরের একটি হাসপতালে তার অবস্থানের কথা জানালে তা তিনি মতিঝিল থানায় জানান বলে মির্জাপুর থানার ওসি এ কে এম মিজানুল হক জানিয়েছেন। তিনি সাংবাদিকদের জানান, উৎপলের বাবা মতিঝিল থানাকে জানিয়েছেন- উৎপল ফোন করে তাদের জানিয়েছে, তিনি মির্জাপুরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। বিষয়টি মতিঝিল থানা পুলিশ মির্জাপুর থানাকে জানালে মির্জাপুর থানা পুলিশ বিভিন্ন হাসপাতালে তল্লাশি চালানো শুরু করেন।

 

সন্ধায় ঢাকার বিভিন্ন গণমাধ্যম থেকে মির্জাপুরের সংবাদকর্মীদের বিষয়টি জানালে সাংবাদিকরা কুমুদিনী হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ সদর এবং আশপাশের কমপক্ষে ১০টি প্রাইভেট ক্লিনিকে খোঁজ নিয়েও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। গত ১০ অক্টোবর রাজধানীর মতিঝিলের অফিস থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন অনলাইন নিউজ পোর্টাল পূর্বপশ্চিমবিডি.নিউজের সিনিয়র রিপোর্টার উৎপল। তিনি ফকিরাপুল এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। তার গ্রামের বাড়ি নরসিংদীর রায়পুরার রাধানগরে।সংবাদিক উৎপলের নিখোঁজের ঘটনায় অনলাইন নিউজ পোর্টালটির পক্ষ থেকে মতিঝিল থানায় জিডি করা হয়েছে। উৎপলের বাবাও একই থানায় আরেকটি জিডি করেন।

 

নিখোঁজের পর থেকে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ ছিল। তবে ২৩ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টা ২২ মিনিটে তার মোবাইল নম্বর থেকে কল আসে বাবা চিত্তরঞ্জনের কাছে। প্রায় ৮ মিনিট কথা বলার পর সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। এতথ্য জানিয়ে উৎপলের বাবা গণমাধ্যমে জানান, হঠাৎ ওই নম্বর থেকে কল করে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালের পরিচালক ডা. দুলাল চন্দ্র পোদ্দার জানান, উৎপল নামে কোন রোগী তাদের হাসপাতালে ভর্তি হননি। মির্জাপুর গোড়াই হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খলিলুর রহমান পাটোয়ারির সঙ্গে কথা হলে বলেন বিষয়টি আমার জানা নেই।

 

মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শাহরিয়ার সাজ্জাদ জানান, উৎপল দাস নামে কোন রোগী তার কমপ্লেক্সে ভর্তি হননি। টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মাহবুব আলম বলেন, রিপন নামে তাদের কোন এসআই নেই। যে পরিচয় দেয়া হয়েছে তা ভূয়া বলে উল্লেখ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন:

সর্বশেষ আপডেট



» মিরপুরের চলন্তিকা বস্তিতে বস্তির আগুনে ৩ হাজার পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত

» কবুতর পালন করে স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা দশম শ্রেণীর ছাত্র রূপঙ্কর চৌধুরী

» সেভ দ্য রোড ও অনলাইন প্রেস ইউনিটির উদ্যেগে বন্যাদূর্গত পরিবারকে ত্রাণ প্রদান

» কলাপাড়া প্রেসক্লাবের ১৭তম দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন

» রাজধানীর মিরপুরের চলন্তিকা বস্তিতে ভয়াবহ আগুন

» বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দশমিনায় শোক দিবস পালিত

» রাজনগরে তারাপাশা উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল

» বাউফলে জাতীয় শোক দিবস পালিত

» যথাযোগ্য মর্যাদায় পবিপ্রবিতে জাতীয় শোক দিবস পালিত

» কলাপাড়ায় জাতীয় শোক দিবস পালিত

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ২রা ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

নিখোঁজ সাংবাদিক উৎপল দাসের সন্ধান পাওয়া যায়নি

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:
Spread the love

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের একটি হাসপাতালে অপহৃত সাংবাদিক উৎপল দাস চিকিৎসাধীন আছেন। এমন খবরের গুজব ছড়িয়ে পড়ায় স্থানীয় সাংবাদিকরা বিভিন্ন হাসপাতালে নিখোঁজ সাংবাদিক উৎপল দাসের সন্ধান করেও তার সন্ধান পায়নি।

 

স্থানীয় সাংবাদিকরা টাঙ্গাইলের মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও সদর এবং আশপাশের কমপক্ষে ১০টি ক্লিনিকে তল্লাশি করেন। এছাড়া থানা পুলিশও সন্ধান চালিয়ে তার কোন অবস্থান নিশ্চিত করতে পারেননি বলে জানা গেছে। রোববার পুলিশের এসআই মনির পরিচয় দিয়ে (০১৭৯৪৮৮২৯৮৬) নম্বর থেকে বিভিন্ন গণমাধ্যমে জানান, উৎপল মির্জাপুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। টাকা নিয়ে এসে তার উন্নত চিকিৎসার করানোর কথা বলেন। রোববার রাত পৌনে আটটার দিকে ওই নম্বরে যোগাযোগ করা কলে তিনি নিজেকে রিপন পরিচয় দিয়ে ফোনটি বন্ধ করে দেন।

 

জানা গেছে, রোববার বিকেলে উৎপল তার বাবা চিত্তরঞ্জন দাসকে মোবাইলে মির্জাপুরের একটি হাসপতালে তার অবস্থানের কথা জানালে তা তিনি মতিঝিল থানায় জানান বলে মির্জাপুর থানার ওসি এ কে এম মিজানুল হক জানিয়েছেন। তিনি সাংবাদিকদের জানান, উৎপলের বাবা মতিঝিল থানাকে জানিয়েছেন- উৎপল ফোন করে তাদের জানিয়েছে, তিনি মির্জাপুরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। বিষয়টি মতিঝিল থানা পুলিশ মির্জাপুর থানাকে জানালে মির্জাপুর থানা পুলিশ বিভিন্ন হাসপাতালে তল্লাশি চালানো শুরু করেন।

 

সন্ধায় ঢাকার বিভিন্ন গণমাধ্যম থেকে মির্জাপুরের সংবাদকর্মীদের বিষয়টি জানালে সাংবাদিকরা কুমুদিনী হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ সদর এবং আশপাশের কমপক্ষে ১০টি প্রাইভেট ক্লিনিকে খোঁজ নিয়েও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। গত ১০ অক্টোবর রাজধানীর মতিঝিলের অফিস থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন অনলাইন নিউজ পোর্টাল পূর্বপশ্চিমবিডি.নিউজের সিনিয়র রিপোর্টার উৎপল। তিনি ফকিরাপুল এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। তার গ্রামের বাড়ি নরসিংদীর রায়পুরার রাধানগরে।সংবাদিক উৎপলের নিখোঁজের ঘটনায় অনলাইন নিউজ পোর্টালটির পক্ষ থেকে মতিঝিল থানায় জিডি করা হয়েছে। উৎপলের বাবাও একই থানায় আরেকটি জিডি করেন।

 

নিখোঁজের পর থেকে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ ছিল। তবে ২৩ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টা ২২ মিনিটে তার মোবাইল নম্বর থেকে কল আসে বাবা চিত্তরঞ্জনের কাছে। প্রায় ৮ মিনিট কথা বলার পর সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। এতথ্য জানিয়ে উৎপলের বাবা গণমাধ্যমে জানান, হঠাৎ ওই নম্বর থেকে কল করে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালের পরিচালক ডা. দুলাল চন্দ্র পোদ্দার জানান, উৎপল নামে কোন রোগী তাদের হাসপাতালে ভর্তি হননি। মির্জাপুর গোড়াই হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খলিলুর রহমান পাটোয়ারির সঙ্গে কথা হলে বলেন বিষয়টি আমার জানা নেই।

 

মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শাহরিয়ার সাজ্জাদ জানান, উৎপল দাস নামে কোন রোগী তার কমপ্লেক্সে ভর্তি হননি। টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মাহবুব আলম বলেন, রিপন নামে তাদের কোন এসআই নেই। যে পরিচয় দেয়া হয়েছে তা ভূয়া বলে উল্লেখ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Click Here

সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us | Sitemap
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited