সোনারগাঁয়ে কৌশলে এগুচ্ছেন এমপি খোকা, বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না কায়সারের

হাবিবুর রহমান, সোনারগাঁ:  একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ) আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য ও জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব লিয়াকত হোসেন খোকা নিজের ছত্রিশ বছরের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে কৌশলে এগিয়ে যাচ্ছেন।

 

অন্যদিকে রাজনৈতিক বিচক্ষনতার অভাবে বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না সাবেক এমপি আব্দুল্লাহ আল কায়সারের। এছাড়া এই আসনে আওয়ামীলীগ ও বিএনপি থেকে কয়েকজন মনোনয়ন প্রত্যাশীর নাম শোনা গেলেও খোকা ও কায়সারকে নিয়েই জনগণের কৌতুহল বেশি বলে দাবি করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

 

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব লিয়াকত হোসেন খোকা সোনারগাঁয়ের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর নিজের ছত্রিশ বছরের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ক্ষমতার সুব্যবহারের মাধ্যমে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য নিজের মাঠ গুছিয়ে নিচ্ছেন। উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিক্ষা ব্যবস্থা, শান্তিময় সমাজ গঠনসহ বিভিন্ন সেক্টরে এমপি লিয়াকত হোসেন খোকা প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখে চলেছেন।

 

বিশেষ করে একজন জাতীয় পার্টির এমপি হয়েও জননেত্রী শেখ হাসিনার আস্থা অর্জনের মাধ্যমে সোনারগাঁয়ের উন্নয়ণের জন্য তিনি যেসব ফান্ড নিয়ে আসছেন তা উপজেলাবাসীর মাঝে তার জনপ্রিয়তাকে দিন দিন বাড়িয়ে দিচ্ছে। এ ব্যাপারে সাধারণ মানুষের ধারণা, সাবেক এমপি আব্দুল্লাহ আল কায়সার যখন এমপি ছিলেন তখনও প্রধানমন্ত্রী ছিলেন জননেত্রী শেখ হাসিনা।

 

কিন্তু এমপি কায়সার তখন জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে সোনারগাঁয়ের উন্নয়ণের জন্য তেমন কিছুই আনতে পারেননি। এটা কায়সারের ব্যর্থতা। অথচ জাতীয় পার্টির এমপি হয়েও লিয়াকত হোসেন খোকা সোনারগাঁয়ের উন্নয়ণের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মাঝে জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা সৃষ্টি করেছেন।

 

যার ফল স্বরুপ উপজেলা আওয়ামীলীগের একটি বড় অংশ এবং পৌরসভার মেয়র, কাউন্সিলর, ইউনিয়ন পরিষদের অধিকাংশ চেয়ারম্যান ও মেম্বারগণ লিয়াকত হোসেন খোকাকে নিজেদের অভিভাবক হিসেবে মেনে নিয়েছেন এবং আগামী সংসদ নির্বাচনেও লিয়াকত হোসেন খোকাকে সমর্থন দেয়ার জন্য তারা জননেত্রী শেখ হাসিনার নিকট দাবি করছেন।

 

অন্যদিকে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার মনোনয়ন বঞ্চিত হওয়ার পর দীর্ঘদিন লোক চক্ষুর আড়ালে চলে যান সাবেক এমপি আব্দুল্লাহ আল কায়সার। পরে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় তিনি সম্প্রতি সোনারগাঁয়ের রাজনীতিতে সরব হওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন। তবে রাজনৈতিক অপরিপক্কতার কারণে বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না আব্দুল্লাহ আল কায়সারের।

 

সারাদেশে আওয়ামী প্রেমিরা আগস্টকে শোকের মাস হিসেবে মেনে চললেও আব্দুল্লাহ আল কায়সার গত ৯ আগস্ট উপজেলার বারদী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় বাদ্যবাজনা নিয়ে গণসংযোগ করে উপজেলা আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসংগঠনসহ বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারবর্গের প্রতি শ্রদ্ধাশীলদের মাঝে ক্ষোভের সূত্রপাত ঘটিয়েছেন।

 

তাছাড়া গত ২১ আগস্ট উপজেলার মোগরাপাড়া চৌরাস্তা এলাকায় মহাসড়কে অনুষ্ঠিত এক সমাবেশে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার দৌহিত্র সজিব ওয়াজেদ জয়ের ছবির উপর পা দিয়ে বসে ছবি তুলতে দেখা গেছে আব্দুল্লাহ আল কায়সারকে। পরে ওই ছবি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে উপজেলা আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসংগঠনসহ বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারবর্গের প্রতি শ্রদ্ধাশীল সাধারণ জনগণের মাঝেও তীব্র ক্ষোভের সূত্রপাত হয়।

 

এ ব্যাপারে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা, রাজনৈতিক বিচক্ষণতার অভাবে আব্দুল্লাহ আল কায়সার এখনো পূর্বের ন্যায় কয়েকজন বিতর্কিতদের পরামর্শে চলেন। অথচ তিনি এমপি থাকাকালে ওই বিতর্কিতরাই তাকে নিজেদের ফায়দা লুটার জন্য কুপথে পরিচালনা করে জনগণের মাঝে তার ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে। যার খেসারত স্বরুপ তাকে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন বঞ্চিত করা হয়।

 

কিন্তু এরপরেও শিক্ষা হয়নি তার। কারণ, আব্দুল্লাহ আল কায়সার রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। তবে রাজনীতি শিখে তিনি এমপি হননি। ২০০৮ সালে সারাদেশে নৌকার গণজোঁয়ার থাকায় তিনি এমপি হয়েছিলেন। কিন্তু তখন তার স্থলে অন্য কেউ নৌকার মনোনয়ন পেলে, তিনিই এমপি হয়ে যেতেন।

সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

সর্বশেষ আপডেট



» দুর্নীতিতে বালিশ পর্দাকে হারিয়েছে মোবাইল চার্জার

» নাইক্ষ্যংছড়ির শান্তিপূর্ন পরিবেশ চলছে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন

» নাইজেরিয়ায় একসঙ্গে ৪০০ জনের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ

» রেকর্ড গড়ে বিয়ে করলে প্রেমিকা

» আবরার হ’ত্যা: আলোচিত অমিত সাহাকে ছাত্রলীগ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার

» পদ্মা সেতুতে বসছে ১৫ তম স্প্যান

» পুলিশ বাহিনীর অবদানের গল্পে মৌসুমী

» ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রাঙ্গাবালীর চরমোন্তাজে ভবন উদ্বোধন করলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী

» ইকুয়েডরকে গোলবন্যায় ভাসাল আর্জেন্টিনা

» তুর্কি হামলায় সিরিয়া থেকে পালাচ্ছে মার্কিন বাহিনী

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ২৯শে আশ্বিন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

সোনারগাঁয়ে কৌশলে এগুচ্ছেন এমপি খোকা, বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না কায়সারের

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

হাবিবুর রহমান, সোনারগাঁ:  একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ) আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য ও জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব লিয়াকত হোসেন খোকা নিজের ছত্রিশ বছরের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে কৌশলে এগিয়ে যাচ্ছেন।

 

অন্যদিকে রাজনৈতিক বিচক্ষনতার অভাবে বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না সাবেক এমপি আব্দুল্লাহ আল কায়সারের। এছাড়া এই আসনে আওয়ামীলীগ ও বিএনপি থেকে কয়েকজন মনোনয়ন প্রত্যাশীর নাম শোনা গেলেও খোকা ও কায়সারকে নিয়েই জনগণের কৌতুহল বেশি বলে দাবি করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

 

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব লিয়াকত হোসেন খোকা সোনারগাঁয়ের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর নিজের ছত্রিশ বছরের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ক্ষমতার সুব্যবহারের মাধ্যমে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য নিজের মাঠ গুছিয়ে নিচ্ছেন। উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিক্ষা ব্যবস্থা, শান্তিময় সমাজ গঠনসহ বিভিন্ন সেক্টরে এমপি লিয়াকত হোসেন খোকা প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখে চলেছেন।

 

বিশেষ করে একজন জাতীয় পার্টির এমপি হয়েও জননেত্রী শেখ হাসিনার আস্থা অর্জনের মাধ্যমে সোনারগাঁয়ের উন্নয়ণের জন্য তিনি যেসব ফান্ড নিয়ে আসছেন তা উপজেলাবাসীর মাঝে তার জনপ্রিয়তাকে দিন দিন বাড়িয়ে দিচ্ছে। এ ব্যাপারে সাধারণ মানুষের ধারণা, সাবেক এমপি আব্দুল্লাহ আল কায়সার যখন এমপি ছিলেন তখনও প্রধানমন্ত্রী ছিলেন জননেত্রী শেখ হাসিনা।

 

কিন্তু এমপি কায়সার তখন জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে সোনারগাঁয়ের উন্নয়ণের জন্য তেমন কিছুই আনতে পারেননি। এটা কায়সারের ব্যর্থতা। অথচ জাতীয় পার্টির এমপি হয়েও লিয়াকত হোসেন খোকা সোনারগাঁয়ের উন্নয়ণের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মাঝে জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা সৃষ্টি করেছেন।

 

যার ফল স্বরুপ উপজেলা আওয়ামীলীগের একটি বড় অংশ এবং পৌরসভার মেয়র, কাউন্সিলর, ইউনিয়ন পরিষদের অধিকাংশ চেয়ারম্যান ও মেম্বারগণ লিয়াকত হোসেন খোকাকে নিজেদের অভিভাবক হিসেবে মেনে নিয়েছেন এবং আগামী সংসদ নির্বাচনেও লিয়াকত হোসেন খোকাকে সমর্থন দেয়ার জন্য তারা জননেত্রী শেখ হাসিনার নিকট দাবি করছেন।

 

অন্যদিকে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার মনোনয়ন বঞ্চিত হওয়ার পর দীর্ঘদিন লোক চক্ষুর আড়ালে চলে যান সাবেক এমপি আব্দুল্লাহ আল কায়সার। পরে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় তিনি সম্প্রতি সোনারগাঁয়ের রাজনীতিতে সরব হওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন। তবে রাজনৈতিক অপরিপক্কতার কারণে বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না আব্দুল্লাহ আল কায়সারের।

 

সারাদেশে আওয়ামী প্রেমিরা আগস্টকে শোকের মাস হিসেবে মেনে চললেও আব্দুল্লাহ আল কায়সার গত ৯ আগস্ট উপজেলার বারদী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় বাদ্যবাজনা নিয়ে গণসংযোগ করে উপজেলা আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসংগঠনসহ বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারবর্গের প্রতি শ্রদ্ধাশীলদের মাঝে ক্ষোভের সূত্রপাত ঘটিয়েছেন।

 

তাছাড়া গত ২১ আগস্ট উপজেলার মোগরাপাড়া চৌরাস্তা এলাকায় মহাসড়কে অনুষ্ঠিত এক সমাবেশে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার দৌহিত্র সজিব ওয়াজেদ জয়ের ছবির উপর পা দিয়ে বসে ছবি তুলতে দেখা গেছে আব্দুল্লাহ আল কায়সারকে। পরে ওই ছবি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে উপজেলা আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসংগঠনসহ বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারবর্গের প্রতি শ্রদ্ধাশীল সাধারণ জনগণের মাঝেও তীব্র ক্ষোভের সূত্রপাত হয়।

 

এ ব্যাপারে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা, রাজনৈতিক বিচক্ষণতার অভাবে আব্দুল্লাহ আল কায়সার এখনো পূর্বের ন্যায় কয়েকজন বিতর্কিতদের পরামর্শে চলেন। অথচ তিনি এমপি থাকাকালে ওই বিতর্কিতরাই তাকে নিজেদের ফায়দা লুটার জন্য কুপথে পরিচালনা করে জনগণের মাঝে তার ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে। যার খেসারত স্বরুপ তাকে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন বঞ্চিত করা হয়।

 

কিন্তু এরপরেও শিক্ষা হয়নি তার। কারণ, আব্দুল্লাহ আল কায়সার রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। তবে রাজনীতি শিখে তিনি এমপি হননি। ২০০৮ সালে সারাদেশে নৌকার গণজোঁয়ার থাকায় তিনি এমপি হয়েছিলেন। কিন্তু তখন তার স্থলে অন্য কেউ নৌকার মনোনয়ন পেলে, তিনিই এমপি হয়ে যেতেন।

সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Click Here

সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us | Sitemap
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited