নিহত ‘জঙ্গি’ শিবির কর্মী, ১৫ আগস্ট শোক দিবসের আয়োজনে নাশকতার পরিকল্পনা করেছিল-পুলিশ প্রধান

মোঃ মাসুদ হাসান মোল্লা রিদম, ঢাকা:  পান্থপথের স্কয়ার হাসপাতালের কাছে ওলিও ইন্টারন্যাশনাল নামের আবাসিক হোটেলে বিস্ফোরণে নিহত সন্দেহভাজন ‘জঙ্গি’র নাম ও পরিচয় জানিয়েছে পুলিশ। বাহিনীটির প্রধান এ কে এম শহীদুল হক জানিয়েছেন, নিহত ব্যক্তির নাম সাইফুল ইসলাম।

 

তার বাড়ি খুলনার ডুমুরিয়া। তিন ছাত্র জীবনে জামায়াতের ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবিরের কর্মী ছিলেন। তিনি ১৫ আগস্ট শোক দিবসের আয়োজনে নাশকতার পরিকল্পনা করেছিলেন। পুলিশ প্রধান জানান, এই ‘জঙ্গি’র তার নাম সাইফুল ইসলাম। তার বাড়ি খুলনার ডুমুরিয়া থানায়। তার বাবা একটি মসজিদের ইমাম। সে মাদ্রাসার ছাত্র ছিল। পরে খুলনার বিএল কলেজের ছাত্র ছিল। ছাত্র জীবনে সে ছাত্র শিবির করত।

 

জঙ্গি সাইফুলের সম্পর্কে জানতে চাইলে ডুমুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাবিল হোসেন  বলেন, ‘পান্থপথের হোটেল ওলিতে নিহত ‘জঙ্গি’ সাইফুল ইসলাম খুলনার বিএল কলেজের ছাত্র ছিল। ছাত্র জীবনে সে ছাত্র শিবির করত। তার বাবা নোয়াকাঠি মাটির হাট জামে মসজিদের ইমাম, তিনি স্থানীয় ইউনিয়নের জামায়াতের কোষাধ্যক্ষ। তার দুই মেয়ে আর এক মাত্র ছেলে সাইফুল।

 

হাবিল হোসেন বলেন, ‘সাইফুল গত সপ্তাহে বাড়ি থেকে কাজের উদ্দেশ্যে বের হয়ে যায় বলে জানা যায়। মাঝে মাঝে তার পরিবারের সঙ্গে সে যোগাযোগ করত। সাইফুল খুলনায় নেভি কলোনির একটি মেসে থাকত, তার বিরুদ্ধে আমাদের থানায় কোন মামলা নেই। তাছাড়া সে খুলনা থেকে ডুমুরিয়ায় খুব কম আসত। আমার জানামতে তার বাবার বিরুদ্ধেও কোন মামলা নেই।’

 

মঙ্গলবার জাতীয় শোক দিবসের নানা আয়োজনের ভিড়ে পান্থপথের হোটেল ওলিওকে ঘিরে পুলিশের এই অভিযান বড় খবর হয়ে দাঁড়ায়। ভোর থেকেই হোটেলটি ঘেরাও করে রাখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সকালে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান জানান, পান্থপথের একটি ভবনে জঙ্গিরা অবস্থান করছে বলে শুনেছি। পুলিশ, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও সোয়াট টিম ভবনটি ঘিরে রেখেছে। ভবনটিতে নাশকতার সরঞ্জমাদি থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

 

আইজিপি জানান, সাইফুলকে অনুসরণ করে পান্থপথে ওলিও নামে ‘সাধারণ’ একটি হোটেলে অবস্থানের কথা জানতে পারে পুলিশ। পুলিশ তখন সেটি ঘেরাও করে তাকে বের হয়ে আসতে বলে। ‘আমরা তল্লাশি করে যখন ঘেরাও করলাম, তখন যে রেসপন্স পেলাম, তাতে বুঝলাম যে জঙ্গি।তাকে আমরা আটকে রাখলাম এবং তাকে সারেন্ডার করার জন্য বিভিন্নভাবে আমরা তাকে বলেছি। কিন্তু সে সারেন্ডার করে নাই, বাধ্য হয়ে পুলিশ অপারেশনে গেছে। পুলিশ যখন অপারেশন শুরু করেছে তখন সে একটি বোম, এক্সপ্লোসিভ ব্লাস্ট করে দরজা ভেঙে ফেলেছে। যখন আরেকটি বোমা ব্লাস্ট করতে যাবে, তখন পুলিশ গুলি করেছে।

 

পুলিশ প্রধান বলেন, ‘নিহত জঙ্গির সাথে দুই দুইটা ভেস্ট (আত্মঘাতী বিস্ফোরক বাঁধা) ছিল, আইডি ছিল। সেগুলো দিয়ে সে নিজেই আত্মাহুতি দিয়েছে। সাইফুল যে কক্ষে ছিল, বিস্ফোরণে তার সব উড়ে গেছে জানিয়ে আইজিপি বলেন, ‘সাইড ওয়ালও উড়ে গেছে। তার মানে বোঝা যাচ্ছে এটা শক্তিশালী বিস্ফোরক বা আইডি। সাইফুল শোক দিবসের আয়োজনে নাশকরার চেষ্টায় ছিল জানিয়ে শহীদুল হক বলেন, ‘এটা যদি সে ব্লাস্ট করত কোনো জনসমাবেশে তাহলে বড় ধরনের ক্ষতি হতো। আল্লাহর রহমতে আমাদের গোয়েন্দাদের চৌকস তৎপরতার কারণে এই বিপদ থেকে আল্লাহ আমাদের রক্ষা করেছে।

 

এক প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, ‘জামায়াত শিবির না হলে জাতির জনকের হত্যার শোক দিবসে আরেকটি ঘটনা ঘটাবে-এটা ঘটাতে পারত না। জামায়াত-শিবিরসহ যারা এই হত্যা ঘটিয়েছিল তারা সবাই মিলে ষড়যন্ত্র করে আবার একটি ঘটনা ঘটানোর পরিকল্পনা করেছিল। আমরা আমাদের পুলিশ সে জঙ্গি হামলার চেষ্টা নস্যাৎ করে দিয়েছি।

 

অন্য এক প্রশ্নের জবাবে পুলিশ প্রধান বলেন, ‘আগস্ট মাস আসলেই আমরা সতর্ক হই। অনেক ঘটনা ঘটেছে এই মাসে। আগস্ট মাসে জাতির জনককে হত্যা করা হয়েছে। ২১ আগস্টের ঘটনা ঘটেছে, ১৭ আগস্ট দেশব্যাপী বোমা হামলা চালান হয়েছে।আগস্ট আসলে আমরা আইনশৃঙ্খলাবাহিনী খুব সতর্ক হয়ে দায়িত্ব পালন করি। এই বিষয়টা মাথায় রেখেই আমরা নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করি। ঢাকায় শহরেও আমরা গোয়েন্দা নজরদারি বাড়িয়েছিলাম। তার ফলশ্রুতিতেই এই আস্তানাটা আমরা খুঁজে পাই।’

সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

সর্বশেষ আপডেট



» সোফায় ঝড় তুললেন ঝুমা বৌদি, ভা’ইরাল ছবি

» টাঙ্গাইলে ঘরে ঢুকে অন্তঃসত্ত্বা মা-মেয়েকে গলাকেটে হ’ত্যা

» অবশেষে নির্বাহী কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ: ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহার

» ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৫০হাজার টাকা চুক্তিতে এসে ৮ ভুয়া সাংবাদিক ধরা

» মেক্সিকোতে সাড়ে ৫ হাজার লোকের ইসলাম গ্রহণ

» আবরার হ’ত্যা: কারাগারে পিটুনির শিকার অনিক

» গাজীপুরে আবাসিক হোটেলে ১৮ নারী-পুরুষ আপত্তিকর অবস্থায় আটক

» বুয়েটে ছাত্র রাজনীতি বন্ধ হওয়ায় কিছু ছাত্র সংগঠন ক্ষুব্ধ

» বুয়েট ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের কক্ষ সিলগালা

» আফ্রিকায় মসজিদে ভয়াবহ হামলায় ১৬ জনের মৃত্যু

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ২৯শে আশ্বিন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

নিহত ‘জঙ্গি’ শিবির কর্মী, ১৫ আগস্ট শোক দিবসের আয়োজনে নাশকতার পরিকল্পনা করেছিল-পুলিশ প্রধান

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

মোঃ মাসুদ হাসান মোল্লা রিদম, ঢাকা:  পান্থপথের স্কয়ার হাসপাতালের কাছে ওলিও ইন্টারন্যাশনাল নামের আবাসিক হোটেলে বিস্ফোরণে নিহত সন্দেহভাজন ‘জঙ্গি’র নাম ও পরিচয় জানিয়েছে পুলিশ। বাহিনীটির প্রধান এ কে এম শহীদুল হক জানিয়েছেন, নিহত ব্যক্তির নাম সাইফুল ইসলাম।

 

তার বাড়ি খুলনার ডুমুরিয়া। তিন ছাত্র জীবনে জামায়াতের ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবিরের কর্মী ছিলেন। তিনি ১৫ আগস্ট শোক দিবসের আয়োজনে নাশকতার পরিকল্পনা করেছিলেন। পুলিশ প্রধান জানান, এই ‘জঙ্গি’র তার নাম সাইফুল ইসলাম। তার বাড়ি খুলনার ডুমুরিয়া থানায়। তার বাবা একটি মসজিদের ইমাম। সে মাদ্রাসার ছাত্র ছিল। পরে খুলনার বিএল কলেজের ছাত্র ছিল। ছাত্র জীবনে সে ছাত্র শিবির করত।

 

জঙ্গি সাইফুলের সম্পর্কে জানতে চাইলে ডুমুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাবিল হোসেন  বলেন, ‘পান্থপথের হোটেল ওলিতে নিহত ‘জঙ্গি’ সাইফুল ইসলাম খুলনার বিএল কলেজের ছাত্র ছিল। ছাত্র জীবনে সে ছাত্র শিবির করত। তার বাবা নোয়াকাঠি মাটির হাট জামে মসজিদের ইমাম, তিনি স্থানীয় ইউনিয়নের জামায়াতের কোষাধ্যক্ষ। তার দুই মেয়ে আর এক মাত্র ছেলে সাইফুল।

 

হাবিল হোসেন বলেন, ‘সাইফুল গত সপ্তাহে বাড়ি থেকে কাজের উদ্দেশ্যে বের হয়ে যায় বলে জানা যায়। মাঝে মাঝে তার পরিবারের সঙ্গে সে যোগাযোগ করত। সাইফুল খুলনায় নেভি কলোনির একটি মেসে থাকত, তার বিরুদ্ধে আমাদের থানায় কোন মামলা নেই। তাছাড়া সে খুলনা থেকে ডুমুরিয়ায় খুব কম আসত। আমার জানামতে তার বাবার বিরুদ্ধেও কোন মামলা নেই।’

 

মঙ্গলবার জাতীয় শোক দিবসের নানা আয়োজনের ভিড়ে পান্থপথের হোটেল ওলিওকে ঘিরে পুলিশের এই অভিযান বড় খবর হয়ে দাঁড়ায়। ভোর থেকেই হোটেলটি ঘেরাও করে রাখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সকালে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান জানান, পান্থপথের একটি ভবনে জঙ্গিরা অবস্থান করছে বলে শুনেছি। পুলিশ, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও সোয়াট টিম ভবনটি ঘিরে রেখেছে। ভবনটিতে নাশকতার সরঞ্জমাদি থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

 

আইজিপি জানান, সাইফুলকে অনুসরণ করে পান্থপথে ওলিও নামে ‘সাধারণ’ একটি হোটেলে অবস্থানের কথা জানতে পারে পুলিশ। পুলিশ তখন সেটি ঘেরাও করে তাকে বের হয়ে আসতে বলে। ‘আমরা তল্লাশি করে যখন ঘেরাও করলাম, তখন যে রেসপন্স পেলাম, তাতে বুঝলাম যে জঙ্গি।তাকে আমরা আটকে রাখলাম এবং তাকে সারেন্ডার করার জন্য বিভিন্নভাবে আমরা তাকে বলেছি। কিন্তু সে সারেন্ডার করে নাই, বাধ্য হয়ে পুলিশ অপারেশনে গেছে। পুলিশ যখন অপারেশন শুরু করেছে তখন সে একটি বোম, এক্সপ্লোসিভ ব্লাস্ট করে দরজা ভেঙে ফেলেছে। যখন আরেকটি বোমা ব্লাস্ট করতে যাবে, তখন পুলিশ গুলি করেছে।

 

পুলিশ প্রধান বলেন, ‘নিহত জঙ্গির সাথে দুই দুইটা ভেস্ট (আত্মঘাতী বিস্ফোরক বাঁধা) ছিল, আইডি ছিল। সেগুলো দিয়ে সে নিজেই আত্মাহুতি দিয়েছে। সাইফুল যে কক্ষে ছিল, বিস্ফোরণে তার সব উড়ে গেছে জানিয়ে আইজিপি বলেন, ‘সাইড ওয়ালও উড়ে গেছে। তার মানে বোঝা যাচ্ছে এটা শক্তিশালী বিস্ফোরক বা আইডি। সাইফুল শোক দিবসের আয়োজনে নাশকরার চেষ্টায় ছিল জানিয়ে শহীদুল হক বলেন, ‘এটা যদি সে ব্লাস্ট করত কোনো জনসমাবেশে তাহলে বড় ধরনের ক্ষতি হতো। আল্লাহর রহমতে আমাদের গোয়েন্দাদের চৌকস তৎপরতার কারণে এই বিপদ থেকে আল্লাহ আমাদের রক্ষা করেছে।

 

এক প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, ‘জামায়াত শিবির না হলে জাতির জনকের হত্যার শোক দিবসে আরেকটি ঘটনা ঘটাবে-এটা ঘটাতে পারত না। জামায়াত-শিবিরসহ যারা এই হত্যা ঘটিয়েছিল তারা সবাই মিলে ষড়যন্ত্র করে আবার একটি ঘটনা ঘটানোর পরিকল্পনা করেছিল। আমরা আমাদের পুলিশ সে জঙ্গি হামলার চেষ্টা নস্যাৎ করে দিয়েছি।

 

অন্য এক প্রশ্নের জবাবে পুলিশ প্রধান বলেন, ‘আগস্ট মাস আসলেই আমরা সতর্ক হই। অনেক ঘটনা ঘটেছে এই মাসে। আগস্ট মাসে জাতির জনককে হত্যা করা হয়েছে। ২১ আগস্টের ঘটনা ঘটেছে, ১৭ আগস্ট দেশব্যাপী বোমা হামলা চালান হয়েছে।আগস্ট আসলে আমরা আইনশৃঙ্খলাবাহিনী খুব সতর্ক হয়ে দায়িত্ব পালন করি। এই বিষয়টা মাথায় রেখেই আমরা নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করি। ঢাকায় শহরেও আমরা গোয়েন্দা নজরদারি বাড়িয়েছিলাম। তার ফলশ্রুতিতেই এই আস্তানাটা আমরা খুঁজে পাই।’

সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Click Here

সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us | Sitemap
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited