রাঙ্গাবালীতে দুই শতাধিক মানুষ জীবন কাটাচ্ছে সাগর পাড়ে!

Spread the love

সঞ্জিব দাস,গলাচিপা: পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চর কাশেম দ্বীপে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে দুই শতাধিক হতদরিদ্র মানুষ। বন বিভাগের সিমানার বাইরে জঙ্গলের কুল ঘেষে ঝুপরি বাসা তৈরী করে বসবাস করছে তারা। সহায় সম্বলহীন এই হতদরিদ্ররা এক টুকরা খাস জমি বন্দোবস্ত পাওয়ার বুক ভরা আশা নিয়ে বাসা বেঁধেছিল গিয়ে ওই দ্বীপে।

 

কিন্তু তাদের ভাগ্যে জোটেনি খাস জমি। অন্য কোন উপায় না থাকায় আজও ওখানে পড়ে আছে তারা। মাছ আর কাকরা ধরা জীবন! কোন প্রকার সাহায্য সহযোগিতা পাচ্ছেনা বলে জানিয়েছে ওখানে বসবাস করা হতদরদ্রি মানুষেরা। সরেজমিন ঘুরে দেখাগেছে, রাঙ্গাবালী উপজেলা সদর থেকে মাত্র ১০ কিঃ মিঃ দূরে দক্ষিণ পূর্বে চর কাশেম দ্বীপ। তিন দিকে বুড়া গৌরাঙ্গ নদের মোহনা, দক্ষিণে বঙ্গোপ সাগর। পুরো দ্বীপটি বন বিভাগের আওতায় থাকলেও দক্ষিণ প্রান্তে মাত্র ৩০০ একরের মত খাস জমি। ওই জমি বন্দোবস্ত পাওয়ার আশায় হত দরিদ্ররা বাসা বেঁধেছিল গিয়ে চরকাশেম দ্বীপে। কিন্তু ওদের ভাগ্যে জোটেনি খাস জমি। ভূমি অফিসের সাথে যোগসাযস করে ধণাঢ্য ব্যক্তিরা স্বনামে-বেনামে জমিগুলো বন্দোবস্ত নিয়ে গেছে। ধনাঢ্যদের কোন বাড়ি ঘর নেই ওখানে।

 

বর্ষা মৌসুমে বর্গা চাষীদের মাধ্যমে ওরা চাষাবাদ করে, আর ধানের মৌসুমে ধান কেটে নিয়ে যায় প্রভাব শালীরা। হতদরিদ্র মানুষগুলোর ভাগ্যে খর কুটাও জোটেনা। ৩৫ বছরেরও অধিক কাল ধরে জঙ্গলের কুল ঘেষে গোল পাতা ও খর কুটা দিয়ে ঝুপরি বাসা তৈরী করে বাস করছে মানুষগুলো। ঝর তুফান তাদের নিত্য দিনের সঙ্গী। বেঁচে থাকার নেই কোন নিশ্চয়তা। সাইক্লোন সেল্টার একান্ত প্রয়োজন থাকলেও এ দাবী করার মতো কেউ নেই ওখানে। মাছ আর কাকরা ধরা যাদের জীবন – কে শোনবে তাদের কথা! স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে পানি একটু বেশী হলেই ঘরের মেঝে ডুবে যায় পানিতে। ঘুর্ণিঝর ও সামুদ্রিক জলোচ্ছাস হলেতো কথাই নেই। সাইক্লোন সেল্টার হয় বন বিভাগের কেওরা গাছ। যেমনটা ঘটেছিল ঘূর্ণিঝর সিডর ও আইলায়। কেওরা গাছে উঠেই ছেলে মেয়ে নিয়ে জীবন রক্ষা করতে পেরেছিল তারা।

 

এ ব্যপারে গৃহিনী মনোয়ারা বেগম বলেন, সরকারতো আমাগোরে সেন্টার দেবেনা, তয় সব জাগার মতো আশ্রয় কেন্দ্র কইররা দেলে পোলা মাইয়া লইয়া থাকতে পারতাম। যেহানে আশ্রয় কেন্দ্র লাগেনা, হেহানে দিয়া থুইছে। আর আমাগোরে চোহে দ্যাহেনা। পুরুষ মহিলা ও শিশুরা মিলে নদী নালা ঝোরা খালে মাছ আর কাকরা ধরে বিক্রি করে পেটের আহার যোগায় ওরা। শিক্ষার ছোঁয়া পায়নি ওরা। বিদ্যালয়ের সাথে যোগাযোগ রক্ষায় পার হতে হয় এক কিলোমিটারেরও বেশী চওরা নদী। বাহন একটি মাত্র খেয়া নৌকা। সাগরের উত্তাল ঢেউয়ের মাঝে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পার হতে হয় খেয়া। আর ওই খেয়া পার হয়ে শিশুদের পক্ষে বিদ্যালয়ে যাওয়ার প্রশ্নই আসেনা। এ প্রসঙ্গে এক গৃহিনী ক্ষোভের সাথে এ ভাবেই বললেন, আমাগো পোলা মাইয়া এ্যাহোন (এখন) পরামু না। বড় অইলে কলেজে নিয়া ভর্তি কইররা দিমু। চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত তারা। প্রকৃতির সাথে যুদ্ব করে বেঁচে থাকে ওরা। রাঙ্গাবালী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সাথে যোগাযোগের নেই কোন বাহন।

 

নদী পার হয়ে মুমূর্ষু রোগীকে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে পৌঁছানো যে কী কষ্ট সাধ্য ব্যপার তা ওই ভুক্তভোগীরাই জানে। অসুস্থ শিশু কোলে নিয়ে স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে আসা গৃহিনী শাহিদা বেগম বললেন, আমাগো পোলা মাইয়ার অসুখ অইলে যে কী কষ্ট! ওপার লইয়া যাইতে অয় ডাক্তারের ধারে। সরকারি বে সরকারি সাহায্য সহযোগিতা থেকেও বঞ্চিত বলে জানিয়েছে ওরা। হত দরিদ্র হলেও ধর্মভীরু ওই মানুষগুলো। ওরা সবাই মুসলমান। কেওরা গাছের ডাল আর পুরাতন ভাঙ্গাচুরা নৌকার তক্তায় পাটাতন ও বেরা দিয়ে ছোট্ট একটি মসজিদ তৈরী করেছে ওরা। জন দশেক মানুষ নামাজ পড়তে পারে। অজু করতে হয় সাগরের লোনা পানিতে। প্রায় ২০ বছর আগে একটা টিউবয়েল কে বা কারা দিয়েছিল, তা তাদের মনে নেই। বর্তমানে তাও নষ্ট হয়ে পড়ে আছে বলে জানিয়েছেন ওরা।

 

মসজিদেরই একজন নামাজী বললেন, আমাগো দিকে একটু লক্ষ্য রাইখেন। দেইখ্যেন যদি কিছু করতে পারেন। অন্য কোন উপায় না থাকায় সবার সাহায্য সহযোগিতা নিয়ে ওখানেই টিকে থাকতে চায় অন্তত ৪০ পরিবারের দুই শতাধিক মানুষ। রাঙ্গাবালী উপজেলার এই হতদরিদ্র ২০০ মানুষের জন্য সরকারের সু-দৃষ্টি কামনা করছি।

নিউজটি শেয়ার করুন:

সর্বশেষ আপডেট



» রোহিঙ্গাদের কারণে বনাঞ্চলের ক্ষতি হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

» নুসরাত হত্যা: ১৬ আসামিকে আদালতে হাজির

» নিখোঁজের ১১ দিন পর ময়মনসিংহ থেকে সোহেল তাজের ভাগ্নে উদ্ধার

» বান্দরবানে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সাংবাদিক ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত

» ভারতের বিহার প্রদেশে খালি পেটে লিচু খাওয়ার পর ১০৩ শিশুর মৃত্যু

» বড়লেখায় ভোক্তা অধিকার আইনে ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

» শনিবার ৪ লাখ শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন এ প্লাস

» আগৈলঝাড়ায় ১১শ’ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

» বিশালতা : মোঃ জুমান হোসেন

» ধলাই নদীর বাঁধ ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে যাচ্ছে বসত-ভিটাসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন





ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ৬ই আষাঢ় ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

রাঙ্গাবালীতে দুই শতাধিক মানুষ জীবন কাটাচ্ছে সাগর পাড়ে!

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:
Spread the love

সঞ্জিব দাস,গলাচিপা: পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চর কাশেম দ্বীপে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে দুই শতাধিক হতদরিদ্র মানুষ। বন বিভাগের সিমানার বাইরে জঙ্গলের কুল ঘেষে ঝুপরি বাসা তৈরী করে বসবাস করছে তারা। সহায় সম্বলহীন এই হতদরিদ্ররা এক টুকরা খাস জমি বন্দোবস্ত পাওয়ার বুক ভরা আশা নিয়ে বাসা বেঁধেছিল গিয়ে ওই দ্বীপে।

 

কিন্তু তাদের ভাগ্যে জোটেনি খাস জমি। অন্য কোন উপায় না থাকায় আজও ওখানে পড়ে আছে তারা। মাছ আর কাকরা ধরা জীবন! কোন প্রকার সাহায্য সহযোগিতা পাচ্ছেনা বলে জানিয়েছে ওখানে বসবাস করা হতদরদ্রি মানুষেরা। সরেজমিন ঘুরে দেখাগেছে, রাঙ্গাবালী উপজেলা সদর থেকে মাত্র ১০ কিঃ মিঃ দূরে দক্ষিণ পূর্বে চর কাশেম দ্বীপ। তিন দিকে বুড়া গৌরাঙ্গ নদের মোহনা, দক্ষিণে বঙ্গোপ সাগর। পুরো দ্বীপটি বন বিভাগের আওতায় থাকলেও দক্ষিণ প্রান্তে মাত্র ৩০০ একরের মত খাস জমি। ওই জমি বন্দোবস্ত পাওয়ার আশায় হত দরিদ্ররা বাসা বেঁধেছিল গিয়ে চরকাশেম দ্বীপে। কিন্তু ওদের ভাগ্যে জোটেনি খাস জমি। ভূমি অফিসের সাথে যোগসাযস করে ধণাঢ্য ব্যক্তিরা স্বনামে-বেনামে জমিগুলো বন্দোবস্ত নিয়ে গেছে। ধনাঢ্যদের কোন বাড়ি ঘর নেই ওখানে।

 

বর্ষা মৌসুমে বর্গা চাষীদের মাধ্যমে ওরা চাষাবাদ করে, আর ধানের মৌসুমে ধান কেটে নিয়ে যায় প্রভাব শালীরা। হতদরিদ্র মানুষগুলোর ভাগ্যে খর কুটাও জোটেনা। ৩৫ বছরেরও অধিক কাল ধরে জঙ্গলের কুল ঘেষে গোল পাতা ও খর কুটা দিয়ে ঝুপরি বাসা তৈরী করে বাস করছে মানুষগুলো। ঝর তুফান তাদের নিত্য দিনের সঙ্গী। বেঁচে থাকার নেই কোন নিশ্চয়তা। সাইক্লোন সেল্টার একান্ত প্রয়োজন থাকলেও এ দাবী করার মতো কেউ নেই ওখানে। মাছ আর কাকরা ধরা যাদের জীবন – কে শোনবে তাদের কথা! স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে পানি একটু বেশী হলেই ঘরের মেঝে ডুবে যায় পানিতে। ঘুর্ণিঝর ও সামুদ্রিক জলোচ্ছাস হলেতো কথাই নেই। সাইক্লোন সেল্টার হয় বন বিভাগের কেওরা গাছ। যেমনটা ঘটেছিল ঘূর্ণিঝর সিডর ও আইলায়। কেওরা গাছে উঠেই ছেলে মেয়ে নিয়ে জীবন রক্ষা করতে পেরেছিল তারা।

 

এ ব্যপারে গৃহিনী মনোয়ারা বেগম বলেন, সরকারতো আমাগোরে সেন্টার দেবেনা, তয় সব জাগার মতো আশ্রয় কেন্দ্র কইররা দেলে পোলা মাইয়া লইয়া থাকতে পারতাম। যেহানে আশ্রয় কেন্দ্র লাগেনা, হেহানে দিয়া থুইছে। আর আমাগোরে চোহে দ্যাহেনা। পুরুষ মহিলা ও শিশুরা মিলে নদী নালা ঝোরা খালে মাছ আর কাকরা ধরে বিক্রি করে পেটের আহার যোগায় ওরা। শিক্ষার ছোঁয়া পায়নি ওরা। বিদ্যালয়ের সাথে যোগাযোগ রক্ষায় পার হতে হয় এক কিলোমিটারেরও বেশী চওরা নদী। বাহন একটি মাত্র খেয়া নৌকা। সাগরের উত্তাল ঢেউয়ের মাঝে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পার হতে হয় খেয়া। আর ওই খেয়া পার হয়ে শিশুদের পক্ষে বিদ্যালয়ে যাওয়ার প্রশ্নই আসেনা। এ প্রসঙ্গে এক গৃহিনী ক্ষোভের সাথে এ ভাবেই বললেন, আমাগো পোলা মাইয়া এ্যাহোন (এখন) পরামু না। বড় অইলে কলেজে নিয়া ভর্তি কইররা দিমু। চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত তারা। প্রকৃতির সাথে যুদ্ব করে বেঁচে থাকে ওরা। রাঙ্গাবালী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সাথে যোগাযোগের নেই কোন বাহন।

 

নদী পার হয়ে মুমূর্ষু রোগীকে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে পৌঁছানো যে কী কষ্ট সাধ্য ব্যপার তা ওই ভুক্তভোগীরাই জানে। অসুস্থ শিশু কোলে নিয়ে স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে আসা গৃহিনী শাহিদা বেগম বললেন, আমাগো পোলা মাইয়ার অসুখ অইলে যে কী কষ্ট! ওপার লইয়া যাইতে অয় ডাক্তারের ধারে। সরকারি বে সরকারি সাহায্য সহযোগিতা থেকেও বঞ্চিত বলে জানিয়েছে ওরা। হত দরিদ্র হলেও ধর্মভীরু ওই মানুষগুলো। ওরা সবাই মুসলমান। কেওরা গাছের ডাল আর পুরাতন ভাঙ্গাচুরা নৌকার তক্তায় পাটাতন ও বেরা দিয়ে ছোট্ট একটি মসজিদ তৈরী করেছে ওরা। জন দশেক মানুষ নামাজ পড়তে পারে। অজু করতে হয় সাগরের লোনা পানিতে। প্রায় ২০ বছর আগে একটা টিউবয়েল কে বা কারা দিয়েছিল, তা তাদের মনে নেই। বর্তমানে তাও নষ্ট হয়ে পড়ে আছে বলে জানিয়েছেন ওরা।

 

মসজিদেরই একজন নামাজী বললেন, আমাগো দিকে একটু লক্ষ্য রাইখেন। দেইখ্যেন যদি কিছু করতে পারেন। অন্য কোন উপায় না থাকায় সবার সাহায্য সহযোগিতা নিয়ে ওখানেই টিকে থাকতে চায় অন্তত ৪০ পরিবারের দুই শতাধিক মানুষ। রাঙ্গাবালী উপজেলার এই হতদরিদ্র ২০০ মানুষের জন্য সরকারের সু-দৃষ্টি কামনা করছি।

নিউজটি শেয়ার করুন:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Click Here



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us | Sitemap
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited