অন্ধকারেই রয়ে গেল “আদুরির” ভবিষ্যৎ

Spread the love

ঢাকায় গৃহকত্রীর হাতে দেশ কাপানো আলোচিত অমানষিক ও বর্বর নির্যাতনের স্বীকার, অর্ধমৃত রুপে ডাষ্টবিনে কুড়িয়ে পাওয়া কাজের মেয়ে আদুরীর দিন কাটছে এখন অতিকষ্টে। অর্থাভাবে তার পড়ালেখা চালানোতো দূরের কথা, চিকিৎসা চলছে ধুঁকে ধুঁকে। পটুয়াখালীর প্রত্যন্ত পল্লীর নিজ বাড়ীতে আদুরীর দিন কাটছে শুধু অর্ধাহার আর অনাহারে হাহাকারের মধ্য দিয়ে। সেই আদুরীর পাশে আজ কেউ নেই জেনে তার পরিবারে চলছে বিলাপের আহাজারি।

 

বয়স বারোর কোঠা অতিক্রম না করলেও নির্যাতনের সেই লোমহর্ষক ঘটনা গুছিয়ে বলতে একটু বেগ পেতে হয়নি “আদুরির”। শেষ বিকেলে বাড়ীর পাশ্ববর্তী একটি ধান ক্ষেতে অন্য শিশুদের সাথে খেলা করছিল আদুরি। গৃহকর্তী নদীর অমানবিক নির্যাতনের সেই শতাধিক ক্ষত চিহ্ন এখনও আদুরির শরীরে দৃশ্যমান। যা দেখলে এখনও কোনো সুস্থ মানুষ ভয়ে ভীত হবেন।

 

অসুস্থ্য আদুরির চিকিৎসা, বাড়ি পৌছানো, মাথা গোঁজার জন্য একটু জমি আর সুষ্ঠু জীবন ধারনের জন্য বাংলাদেশ পুলিশের চেষ্টা ছিল অভাবনীয়। তার ধারাবাহিকতায় আয়ের পথ হিসেবে পাঁচটি রিক্সা, একটু জমি দিয়েছিল পটুয়াখালীর সাবেক পুলিশ সুপার রফিকুল হাসান গনি। কিন্তু সেই সুখের হাওয়া ম্লান হয় দারিদ্রতার কষাঘাত আর সময়ের পরিবর্তনে। থাকার জন্য একটি পাকা ঘর, ভালো স্কুলে পড়াশোনা করাবে, এমন প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিল পুলিশ। কিন্তু ওই পুলিশ সুপার অন্যত্র বদলি হলে চাপা পড়ে সেইসব প্রতিশ্রুতি। এখন আর কেউ খোঁজ রাখেনা আদুরির। পুলিশের দেওয়া রিক্সাগুলো নতুন প্রযুক্তির কাছে এখন শুধুই বোঝা। এক পর্যায় ভাঙ্গারি ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করে আদুরির চিকিৎসা খরচ চালানো হয়। তবে পাচটির দুটি এখন পরিত্যক্ত অবস্থায় বাড়িতে রয়েছে।

 

এদিকে, অ্যাকাডেমিক শিক্ষা তো দুরের কথা। আদুরির জীবন নিয়ে শংকিত হয়ে পড়েছে তার পরিবার। নির্যাতনের ১৫ মাস অতিক্রম হলেও এখনও শরীরের একাধিক ক্ষত চিহ্ন দিয়ে পিড়ার সৃষ্টি হচ্ছে। রাত-বিরাত ওই ক্ষত চিহ্নতে সৃষ্ট পিড়া আদুরির সুষ্ঠু জীবনকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে। প্রায়শই রক্তপাত হচ্ছে আদুরির মাথা থেকে। মাঝরাতে যন্ত্রনায় এখনও আঁতকে ওঠে আদুরি ও পরিবারের সদস্যরা। আদুরির শরীরের একাধিক স্থানের ক্ষত চিহ্নগুলো ক্রমশই দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে। যে কারণে আদুরির ভবিষ্যৎ নিয়ে আশঙ্কা পরিবারের। এমনকি শরীরের ক্ষত চিহ্নগুলো দেখে গ্রাম্য শিশুরা আদুরির সাথে মিলতে ভয় পাচ্ছে বলে জানান তার মা।

 

আদুরির মা সাফিয়া জানান, “আদুরির শারীরিক অবস্থা খুবই ঝুঁকিপূর্ন। ক্ষত স্থানগুলোতে যন্ত্রণা করছে। প্রতিরাতে ব্যাথায় আদুরি ডাকচিৎকার করছে। এখন প্রয়োজন সুচিকিৎসা। আদালতে মামলা চলৎ রয়েছে। নির্যাতনকারী গৃহকর্ত্রী নদী জেল হাজতে রয়েছে। কিন্তু বিবাদি পক্ষ নানাভাবে হুমকি দিচ্ছে মামলা উঠিয়ে নিতে। টাকার অভাবে আদুরির চিকিৎসা করাতে পারছিনা। কিছুদিন আগে স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় আদুরিকে প্রথম শ্রেনীতে ভর্তি করেছি। কিন্তু বই, খাতা, কলম আর মাদ্রাসার বেতন-ভাতা না দিতে পারায় শিক্ষকরা আদুরিকে মাদ্রাসায় যেতে নিষেধ করে দিয়েছে। কথার এক পর্যায় কান্নায় ভেঙে পড়েন আদুরির মা। বলেন, পিতৃহারা এই আদুরির দায়িত্ব কে নেবে। কেমনে চলবে ওর চিকিৎসা।

 

জানাগেছে, সদর উপজেলার জৈনকাঠি ইউনিয়নের কৌরাখালী গ্রামের মৃত খালেক মৃধার কনিষ্ঠ কন্যা এই আদুরি। অভাবের সংসারে মা সাফিয়া বেগম দিশেহারা হয়ে নয় সন্তানের প্রায় বেশ কয়েকজনকে গৃহপরিচারিকার কাজে দেয়। এর ধারাবাহিকতায় পাশ্ববর্তী জনৈক চুনুœ মীরার সহযোগীতায় রাজধানীর গৃহকর্তী নওরীন জাহান নদীর বাসায় কাজে দেয় এই আদুরিকে। এরপরে নানা ছলছুতোয় নদী কর্তৃক অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয় শিশু আদুরি। পটুয়াখালী পুলিশ সুপার সৈয়দ মোশফিকুর রহমান জানান, তৎকালীন পুলিশ সুপার এ বিষয়ে আমাকে অবহিত করেননি। তবে বিষয়টি নিয়ে আমি জেলা প্রশাসকের সাথে কথা বলবো এবং ভালো কোনো উদ্যোগ নেয়ার চেষ্টা করবো।

 

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার পল্লবীর ডিওএইচএস এলাকার একটি ডাষ্টবিন থেকে অর্ধমৃত অবস্থায় আদুরিকে উদ্ধার করে দুই নারী। পরে পুলিশের সহায়তায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতলে ভর্তি করা হয়। দেড় মাস চিকিৎসার পর সুস্থ হলে ৩ নভেম্বর পরিবারের কাছে আদুরিকে হস্তান্তর করা হয়। আদুরিকে তার গৃহকর্ত্রী নওরীন জাহান নদী খুন্তি ও গরম ইস্ত্রি’র ছ্যাকা ছাড়াও চাকু ও ব্লেড দিয়ে শরীরের বিভিন্ন্ স্থানে ক্ষত-বিক্ষত করে অমানবিক নির্যাতন করে মৃত ভেবে ডাষ্টবিনে ফেলে দেওয়া হয়েছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন:

সর্বশেষ আপডেট



» ফুুুুটবল খেলোয়াড় হতে না পেরেই হলেন নাট্যকার

» আমি মৃত্যুর মুখে, আমাকে বাঁচান

» আমেরিকায় অভিনেত্রী মৌসুমীকে আজীবন সম্মাননা

» নুসরাতকে হত্যার হুকুম দিয়ে ভুল করেছি, জবানবন্দিতে সিরাজ উদ দৌলা

» বান্দরবানের রুমায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় সেনাবাহিনীর ১০ সদস্য আহত

» বান্দরবানে মানবাধিকার কর্মীর বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ বৌদ্ধ ভিক্ষুর

» পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে শ্রমিক অসন্তোষ নিয়ন্ত্রনে, চায়না শ্রমিক সহ নিহত ২; পুলিশ সহ আহত ১৫

» তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে মতবিনিময় ও পরিদর্শন করলেন উপজেলা চেয়ারম্যান

» কলাপাড়ায় আস্থা প্রকল্পের উদ্যোগে উদযাপিত হলো যুব সমাবেশ

» বাগেরহাটে সব দোকানেই মিলছে গ্যাস সিলিন্ডার, দুর্ঘটনার আশঙ্কা

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন





ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ৬ই আষাঢ় ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

অন্ধকারেই রয়ে গেল “আদুরির” ভবিষ্যৎ

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:
Spread the love

ঢাকায় গৃহকত্রীর হাতে দেশ কাপানো আলোচিত অমানষিক ও বর্বর নির্যাতনের স্বীকার, অর্ধমৃত রুপে ডাষ্টবিনে কুড়িয়ে পাওয়া কাজের মেয়ে আদুরীর দিন কাটছে এখন অতিকষ্টে। অর্থাভাবে তার পড়ালেখা চালানোতো দূরের কথা, চিকিৎসা চলছে ধুঁকে ধুঁকে। পটুয়াখালীর প্রত্যন্ত পল্লীর নিজ বাড়ীতে আদুরীর দিন কাটছে শুধু অর্ধাহার আর অনাহারে হাহাকারের মধ্য দিয়ে। সেই আদুরীর পাশে আজ কেউ নেই জেনে তার পরিবারে চলছে বিলাপের আহাজারি।

 

বয়স বারোর কোঠা অতিক্রম না করলেও নির্যাতনের সেই লোমহর্ষক ঘটনা গুছিয়ে বলতে একটু বেগ পেতে হয়নি “আদুরির”। শেষ বিকেলে বাড়ীর পাশ্ববর্তী একটি ধান ক্ষেতে অন্য শিশুদের সাথে খেলা করছিল আদুরি। গৃহকর্তী নদীর অমানবিক নির্যাতনের সেই শতাধিক ক্ষত চিহ্ন এখনও আদুরির শরীরে দৃশ্যমান। যা দেখলে এখনও কোনো সুস্থ মানুষ ভয়ে ভীত হবেন।

 

অসুস্থ্য আদুরির চিকিৎসা, বাড়ি পৌছানো, মাথা গোঁজার জন্য একটু জমি আর সুষ্ঠু জীবন ধারনের জন্য বাংলাদেশ পুলিশের চেষ্টা ছিল অভাবনীয়। তার ধারাবাহিকতায় আয়ের পথ হিসেবে পাঁচটি রিক্সা, একটু জমি দিয়েছিল পটুয়াখালীর সাবেক পুলিশ সুপার রফিকুল হাসান গনি। কিন্তু সেই সুখের হাওয়া ম্লান হয় দারিদ্রতার কষাঘাত আর সময়ের পরিবর্তনে। থাকার জন্য একটি পাকা ঘর, ভালো স্কুলে পড়াশোনা করাবে, এমন প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিল পুলিশ। কিন্তু ওই পুলিশ সুপার অন্যত্র বদলি হলে চাপা পড়ে সেইসব প্রতিশ্রুতি। এখন আর কেউ খোঁজ রাখেনা আদুরির। পুলিশের দেওয়া রিক্সাগুলো নতুন প্রযুক্তির কাছে এখন শুধুই বোঝা। এক পর্যায় ভাঙ্গারি ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করে আদুরির চিকিৎসা খরচ চালানো হয়। তবে পাচটির দুটি এখন পরিত্যক্ত অবস্থায় বাড়িতে রয়েছে।

 

এদিকে, অ্যাকাডেমিক শিক্ষা তো দুরের কথা। আদুরির জীবন নিয়ে শংকিত হয়ে পড়েছে তার পরিবার। নির্যাতনের ১৫ মাস অতিক্রম হলেও এখনও শরীরের একাধিক ক্ষত চিহ্ন দিয়ে পিড়ার সৃষ্টি হচ্ছে। রাত-বিরাত ওই ক্ষত চিহ্নতে সৃষ্ট পিড়া আদুরির সুষ্ঠু জীবনকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে। প্রায়শই রক্তপাত হচ্ছে আদুরির মাথা থেকে। মাঝরাতে যন্ত্রনায় এখনও আঁতকে ওঠে আদুরি ও পরিবারের সদস্যরা। আদুরির শরীরের একাধিক স্থানের ক্ষত চিহ্নগুলো ক্রমশই দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে। যে কারণে আদুরির ভবিষ্যৎ নিয়ে আশঙ্কা পরিবারের। এমনকি শরীরের ক্ষত চিহ্নগুলো দেখে গ্রাম্য শিশুরা আদুরির সাথে মিলতে ভয় পাচ্ছে বলে জানান তার মা।

 

আদুরির মা সাফিয়া জানান, “আদুরির শারীরিক অবস্থা খুবই ঝুঁকিপূর্ন। ক্ষত স্থানগুলোতে যন্ত্রণা করছে। প্রতিরাতে ব্যাথায় আদুরি ডাকচিৎকার করছে। এখন প্রয়োজন সুচিকিৎসা। আদালতে মামলা চলৎ রয়েছে। নির্যাতনকারী গৃহকর্ত্রী নদী জেল হাজতে রয়েছে। কিন্তু বিবাদি পক্ষ নানাভাবে হুমকি দিচ্ছে মামলা উঠিয়ে নিতে। টাকার অভাবে আদুরির চিকিৎসা করাতে পারছিনা। কিছুদিন আগে স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় আদুরিকে প্রথম শ্রেনীতে ভর্তি করেছি। কিন্তু বই, খাতা, কলম আর মাদ্রাসার বেতন-ভাতা না দিতে পারায় শিক্ষকরা আদুরিকে মাদ্রাসায় যেতে নিষেধ করে দিয়েছে। কথার এক পর্যায় কান্নায় ভেঙে পড়েন আদুরির মা। বলেন, পিতৃহারা এই আদুরির দায়িত্ব কে নেবে। কেমনে চলবে ওর চিকিৎসা।

 

জানাগেছে, সদর উপজেলার জৈনকাঠি ইউনিয়নের কৌরাখালী গ্রামের মৃত খালেক মৃধার কনিষ্ঠ কন্যা এই আদুরি। অভাবের সংসারে মা সাফিয়া বেগম দিশেহারা হয়ে নয় সন্তানের প্রায় বেশ কয়েকজনকে গৃহপরিচারিকার কাজে দেয়। এর ধারাবাহিকতায় পাশ্ববর্তী জনৈক চুনুœ মীরার সহযোগীতায় রাজধানীর গৃহকর্তী নওরীন জাহান নদীর বাসায় কাজে দেয় এই আদুরিকে। এরপরে নানা ছলছুতোয় নদী কর্তৃক অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয় শিশু আদুরি। পটুয়াখালী পুলিশ সুপার সৈয়দ মোশফিকুর রহমান জানান, তৎকালীন পুলিশ সুপার এ বিষয়ে আমাকে অবহিত করেননি। তবে বিষয়টি নিয়ে আমি জেলা প্রশাসকের সাথে কথা বলবো এবং ভালো কোনো উদ্যোগ নেয়ার চেষ্টা করবো।

 

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার পল্লবীর ডিওএইচএস এলাকার একটি ডাষ্টবিন থেকে অর্ধমৃত অবস্থায় আদুরিকে উদ্ধার করে দুই নারী। পরে পুলিশের সহায়তায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতলে ভর্তি করা হয়। দেড় মাস চিকিৎসার পর সুস্থ হলে ৩ নভেম্বর পরিবারের কাছে আদুরিকে হস্তান্তর করা হয়। আদুরিকে তার গৃহকর্ত্রী নওরীন জাহান নদী খুন্তি ও গরম ইস্ত্রি’র ছ্যাকা ছাড়াও চাকু ও ব্লেড দিয়ে শরীরের বিভিন্ন্ স্থানে ক্ষত-বিক্ষত করে অমানবিক নির্যাতন করে মৃত ভেবে ডাষ্টবিনে ফেলে দেওয়া হয়েছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Click Here



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us | Sitemap
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited