কলাপাড়ায় কৃষি বিভাগের ১৮ কর্মকর্তা-কর্মচারীর পদ শূন্য: কৃষকরা কাংঙ্খিত সেবা পাচ্ছে না

Spread the love

কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি,১৪ জুলাই।। পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় কৃষি বিভাগের ৫২ টি পদের মধ্যে ১৮ কর্মকর্তা-কর্মচারীর পদ শূন্য রয়েছে। বছরের পর বছর এ পদ গুলো শূন্য থাকায় উপজেলার ১২ টি ইউনিয়নের হাজার হাজার কৃষক কৃষি বিভাগের জনবল সংকটের কারনে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কাংখিত সেবা পাচ্ছে না। অথচ এ উপজেলার অধিকাংশ মানুষ কৃষক। কৃষি কাজই তাদের জীবিকা নির্বাহের একমাত্র অবলম্বন। বেশীর ভাগ কৃষকের অভিযোগ তারা কৃষি অফিসের তুলনামূলক সহায়তা পাচ্ছে না।

 

কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ উপজেলায় ৫২ টি পদ রয়েছে। এর মধ্যে অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তার একটি পদের একটিই শূন্য, কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তার পদ দু’টি পদের মধ্যে একটি শূন্য, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার ৩৮ টি পদের মধ্যে ১৫ টি শূন্য ও অফিস সহকারীকাম কম্পইউটার মুদ্রক্ষরিক দুইটি পদের একটি শূন্য রয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, স্থানীয় কৃষি বিভাগের জনবল সংকটের কারনে তারা প্রকৃত সেবা বা পরামর্শ দিতে পারছে না। ফলে অনেক কৃষক কৃষি কাজে তাদের উৎসাহ হারিয়ে ফেলছে। এছাড়া কৃষি বিভাগের বিভিন্ন প্রকল্প থাকা সত্বেও তা জনবল সংকটের কারনে সঠিক ভাবে প্রয়োগ হচ্ছে না। এ উপজেলার প্রায় সব ক’টি ইউনিয়নে ধান চাষের পাশাপাশি বিভিন্ন রকমের রবি শষ্য চাষ হচ্ছে। এর মধ্যে নীলগঞ্জ এবং ধানখালী ইউনিয়ন উপজেলার মডেল ইউনিয়ন হিসেবে পরিচিত বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

 

নীলগঞ্জ ইউনিয়নের কৃষক মো.আবুল হোসেন জানান, তার অন্যান্য সবজির সাথে পেয়ারা এবং বড়ই চাষাবাদ করছেন। কিন্তু স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তাদের কোন সুপারিশ বা সাহায্যে তিনি পাচ্ছেন না। ধানখালী ইউনিয়নের লোন্দা গ্রামের কৃষক মন্টু মিয়া জানান, চলতি মৌসুমে আগাম তরমুজ চাষাবাদ করেছিলেন। বৃষ্টির কারনে তার ক্ষেতের অধিকাংশ তরমুজ নষ্ট হয়ে গেছে। এ সময় আমাদের বিপদ ছিল। অথচ কৃষি অফিসের কেউ পাশে দাড়াঁয় নি। কলাপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো.মশিউর রহমান জানান, প্রত্যেক মাসে সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট লোকবল চেয়ে চিঠি দিয়ে যাচ্ছি। তবে এসব পদ গুলো সম্পন্ন থাকলে কৃষকদের সুবিধার পাশাপাশি অফিসিয়াল কাজকর্মে সুবিধা হয় বলে তিনি সংবাদিকদের জানিয়েছেন ।

নিউজটি শেয়ার করুন:

সর্বশেষ আপডেট



» মানুষ নামের অমানুষগুলো…

» বাউফলে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব গোল্ডকাপ ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

» আগামী ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যেই উৎপাদনে প্রথম ইউনিট।। ছয় হাজার শ্রমিকের বেতন-ভাতা পরিশোধ

» জঙ্গী দমনের মত মাদক নির্মূলেও ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবো

» ইংল্যান্ডে বাংলাদেশের জার্সি পরা ওরা কারা?

» সন্ত্রাসীর সঙ্গে যুদ্ধ করেও স্বামীকে বাঁচাতে পারলেন না স্ত্রী

» র‍্যাংকিংয়ে বড় সুখবর পেল বাংলাদেশ

» পাকিস্তানের বোলিং তোপে কোণঠাসা নিউজিল্যান্ড

» যশোরের বেনাপোল পুটখালী থেকে ইয়াবা ও ফেন্সিডিলসহ আটক-৩

» শ্রমিকদের জন্য হাসপাতল, আবাসন, রেশনিং, শিক্ষা, পরিবহনসহ গুরুত্বপূর্ন মৌলিক বিষয়ে বর্তমান বাজেটে বরাদ্দ রাখার দাবীতে। মাননীয় স্পিকারের বরাবর স্বারকলিপি প্রদান

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ১৩ই আষাঢ় ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

কলাপাড়ায় কৃষি বিভাগের ১৮ কর্মকর্তা-কর্মচারীর পদ শূন্য: কৃষকরা কাংঙ্খিত সেবা পাচ্ছে না

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:
Spread the love

কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি,১৪ জুলাই।। পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় কৃষি বিভাগের ৫২ টি পদের মধ্যে ১৮ কর্মকর্তা-কর্মচারীর পদ শূন্য রয়েছে। বছরের পর বছর এ পদ গুলো শূন্য থাকায় উপজেলার ১২ টি ইউনিয়নের হাজার হাজার কৃষক কৃষি বিভাগের জনবল সংকটের কারনে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কাংখিত সেবা পাচ্ছে না। অথচ এ উপজেলার অধিকাংশ মানুষ কৃষক। কৃষি কাজই তাদের জীবিকা নির্বাহের একমাত্র অবলম্বন। বেশীর ভাগ কৃষকের অভিযোগ তারা কৃষি অফিসের তুলনামূলক সহায়তা পাচ্ছে না।

 

কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ উপজেলায় ৫২ টি পদ রয়েছে। এর মধ্যে অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তার একটি পদের একটিই শূন্য, কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তার পদ দু’টি পদের মধ্যে একটি শূন্য, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার ৩৮ টি পদের মধ্যে ১৫ টি শূন্য ও অফিস সহকারীকাম কম্পইউটার মুদ্রক্ষরিক দুইটি পদের একটি শূন্য রয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, স্থানীয় কৃষি বিভাগের জনবল সংকটের কারনে তারা প্রকৃত সেবা বা পরামর্শ দিতে পারছে না। ফলে অনেক কৃষক কৃষি কাজে তাদের উৎসাহ হারিয়ে ফেলছে। এছাড়া কৃষি বিভাগের বিভিন্ন প্রকল্প থাকা সত্বেও তা জনবল সংকটের কারনে সঠিক ভাবে প্রয়োগ হচ্ছে না। এ উপজেলার প্রায় সব ক’টি ইউনিয়নে ধান চাষের পাশাপাশি বিভিন্ন রকমের রবি শষ্য চাষ হচ্ছে। এর মধ্যে নীলগঞ্জ এবং ধানখালী ইউনিয়ন উপজেলার মডেল ইউনিয়ন হিসেবে পরিচিত বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

 

নীলগঞ্জ ইউনিয়নের কৃষক মো.আবুল হোসেন জানান, তার অন্যান্য সবজির সাথে পেয়ারা এবং বড়ই চাষাবাদ করছেন। কিন্তু স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তাদের কোন সুপারিশ বা সাহায্যে তিনি পাচ্ছেন না। ধানখালী ইউনিয়নের লোন্দা গ্রামের কৃষক মন্টু মিয়া জানান, চলতি মৌসুমে আগাম তরমুজ চাষাবাদ করেছিলেন। বৃষ্টির কারনে তার ক্ষেতের অধিকাংশ তরমুজ নষ্ট হয়ে গেছে। এ সময় আমাদের বিপদ ছিল। অথচ কৃষি অফিসের কেউ পাশে দাড়াঁয় নি। কলাপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো.মশিউর রহমান জানান, প্রত্যেক মাসে সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট লোকবল চেয়ে চিঠি দিয়ে যাচ্ছি। তবে এসব পদ গুলো সম্পন্ন থাকলে কৃষকদের সুবিধার পাশাপাশি অফিসিয়াল কাজকর্মে সুবিধা হয় বলে তিনি সংবাদিকদের জানিয়েছেন ।

নিউজটি শেয়ার করুন:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Click Here

সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us | Sitemap
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited