মৌলভীবাজার টাউন কামিল মাদ্রাসায় কামিল পরীক্ষায় টাকা নেওয়ার অভিযোগ

মশাহিদ আহমদ, মৌলভীবাজার: কুষ্টিয়া ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতাধীন মৌলভীবাজার টাউন কামিল মাদ্রাসায় কামিল ২য় বর্ষ (ভাইবা) পরীক্ষা-২০১৪ইং টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। পরীক্ষা শুরুর পূর্বেই মাদ্রাসা কতৃপক্ষ প্রবেশপত্র দেওয়ার সময় নেয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে প্রবেশপত্র ফি এর টাকা নয় কেন্দ্রে নকল সুবিধা ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তপক্ষ খরচ বহন করতে ঐ টাকা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিস্ট সূত্র। সূত্র জানায়- মৌলভীবাজার টাউন কামিল মাদ্রাসায় গত ৮ জুলাই কুষ্টিয়া ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় আওতায় কামিল ২য় বর্ষ পরীক্ষা-২০১৪ইং ভাইবা পরীক্ষায় ৮৭ জন শিক্ষাথীর্র কাছ থেকে ৫ শত টাকা করে মোট ৪৩ হাজার ৫শত টাকা আদায় করে নিয়েছেন।

 

প্রত্যেক পরীক্ষায় বই খুলে পরীক্ষা প্রদান করছে অধিকাংশ পরীক্ষার্থীরা । আর ঐ সব পরীক্ষায় নকল প্রদানে সহয়তা করছেন মাদ্রাসা কতৃপক্ষ। এমনকি নকল সুবিধা দিতে মাদ্রাসা কতৃপক্ষ প্রত্যেক পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে কেন্দ্র সুবিধা দিতে টাকা নেওয়ার অভিযোগ রযেছে নাম প্রকাশে অনেক শিক্ষার্থীদের। নাম প্রকাশ না শর্তে একাধিক শির্ক্ষাথীরা জানান – মাদরাসা কর্তপক্ষের নির্দেশে অস্থায়ী ভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত অফিস সহকারী কম্পিউটার অপারেটর জুনেদ আহমদ এর কাছ থেকে ৫শত টাকার বিনিময়ে তার স্বাক্ষরিত টোকেন নিয়ে মাদ্রাসার প্রশাসনিক ভবনের ৩য় তলায় জমা দিয়ে পরীক্ষা দিতে হয়। কেউ টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তার সাথে করা হয় খারাপ আচরন।

 

প্রত্যককে বাধ্য হয়েইে টাকা দিতে হয়েছে। তা ছাড়া ম্যাগাজিন করার নাম করে আরো ৫শত টাকা দাবী করেন মাদরাসা কর্তপক্ষ। কামিল পরীক্ষা কুষ্টিয়া ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতাধীন । তাই পরীক্ষা চলাকালীন সময় কুষ্টিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকেন। তাই তাদেরকে টাকা দেওযার কতা বলে এ টাকা আদায় করা হয় বলে শিক্ষার্থীরা জানিছে। পরীক্ষা চলাকালীন সময়েও বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ জন প্রতিনিধি ও কানাইঘাটের একজন প্রভাসক উপস্থিত ছিলেন। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা আদায় এর সত্যতা স্বীকার করেছেন একাধিক শিক্ষক। এ ব্যপারে জানতে চাইলে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা শামছুল ইসলাম বলেন- আমি টাকা নেওয়ার ব্যপারে আমার জানা নেই। জুনেদ আহমদ মাদ্রাসার কামিল পরীক্ষার্থী এবং সে খন্ডকালীন কম্পিউটার অপারেটর হিসাবে রয়েছে। আমি অসুস্থ।

 

ডাক্তার কতা বলতে নিষেধ করেছে। আপনী আরবী আলিম উদ্দিন এর সাথে যোগাযোগ করেন। আরবী প্রভাসক আলিম উদ্দিন জানান- পরীক্ষা চলাকালীন সময় কুষ্টিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা ভাইবা বোর্ডের সদস্য। সে হিসাবে তাদের যাতায়াত ভাড়া, হোটেল ভাড়াসহ যাবতীয় খরচ বহন করে শিক্ষার্থীরা। কামিল পরীক্ষায় ছাত্রদের মধ্যে টাকা লেনদেন হয়। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তপক্ষ খরচ বহন করলেও সাড়া দেশেই কামিল পরীক্ষার জন্য টাকা নেওয়া হয়।

সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

সর্বশেষ আপডেট



» রাজাপুরে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলে বসতঘর ক্ষতিগ্রস্থ ৫ শতাধিক পরিবারে হাহাকার, দ্রুত মাথা গোঁজার ঠাঁই চায় গৃহহীনরা!

» গলাচিপায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ৫ম শ্রেণির সমাপনী/১৯ শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত

» পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্রে সহকর্মীর ছুরিকাঘাতে চীনা নাগরিক নিহত

» রাজশাহীতে বাড়ির ছাদে লুকিয়ে রেখেছিল ১৫ মণ পেঁয়াজ

» চট্টগ্রামে গ্যাস লাইনে বিস্ফোরণ: তদন্ত কমিটি গঠন

» ফেসবুক লাইভে: আমি রাঙ্গার মেয়ে, বাবাকে নিয়ে কিছু কথা বলতে চাই (ভিডিও)

» ডামুড্যার সিড্যায় ৩৬ নং মধ্য সিড্যা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের বিদায় অনুষ্ঠান

» যাতায়াতের একমাত্র রাস্থা বন্ধ বিপাকে ১৩ পরিবার

» বাগেরহাটে কাড়াপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণীর বিদায় অনুষ্ঠান

» বরিশালের মেয়ে নায়লা নাঈমের জীবনী আসছে একুশে বইমেলা ২০২০ এ

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ২রা অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

মৌলভীবাজার টাউন কামিল মাদ্রাসায় কামিল পরীক্ষায় টাকা নেওয়ার অভিযোগ

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

মশাহিদ আহমদ, মৌলভীবাজার: কুষ্টিয়া ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতাধীন মৌলভীবাজার টাউন কামিল মাদ্রাসায় কামিল ২য় বর্ষ (ভাইবা) পরীক্ষা-২০১৪ইং টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। পরীক্ষা শুরুর পূর্বেই মাদ্রাসা কতৃপক্ষ প্রবেশপত্র দেওয়ার সময় নেয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে প্রবেশপত্র ফি এর টাকা নয় কেন্দ্রে নকল সুবিধা ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তপক্ষ খরচ বহন করতে ঐ টাকা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিস্ট সূত্র। সূত্র জানায়- মৌলভীবাজার টাউন কামিল মাদ্রাসায় গত ৮ জুলাই কুষ্টিয়া ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় আওতায় কামিল ২য় বর্ষ পরীক্ষা-২০১৪ইং ভাইবা পরীক্ষায় ৮৭ জন শিক্ষাথীর্র কাছ থেকে ৫ শত টাকা করে মোট ৪৩ হাজার ৫শত টাকা আদায় করে নিয়েছেন।

 

প্রত্যেক পরীক্ষায় বই খুলে পরীক্ষা প্রদান করছে অধিকাংশ পরীক্ষার্থীরা । আর ঐ সব পরীক্ষায় নকল প্রদানে সহয়তা করছেন মাদ্রাসা কতৃপক্ষ। এমনকি নকল সুবিধা দিতে মাদ্রাসা কতৃপক্ষ প্রত্যেক পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে কেন্দ্র সুবিধা দিতে টাকা নেওয়ার অভিযোগ রযেছে নাম প্রকাশে অনেক শিক্ষার্থীদের। নাম প্রকাশ না শর্তে একাধিক শির্ক্ষাথীরা জানান – মাদরাসা কর্তপক্ষের নির্দেশে অস্থায়ী ভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত অফিস সহকারী কম্পিউটার অপারেটর জুনেদ আহমদ এর কাছ থেকে ৫শত টাকার বিনিময়ে তার স্বাক্ষরিত টোকেন নিয়ে মাদ্রাসার প্রশাসনিক ভবনের ৩য় তলায় জমা দিয়ে পরীক্ষা দিতে হয়। কেউ টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তার সাথে করা হয় খারাপ আচরন।

 

প্রত্যককে বাধ্য হয়েইে টাকা দিতে হয়েছে। তা ছাড়া ম্যাগাজিন করার নাম করে আরো ৫শত টাকা দাবী করেন মাদরাসা কর্তপক্ষ। কামিল পরীক্ষা কুষ্টিয়া ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতাধীন । তাই পরীক্ষা চলাকালীন সময় কুষ্টিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকেন। তাই তাদেরকে টাকা দেওযার কতা বলে এ টাকা আদায় করা হয় বলে শিক্ষার্থীরা জানিছে। পরীক্ষা চলাকালীন সময়েও বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ জন প্রতিনিধি ও কানাইঘাটের একজন প্রভাসক উপস্থিত ছিলেন। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা আদায় এর সত্যতা স্বীকার করেছেন একাধিক শিক্ষক। এ ব্যপারে জানতে চাইলে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা শামছুল ইসলাম বলেন- আমি টাকা নেওয়ার ব্যপারে আমার জানা নেই। জুনেদ আহমদ মাদ্রাসার কামিল পরীক্ষার্থী এবং সে খন্ডকালীন কম্পিউটার অপারেটর হিসাবে রয়েছে। আমি অসুস্থ।

 

ডাক্তার কতা বলতে নিষেধ করেছে। আপনী আরবী আলিম উদ্দিন এর সাথে যোগাযোগ করেন। আরবী প্রভাসক আলিম উদ্দিন জানান- পরীক্ষা চলাকালীন সময় কুষ্টিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা ভাইবা বোর্ডের সদস্য। সে হিসাবে তাদের যাতায়াত ভাড়া, হোটেল ভাড়াসহ যাবতীয় খরচ বহন করে শিক্ষার্থীরা। কামিল পরীক্ষায় ছাত্রদের মধ্যে টাকা লেনদেন হয়। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তপক্ষ খরচ বহন করলেও সাড়া দেশেই কামিল পরীক্ষার জন্য টাকা নেওয়া হয়।

সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Click Here

সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us | Sitemap
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited