১৩ ডিসির সঙ্গে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি করলেন-ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার

মোঃ মাসুদ হাসান মোল্লা রিদম, ঢাকা: ঢাকার ১৩ জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি করেছে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার হেলালুদ্দীন আহমেদ। বৃহস্পতিবার বিকালে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে এই কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর হয়।

 

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) এন এম জিয়াউল আলম। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে জিয়াউল আলম বলেন, ‘বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর কার্যক্রম এখন আর শিশু নয়।  এটা চতুর্থ বছরে পদার্পন করেছে। বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি  অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ । জনকল্যাণের জন্য আমরা কতটুকু কাজ করলাম।  আমাদের সক্ষমতা আছে। আমরা এতদিন কাজ করেছিলাম কিন্তু কোন কমিটমেন্ট ছিলনা। নতুন যারা জেলা প্রশাসক হয়ে গিয়েছেন তাদের তিন বছরের একটি কমিটমেন্ট আছে। সেই কমিটমেন্টের বিষয় এএফডিজিতে থাকবে। আমরা কিন্তু উপজেলায় গিয়েছি। আমরা সেখানে তেমন দক্ষতা তৈরি করতে পারিনি। আমরা একটি কমিটি তৈরি করে দিয়েছি। সেখানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের জেলা পর্যায়ের সব কর্মকর্তা রয়েছে। সেখানে স্থানীয় নীতি নির্ধারণের কাজ করতে পারে।  আমি অনুরোধ করব আমাদের একটি টিম তৈরি করতে হবে। জেলা পর্যায়ে আমাদের অনেক জুনিয়র অফিসার রয়েছে তাদেরকে মোটিভ করতে হবে।

 

জিয়াউল আলম  বলেন, আমরা আপনাদের ট্রেনিং মেটার দিয়ে সহযোগিতা করতে পারি। এভাবেই মাষ্টার ট্রেনার তৈরি করা যেতে পারে। মাঠ পর্যায়ে অনেক এপিএ ডকুমেন্ট দেখেছি তা অনেক দূর্বল। অনুষ্ঠানের শুরুতে সরকারী কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে দেওয়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একটি ভিডিও চিত্র দেখানো হয়। এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বক্তব্যও ভিডিওতে দেখানো হয়।

 

বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার হেলালুদ্দীন আহমেদ।
বিভাগীয় কমিশনার হেলালুদ্দীন আহমেদ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিভিন্ন সরকারী কর্মকর্তাদের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সরকারের তিনটি টার্গেট। একটি হচ্ছে- ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ, ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজির বাস্তবায়ন এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত আয়ের দেশ।  আমাদেরকে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়াতে হবে। আমাদের মোবাইল কোর্ট চ্যালেঞ্জের মধ্যে পড়ে গেছে। সেই চ্যালেঞ্জগুলো সবাইকে গুরুত্ব দিয়ে চুক্তির বাস্তবায়ন করার জন্য তিনি গুরুত্ব দিতে জেলা প্রশাসকদের আহবান জানান।

 

সহকারী কমিশনার ভূমি থানা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে হবে। নির্বাচনকে ঘিরে সকল বিষয় মাথায় রেখেই আমাদের কাজ করতে হবে। একজন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অনেক দায়িত্ব পালন করতে পারেন। সফলতার সঙ্গেই ।
বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির প্রেক্ষাপট ছিল কার্যকর,দক্ষ এবং গতিশীল প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ৪৮টি মন্ত্রণালয়, বিভাগের সঙ্গে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে এটি চালু হয়েছিল। সরকারের নীতি ও কর্মসূচি যথযথ বাস্তবায়ন করা, সরকারের কর্মকান্ডে স্বচ্ছতা-দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা, সরকারি সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চত করা, গতিশীল প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির উদ্দেশ্যে ছিল।

 

পূর্ববর্তী বছরসমূহের ধারাবাহিকতায় বছর শেষে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তিতে ধার্যকৃত লক্ষমাত্রার বিপরীতে মন্ত্রণালয় বিভাগসমূহের প্রকৃত অর্জনের ভিত্তিতে মোট স্কর নির্ধারণ হবে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির মূল্যায়ন পদ্ধতি। বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি সংশোধনের পদ্ধতি লক্ষমাত্রা ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়,বিভাগের সিনিয়র সচিব,সচিবের অনুমোদন গ্রহনপূর্বক মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে অবহিত করতে হবে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বিভাগ নিজেরাই সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ পর্যন্ত লক্ষমাত্রা হ্রাস বৃদ্ধি করতে পারবে। লক্ষমাত্রা হ্রাস বৃদ্ধির ৫ ভাগের বেশি কিন্তু ১০ ভাগের বেশি নয় এরুপ ক্ষেত্রে মন্ত্রি পরিষদ বিভাগে প্রেরণ করতে হবে।  চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর এরপর কোন পরিবর্তন করা যাবেনা।

 

কর্মসম্পাদন পরিবীক্ষণ ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে হবে, ছয়মাসের প্রতিবেদন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠাতে হবে,অর্ধবার্ষিক অর্জন সসমূহ জাতীয় কমিটি কর্তৃক পর্যালোচনা করা হবে। বার্ষিক কর্মসম্পাদন মূল্যায়ন অর্থবছর শেষে মন্ত্রণালয় কর্তৃক মূল্যায়ন প্রতিবেদন, বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি টিমের মূল্যায়ন সদস্যগণ কর্তৃক যাচাই, বাজেট ব্যবস্থাপনা কমিটি কর্তৃক প্রতিবেদন পর্যালোচনা, জাতীয় কমিটিতে উপস্থপন, জাতীয় কমিটি কর্তৃত পরীক্ষা নিরীক্ষাপূর্বক প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থপন করা।

সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

সর্বশেষ আপডেট



» বসানো হলো পদ্মা সেতুর ১৮তম স্প্যান: দৃশ্যমান হল সেতুর ২ হাজার ৭০০ মিটার

» গোপালগঞ্জে মধুমতি নদীর ভাঙ্গঁনে বিলীন হয়ে যাচ্ছে চরগোবরা গ্রাম

» বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের অভিযানে গাঁজাসহ দুই নারী আটক

» কুয়াকাটায় ন্নিমমানের আবাসিক হোটেলের বিরুদ্ধে নারী ও মাদক ব্যবসার অভিযোগ

» আগৈলঝাড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান

» ঝিনাইদহের শ্রেষ্ঠ সাংবাদিক হলেন আসিফ কাজল

» মহেশপুরের অবৈধ ইটভাটায় পুড়ছে কাঠ প্রশাসন নির্বকার

» ঝিনাইদহে তৃতীয় লিঙ্গ সদস্যদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

» রাজনগরে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়াতে অবহিতকরণ সভা

» রাজনগরে ভোক্তা অধিকার আইনে ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ২৭শে অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

১৩ ডিসির সঙ্গে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি করলেন-ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

মোঃ মাসুদ হাসান মোল্লা রিদম, ঢাকা: ঢাকার ১৩ জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি করেছে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার হেলালুদ্দীন আহমেদ। বৃহস্পতিবার বিকালে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে এই কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর হয়।

 

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) এন এম জিয়াউল আলম। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে জিয়াউল আলম বলেন, ‘বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর কার্যক্রম এখন আর শিশু নয়।  এটা চতুর্থ বছরে পদার্পন করেছে। বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি  অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ । জনকল্যাণের জন্য আমরা কতটুকু কাজ করলাম।  আমাদের সক্ষমতা আছে। আমরা এতদিন কাজ করেছিলাম কিন্তু কোন কমিটমেন্ট ছিলনা। নতুন যারা জেলা প্রশাসক হয়ে গিয়েছেন তাদের তিন বছরের একটি কমিটমেন্ট আছে। সেই কমিটমেন্টের বিষয় এএফডিজিতে থাকবে। আমরা কিন্তু উপজেলায় গিয়েছি। আমরা সেখানে তেমন দক্ষতা তৈরি করতে পারিনি। আমরা একটি কমিটি তৈরি করে দিয়েছি। সেখানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের জেলা পর্যায়ের সব কর্মকর্তা রয়েছে। সেখানে স্থানীয় নীতি নির্ধারণের কাজ করতে পারে।  আমি অনুরোধ করব আমাদের একটি টিম তৈরি করতে হবে। জেলা পর্যায়ে আমাদের অনেক জুনিয়র অফিসার রয়েছে তাদেরকে মোটিভ করতে হবে।

 

জিয়াউল আলম  বলেন, আমরা আপনাদের ট্রেনিং মেটার দিয়ে সহযোগিতা করতে পারি। এভাবেই মাষ্টার ট্রেনার তৈরি করা যেতে পারে। মাঠ পর্যায়ে অনেক এপিএ ডকুমেন্ট দেখেছি তা অনেক দূর্বল। অনুষ্ঠানের শুরুতে সরকারী কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে দেওয়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একটি ভিডিও চিত্র দেখানো হয়। এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বক্তব্যও ভিডিওতে দেখানো হয়।

 

বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার হেলালুদ্দীন আহমেদ।
বিভাগীয় কমিশনার হেলালুদ্দীন আহমেদ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিভিন্ন সরকারী কর্মকর্তাদের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সরকারের তিনটি টার্গেট। একটি হচ্ছে- ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ, ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজির বাস্তবায়ন এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত আয়ের দেশ।  আমাদেরকে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়াতে হবে। আমাদের মোবাইল কোর্ট চ্যালেঞ্জের মধ্যে পড়ে গেছে। সেই চ্যালেঞ্জগুলো সবাইকে গুরুত্ব দিয়ে চুক্তির বাস্তবায়ন করার জন্য তিনি গুরুত্ব দিতে জেলা প্রশাসকদের আহবান জানান।

 

সহকারী কমিশনার ভূমি থানা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে হবে। নির্বাচনকে ঘিরে সকল বিষয় মাথায় রেখেই আমাদের কাজ করতে হবে। একজন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অনেক দায়িত্ব পালন করতে পারেন। সফলতার সঙ্গেই ।
বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির প্রেক্ষাপট ছিল কার্যকর,দক্ষ এবং গতিশীল প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ৪৮টি মন্ত্রণালয়, বিভাগের সঙ্গে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে এটি চালু হয়েছিল। সরকারের নীতি ও কর্মসূচি যথযথ বাস্তবায়ন করা, সরকারের কর্মকান্ডে স্বচ্ছতা-দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা, সরকারি সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চত করা, গতিশীল প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির উদ্দেশ্যে ছিল।

 

পূর্ববর্তী বছরসমূহের ধারাবাহিকতায় বছর শেষে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তিতে ধার্যকৃত লক্ষমাত্রার বিপরীতে মন্ত্রণালয় বিভাগসমূহের প্রকৃত অর্জনের ভিত্তিতে মোট স্কর নির্ধারণ হবে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির মূল্যায়ন পদ্ধতি। বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি সংশোধনের পদ্ধতি লক্ষমাত্রা ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়,বিভাগের সিনিয়র সচিব,সচিবের অনুমোদন গ্রহনপূর্বক মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে অবহিত করতে হবে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বিভাগ নিজেরাই সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ পর্যন্ত লক্ষমাত্রা হ্রাস বৃদ্ধি করতে পারবে। লক্ষমাত্রা হ্রাস বৃদ্ধির ৫ ভাগের বেশি কিন্তু ১০ ভাগের বেশি নয় এরুপ ক্ষেত্রে মন্ত্রি পরিষদ বিভাগে প্রেরণ করতে হবে।  চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর এরপর কোন পরিবর্তন করা যাবেনা।

 

কর্মসম্পাদন পরিবীক্ষণ ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে হবে, ছয়মাসের প্রতিবেদন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠাতে হবে,অর্ধবার্ষিক অর্জন সসমূহ জাতীয় কমিটি কর্তৃক পর্যালোচনা করা হবে। বার্ষিক কর্মসম্পাদন মূল্যায়ন অর্থবছর শেষে মন্ত্রণালয় কর্তৃক মূল্যায়ন প্রতিবেদন, বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি টিমের মূল্যায়ন সদস্যগণ কর্তৃক যাচাই, বাজেট ব্যবস্থাপনা কমিটি কর্তৃক প্রতিবেদন পর্যালোচনা, জাতীয় কমিটিতে উপস্থপন, জাতীয় কমিটি কর্তৃত পরীক্ষা নিরীক্ষাপূর্বক প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থপন করা।

সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Click Here

সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us | Sitemap
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited