মংলা বন্দর এক বছরে অর্থনৈতিক ভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে

এস.এম. সাইফুল ইসলাম কবির, মংলা বন্দর থেকে ফিরে:  দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বন্দর হিসেবে মংলা বন্দরের ৬৭ বছর আগে যাত্রা শুরু করা মংলা বন্দরকে একসময় বলা হতো নিঝুমপুরী।

 

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই বন্দরকে যেতে হয়েছে নানা চড়াই উৎরাইয়ের মধ্য দিয়ে। অবকাঠামো উন্নয়ন না হওয়া, রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাব ও প্রশাসনের অব্যবস্থাপনার কারণে অনেকটা মুখ থুবড়ে পড়েছিল বন্দরটি। ব্যবসায়ীরাও হাত গুটিয়ে নেওয়ায় একপর্যায়ে মংলা বন্দর লোকসানের মুখ দেখতে শুরু করে। তবে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য না পেলেও গত ৯ বছরে এ বন্দর অনেকটাই এগিয়েছে। ২০০৭ সাল পর্যন্ত লোকসানের ধারা অব্যাহত থাকলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেশ কিছু উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড হাতে নেওয়ায় লোকসান কাটিয়ে বন্দরটি লাভের ধারায় ফিরছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

 

ঘুরে দাঁড়াচ্ছে মংলা বন্দরদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বন্দর হিসেবে মংলা বন্দরের যাত্রা শুরুর আশির দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত লাভের পাল্লাই ভারি ছিল সেখানে। কিন্তু এরপরই নেমে আসতে থাকে দুর্দিন। বন্দর সূত্র জানায়, গত ২০০৪- ০৫ অর্থবছরে ১১ কোটি টাকা লোকসান দেয় মংলা বন্দর। পরের বছর এর পরিমাণ ছিল ৯ কোটি টাকা। লোকসানের ধারা অব্যাহত থাকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত। তবে ২০০৯ সালে অবকাঠামো উন্নয়ন, সংস্কারসহ ৫৭০ কোটি টাকার কয়েকটি প্রকল্প হাতে নেওয়ায় মংলা বন্দরের গতি ফিরেছে।

 

মংলা বন্দর ব্যবহারকারী মেসার্স হাসেম অ্যান্ড সন্স এর মালিক জুলফিকার আলী সাংবাদিকদেরকে বলেন, ‘নৌ ও সড়ক পথের যোগাযোগ ব্যবস্থায় উন্নতিসহ সময়মতো মাল খালাস হওয়ায় ব্যবসায়ীরাও এ বন্দর ব্যবহারে আগ্রহী হয়ে উঠেছে। প্রাণশক্তি ফিরে পাওয়ায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এ বন্দরে পণ্য খালাসও বেড়েছে। বন্দরের আরেক ব্যবহারকারী নুরু অ্যান্ড সন্স-এর মালিক এইচ এম দুলাল সাংবাদিকদেরকে বলেন, ‘চিংড়ি ও পাট যেটা সরাসরি মংলা বন্দর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে চলে যেত, এখন সেসব পণ্য আবার মংলা বন্দর দিয়ে রফতানি হচ্ছে। এই বন্দর দ্রুতই গতিশীল হলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষেরা অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধশালী হবে।

 

ঘুরে দাঁড়াচ্ছে মংলা বন্দর মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রধান হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মো. সিদ্দিকুর রহমান সাংবাদিকদেরকে বলেন, ‘বন্দরে দিন দিন আয় বেড়ে শত কোটি টাকার ঘরে পৌঁছেছে। গত ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ১৯৬ কোটি ৬১ লাখ ৯৮ হাজার টাকা আয় করে বন্দর কর্তৃপক্ষ। ১৩১ কোটি ৮৮ লাখ টাকা ব্যয় হওয়ায় নিট মুনাফা আসে ৬৪ কোটি টাকা ৭৩ লাখ ৭১ হাজার টাকা। পাঁচ বছরে সম্মেলিত মুনাফা হয়েছে ২৫৭ কোটি ১৫ লাখ ৪৮ হাজার টাকা।

 

মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমোডর ফারুক হাসান সাংবাদিকদেরকে বলেন, ‘জাহাজের আগমন বেড়ে যাওয়ায় অটোমেটিক বন্দরের আয় বেড়ে যাচ্ছে। এগুলো সম্ভব হয়েছে কেবল নতুন নতুন ইকুইপমেন্ট সংগ্রহ ও সুযোগ সুবিধা বাড়ানোর ফলে। আগামীতে আরও নতুন নতুন ইকুইপমেন্ট সংযোজন হবে। ঘুরে দাঁড়াচ্ছে মংলা বন্দর জানা যায়, আয় বাড়ার সঙ্গে মংলা বন্দর দিয়ে সরাসরি রফতানির পরিমাণও বেড়েছে। একসময় পাটকলগুলোর কারণে পাট পণ্য রফতানির গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম ছিল এই বন্দর। কিন্তু বিশ্ব বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে না পারায় একের পর এক পাটকল বন্ধ হওয়ায় এই বন্দর দিয়ে রফতানির পরিমাণ কমেছে। তবে আবারও পাট রফতানি বেড়েছে।

 

মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক ট্রাফিক মোস্তফা কামাল সাংবাদিকদেরকে বলেন, ‘গত বছর এই বন্দর দিয়ে ৩৮ হাজার ৩২৩ মে. টন পাট রফতানি হয়েছ। চলতি বছরের গত মে মাস পর্যন্ত রফতানি হয়েছে ৪৩ হাজার ২৭৫ মে. টন পাট। বন্দর চেয়ারম্যান কমোডর ফারুক হাসান সাংবাদিকদেরকে আরও বলেন, ‘পদ্মা সেতু এখনও হয়নি। ২০১৮ সালের মধ্যে যখন পদ্মা সেতু হবে তখন এ পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে। ঢাকা থেকে মংলা বন্দরের দূরত্ব কম হবে, এতে সময় কম লাগবে। এ কারণেই রফতানিযোগ্য আর এমজিগুলো মংলা বন্দর দিয়ে রফতানি হবে, তাতে কোনও সন্দেহ নেই।

সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

সর্বশেষ আপডেট



» কলাপাড়ায় আলোচিত শ্রমিকলীগ সভাপতি বুদাই দল থেকে বহিস্কার

» মৌলভীবাজারে এইচআইভি/এইডস বিষয়ক মতবিনিময় সভা

» দশমিনায় ঘূর্ণিঝড় বুলবুলে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে ত্রান বিতরন

» ভারতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী রিমঝিম মিত্র গ্রেফতার

» ইউটিউবে নতুন নীতিমালা, সংকটের মুখে ইউটিউবাররা

» বাবরি মসজিদে জমি দেওয়া নিয়ে যা বললেন তসলিমা নাসরিন

» বুলবুলকে মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে সুন্দরবন

» ঝিনাইদহের সিমান্তে বিজিবি কর্তৃক সাড়ে ২৯ লাখ টাকার ২১৬টি সোনার আংটি উদ্ধার

» গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের চেষ্টা : আটক ১০

» রাজাপুরে পিতার মাথায় রড ঢুকিয়ে হত্যার ঘটনায় ঘাতক ছেলে গ্রেফতার

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ২৮শে কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

মংলা বন্দর এক বছরে অর্থনৈতিক ভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

এস.এম. সাইফুল ইসলাম কবির, মংলা বন্দর থেকে ফিরে:  দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বন্দর হিসেবে মংলা বন্দরের ৬৭ বছর আগে যাত্রা শুরু করা মংলা বন্দরকে একসময় বলা হতো নিঝুমপুরী।

 

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই বন্দরকে যেতে হয়েছে নানা চড়াই উৎরাইয়ের মধ্য দিয়ে। অবকাঠামো উন্নয়ন না হওয়া, রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাব ও প্রশাসনের অব্যবস্থাপনার কারণে অনেকটা মুখ থুবড়ে পড়েছিল বন্দরটি। ব্যবসায়ীরাও হাত গুটিয়ে নেওয়ায় একপর্যায়ে মংলা বন্দর লোকসানের মুখ দেখতে শুরু করে। তবে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য না পেলেও গত ৯ বছরে এ বন্দর অনেকটাই এগিয়েছে। ২০০৭ সাল পর্যন্ত লোকসানের ধারা অব্যাহত থাকলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেশ কিছু উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড হাতে নেওয়ায় লোকসান কাটিয়ে বন্দরটি লাভের ধারায় ফিরছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

 

ঘুরে দাঁড়াচ্ছে মংলা বন্দরদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বন্দর হিসেবে মংলা বন্দরের যাত্রা শুরুর আশির দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত লাভের পাল্লাই ভারি ছিল সেখানে। কিন্তু এরপরই নেমে আসতে থাকে দুর্দিন। বন্দর সূত্র জানায়, গত ২০০৪- ০৫ অর্থবছরে ১১ কোটি টাকা লোকসান দেয় মংলা বন্দর। পরের বছর এর পরিমাণ ছিল ৯ কোটি টাকা। লোকসানের ধারা অব্যাহত থাকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত। তবে ২০০৯ সালে অবকাঠামো উন্নয়ন, সংস্কারসহ ৫৭০ কোটি টাকার কয়েকটি প্রকল্প হাতে নেওয়ায় মংলা বন্দরের গতি ফিরেছে।

 

মংলা বন্দর ব্যবহারকারী মেসার্স হাসেম অ্যান্ড সন্স এর মালিক জুলফিকার আলী সাংবাদিকদেরকে বলেন, ‘নৌ ও সড়ক পথের যোগাযোগ ব্যবস্থায় উন্নতিসহ সময়মতো মাল খালাস হওয়ায় ব্যবসায়ীরাও এ বন্দর ব্যবহারে আগ্রহী হয়ে উঠেছে। প্রাণশক্তি ফিরে পাওয়ায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এ বন্দরে পণ্য খালাসও বেড়েছে। বন্দরের আরেক ব্যবহারকারী নুরু অ্যান্ড সন্স-এর মালিক এইচ এম দুলাল সাংবাদিকদেরকে বলেন, ‘চিংড়ি ও পাট যেটা সরাসরি মংলা বন্দর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে চলে যেত, এখন সেসব পণ্য আবার মংলা বন্দর দিয়ে রফতানি হচ্ছে। এই বন্দর দ্রুতই গতিশীল হলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষেরা অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধশালী হবে।

 

ঘুরে দাঁড়াচ্ছে মংলা বন্দর মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রধান হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মো. সিদ্দিকুর রহমান সাংবাদিকদেরকে বলেন, ‘বন্দরে দিন দিন আয় বেড়ে শত কোটি টাকার ঘরে পৌঁছেছে। গত ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ১৯৬ কোটি ৬১ লাখ ৯৮ হাজার টাকা আয় করে বন্দর কর্তৃপক্ষ। ১৩১ কোটি ৮৮ লাখ টাকা ব্যয় হওয়ায় নিট মুনাফা আসে ৬৪ কোটি টাকা ৭৩ লাখ ৭১ হাজার টাকা। পাঁচ বছরে সম্মেলিত মুনাফা হয়েছে ২৫৭ কোটি ১৫ লাখ ৪৮ হাজার টাকা।

 

মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমোডর ফারুক হাসান সাংবাদিকদেরকে বলেন, ‘জাহাজের আগমন বেড়ে যাওয়ায় অটোমেটিক বন্দরের আয় বেড়ে যাচ্ছে। এগুলো সম্ভব হয়েছে কেবল নতুন নতুন ইকুইপমেন্ট সংগ্রহ ও সুযোগ সুবিধা বাড়ানোর ফলে। আগামীতে আরও নতুন নতুন ইকুইপমেন্ট সংযোজন হবে। ঘুরে দাঁড়াচ্ছে মংলা বন্দর জানা যায়, আয় বাড়ার সঙ্গে মংলা বন্দর দিয়ে সরাসরি রফতানির পরিমাণও বেড়েছে। একসময় পাটকলগুলোর কারণে পাট পণ্য রফতানির গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম ছিল এই বন্দর। কিন্তু বিশ্ব বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে না পারায় একের পর এক পাটকল বন্ধ হওয়ায় এই বন্দর দিয়ে রফতানির পরিমাণ কমেছে। তবে আবারও পাট রফতানি বেড়েছে।

 

মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক ট্রাফিক মোস্তফা কামাল সাংবাদিকদেরকে বলেন, ‘গত বছর এই বন্দর দিয়ে ৩৮ হাজার ৩২৩ মে. টন পাট রফতানি হয়েছ। চলতি বছরের গত মে মাস পর্যন্ত রফতানি হয়েছে ৪৩ হাজার ২৭৫ মে. টন পাট। বন্দর চেয়ারম্যান কমোডর ফারুক হাসান সাংবাদিকদেরকে আরও বলেন, ‘পদ্মা সেতু এখনও হয়নি। ২০১৮ সালের মধ্যে যখন পদ্মা সেতু হবে তখন এ পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে। ঢাকা থেকে মংলা বন্দরের দূরত্ব কম হবে, এতে সময় কম লাগবে। এ কারণেই রফতানিযোগ্য আর এমজিগুলো মংলা বন্দর দিয়ে রফতানি হবে, তাতে কোনও সন্দেহ নেই।

সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Click Here

সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us | Sitemap
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited