দ্রুত বিচার আইনের সাজা বাড়লো

শাস্তি বাড়িয়ে ‘আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুতবিচার)(সংশোধন) আইন, ২০১৭’ এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার (৫ জুন) জাতীয় সংসদে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতে সভাপতিত্ব করেন।বৈঠক শেষে সচিবালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম এ অনুমোদনের কথা জানান।

 

তিনি বলেন, ‘এটা মূলত ২০০২ সালের আইন। ওই আইনের একটি ধারা সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়েছে। বিদ্যমান আইনের শাস্তির মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। বিদ্যমান আইন অনুযায়ী কোন ব্যক্তি আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ করলে ২ থেকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় এবং একই সঙ্গে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবেন। এখানে সংশোধনী প্রস্তাব করে বলা হয়েছে, শাস্তি ২ থেকে ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।’আইনে অর্থদণ্ড নির্দিষ্ট করা নেই বলেও জানান শফিউল আলম।

 

চাঁদাবাজি, যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা; যানবাহনের ক্ষতি সাধন করা; স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিনষ্ট করা; ছিনতাই, দস্যুতা, ত্রাস ও অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি; দরপত্র ক্রয়-বিক্রয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি; ভয়-ভীতি প্রদর্শনসহ গুরুতর অপরাধ দ্রুততার সাথে বিচারের জন্য এই আইনটি করা হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। তিনি বলেন, ‘আইনে উল্লেখ করা নয়টি আইটেম আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ বলে গণ্য হবে।’শাস্তি কেন বাড়ানো হল- জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘অনেকগুলো ফোরাম থেকে প্রস্তাব এসেছে এটা (শাস্তি) পর্যাপ্ত নয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে সব ধরণের স্টেক হোল্ডারদের সাথে আলাপ করা হয়েছে। তারা সবাই বলেছে এটা বাড়ালে ভাল হয়। কত বাড়ালে ভাল হয়- ওই সাত বছরে সবাই একমত পোষণ করেন।

 

আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে দ্রুত বিচার আইনের শাস্তি বাড়ানো হল কিনা- এ বিষয়ে শফিউল আলম বলেন, ‘না না, এটা নিয়মিত একটা কাজ। এটার সাথে নির্বাচনের সম্পর্ক নেই। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, ২০০২ সালে দ্রুত বিচার আইনটি প্রথম কার্যকর করা হয়। তখন বলা হয়েছিলো ২ বছর পর্যন্ত এটি বলবৎ থাকবে। পরে বিভিন্ন সময় কার্যকারিতার মেয়াদ বাড়ানো হয়। ২০০৪, ২০০৬, ২০১২, সর্বশেষ ২০১৪ সালে এ আইনের কার্যকারিতার মেয়াদ বাড়ানো হয়। ২০১৪ সালে আইনটির কার্যকারিতার মেয়াদ একসঙ্গে ৫ বছর বাড়ানো হয়। ২০১৯ সালের ৭ এপ্রিল পর্যন্ত দ্রুত বিচার আইনটি কার্যকর থাকবে। সরকারগুলোর বিরুদ্ধে এ আইনটি ব্যবহার করে বিরোধী রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের দমনের অভিযোগ রয়েছে।

সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

সর্বশেষ আপডেট



» কাঠালিয়ায় পুলিশ সুপার মার্কেটের জমি উদ্ধার

» গলাচিপা পৌর আ’লীগের সভাপতি-সম্পাদক পদে মনোনয়ন পত্র জমা দিলেন মাসুদ-রিপন

» কমলগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে পিতা-পুত্র আটক

» গলাচিপায় বিটিএফ স্কুলের ৫ম শ্রেণির সমাপনী শিক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা

» শরীয়তপুরের ডামুড্যায় বাস খাদে পড়ে ২ যুবক নিহত

» অ্যাসোসিও’র আইসিটি এডুকেশন অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছে স্টার্টআপ বাংলাদেশ

» অস্ট্রেলিয়ায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভায় বেগম জিয়ার মুক্তির দাবী

» অবশেষে ৯ ঘণ্টা পর ঘাতক মহিষটি জনতার হাতে আটক

» মিয়ানমারের বিরুদ্ধে মামলায় কানাডার সমর্থন

» চলচ্চিত্র পুরস্কার নিয়ে বিতর্কের আগুনে এবার ঘি ঢাললেন অপু বিশ্বাস

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ২৮শে কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

দ্রুত বিচার আইনের সাজা বাড়লো

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

শাস্তি বাড়িয়ে ‘আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুতবিচার)(সংশোধন) আইন, ২০১৭’ এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার (৫ জুন) জাতীয় সংসদে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতে সভাপতিত্ব করেন।বৈঠক শেষে সচিবালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম এ অনুমোদনের কথা জানান।

 

তিনি বলেন, ‘এটা মূলত ২০০২ সালের আইন। ওই আইনের একটি ধারা সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়েছে। বিদ্যমান আইনের শাস্তির মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। বিদ্যমান আইন অনুযায়ী কোন ব্যক্তি আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ করলে ২ থেকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় এবং একই সঙ্গে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবেন। এখানে সংশোধনী প্রস্তাব করে বলা হয়েছে, শাস্তি ২ থেকে ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।’আইনে অর্থদণ্ড নির্দিষ্ট করা নেই বলেও জানান শফিউল আলম।

 

চাঁদাবাজি, যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা; যানবাহনের ক্ষতি সাধন করা; স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিনষ্ট করা; ছিনতাই, দস্যুতা, ত্রাস ও অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি; দরপত্র ক্রয়-বিক্রয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি; ভয়-ভীতি প্রদর্শনসহ গুরুতর অপরাধ দ্রুততার সাথে বিচারের জন্য এই আইনটি করা হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। তিনি বলেন, ‘আইনে উল্লেখ করা নয়টি আইটেম আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ বলে গণ্য হবে।’শাস্তি কেন বাড়ানো হল- জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘অনেকগুলো ফোরাম থেকে প্রস্তাব এসেছে এটা (শাস্তি) পর্যাপ্ত নয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে সব ধরণের স্টেক হোল্ডারদের সাথে আলাপ করা হয়েছে। তারা সবাই বলেছে এটা বাড়ালে ভাল হয়। কত বাড়ালে ভাল হয়- ওই সাত বছরে সবাই একমত পোষণ করেন।

 

আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে দ্রুত বিচার আইনের শাস্তি বাড়ানো হল কিনা- এ বিষয়ে শফিউল আলম বলেন, ‘না না, এটা নিয়মিত একটা কাজ। এটার সাথে নির্বাচনের সম্পর্ক নেই। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, ২০০২ সালে দ্রুত বিচার আইনটি প্রথম কার্যকর করা হয়। তখন বলা হয়েছিলো ২ বছর পর্যন্ত এটি বলবৎ থাকবে। পরে বিভিন্ন সময় কার্যকারিতার মেয়াদ বাড়ানো হয়। ২০০৪, ২০০৬, ২০১২, সর্বশেষ ২০১৪ সালে এ আইনের কার্যকারিতার মেয়াদ বাড়ানো হয়। ২০১৪ সালে আইনটির কার্যকারিতার মেয়াদ একসঙ্গে ৫ বছর বাড়ানো হয়। ২০১৯ সালের ৭ এপ্রিল পর্যন্ত দ্রুত বিচার আইনটি কার্যকর থাকবে। সরকারগুলোর বিরুদ্ধে এ আইনটি ব্যবহার করে বিরোধী রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের দমনের অভিযোগ রয়েছে।

সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Click Here

সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us | Sitemap
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
সহ-সম্পাদক : নুরুজ্জামান কাফি
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited