ডিজিটাল প্রতারণার ফাঁদ ইজি আর্ন এর কর্নধার সেলিম

মশাহিদ আহমদ,মৌলভীবাজার: ইজি আর্ন এর ডিজিটাল প্রতারণার সংবাদ বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত হবার পরদিনই গত ৬ নভেম্বর তারা মৌলভীবাজার শহরের চৌমোহনা থেকে গা ঢাকা দিয়ে নতুন অবস্থান থেকে কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করেছে। এর পরদিন গত ৭ নভেম্বর রাত সাড়ে ৮: ৫০ টায় ইজি আর্ন এর মৌলভীবাজার প্রধান সেলিম (সাবেক তিয়ানশি) মৌলভীবাজার অনলাইন প্রেসক্লাবে এসে প্রেসক্লাবের আহবায়ক সাংবাদিক মশাহিদ আহমদের সাথে সমঝোতার চেষ্টা চালান।

এসময় সাংবাদিক মশাহিদ আহমদের প্রশ্নের জবাবে ইজি আর্ন এর সরকারী অনুমোদন নেই স্বীকার করে সেলিম বলেন, প্রয়োজন আইন মানেনা। সরকারী অনুমোদন না থাকলেও আমরা অবৈধ কিছু করছিনা। এর পরদিন গত ৮ নভেম্বর রাত ৮টায় শহরের কুসুমবাগ এলাকার হোটেল রেস্ট ইন-এ গ্রাহক সমাবেশ করে, প্রচারিত সংবাদের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের চেষ্টা চালায়। ওই সমাবেশে উপস্থিত গ্রাহকদেরকে মনভুলানো নানা বক্তব্য দিয়ে আশ্বস্থ করার চেষ্টা চেষ্টায় বলা হয়েছে, প্রকাশিত সংবাদটি সঠিক নয় এবং ওই সংবাদে বিভ্রান্ত না হবার জন্য সবাইকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এর আগে, উক্ত গ্রাহক সমাবেশে কয়েকজন সাংবাদিকের উপস্থিতি টের পেয়ে ইজি আর্ন এর কর্নধাররা উপস্থিত গ্রহকদেরকে বসিয়ে রেখে পার্শ্ববর্তী কলাপাতা রেষ্টুরেন্টে গিয়ে গোপন শলা-পরামর্শ করে এসে তাড়াহুড়ো করে সমাবেশের কার্যক্রম শেষ করে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন। জানা গেছে- ইজি আর্ন এর মৌলভীবাজার প্রধান সেলিমের বাড়ি খুলনা জেলায়। তার পিতা পুলিশের সাবেক এসআই আকরাম। তার নানার বাড়ি মৌলভীবাজার জেলা সদরের মোকামবাজার (নিতেশ্বর)। নানার নাম ছত্তার মিয়া। নানার বাড়িতে বসবাস করেই সেলিম ইজি আর্ন এর কার্যক্রম চালাচ্ছেন।

সেলিমের প্রধান সহযোগী হিসাবে কাজ করছেন শহরের সার্কিট হাউস এলাকার বাবুল ড্রাইভার এর পুত্র রুমেল এবং হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার নাগরিক (সাবেক তিয়ানশি) স্বর্ণা নামীয় এক নারী। তাদেরকে নিয়ন্ত্রণ করেন ঢাকার উত্তরার বাসিন্দা সেলিম ও আলী হোসেন তালুকদার। আর, ঢাকাইয়া সেলিম ও আলী হোসেনকে নিয়ন্ত্রণ করেন ঢাকারই বাসিন্দা মিলণ। মৌলভীবাজারে সেলিম, রুমেল ও স্বর্ণার নেতৃত্বে ইজি আর্ন এর গ্রাহক রয়েছেন আনুমানিক অর্ধসহস্র এবং প্রতিদিনই বাড়ছে তাদের গ্রাহক সংখ্যা।

বেকারত্বের দূর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে অনলাইনে ইনকামসহ অত্যন্ত লোভনীয় সুযোগ-সুবিধা প্রদানের নামে মৌলভীবাজারে দীর্ঘদিন ধরে চলছে ইজি আর্ন নামের এ ডিজিটাল প্রতারণা। এনড্রয়েড ফোন দিয়ে ইজি আর্ন ডাউনলোড করুন, নগদ ২০ ডলার দিয়ে রেজিষ্টেশন করুন, প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা আয় করুন- এসব লোভনীয় কথার ফুলঝুরি ছড়িয়ে প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত সদস্য সংগ্রহ করছে তারা। তাদের মিষ্টি কথায় ভুলে এ ডিজিটাল প্রতারণার ফাঁদে পা দিচ্ছেন সমাজের ধনাট্য ব্যাক্তি থেকে শুরু করে নিম্ন আয়ের সাধারন লোকজনও।

প্রতারকরা হাতে কলমে নিজ দায়িত্বে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদেরকে টাকা উপার্জন ও উত্তোলন করে দেয়ার শতভাগ নিশ্চয়তা দিয়ে সদস্য সংগ্রহ করছে এবং রেজিষ্ট্রেশনের নামে মাথাপিছু ২০ ডলার করে হাতিয়ে নিচ্ছে। প্রমান হিসাবে তাদের সাজানো লোকদেরকে দেখিয়ে বলছে- উনাকে জিঙ্গাসা করে দেখুন উনি গত মাসে, গত সপ্তাহে ও প্রতিদিন কত ডলার ইনকাম করছেন। সাজানো সদস্যরা বলে- আমি এইমাত্র ১০ হাজার টাকা পেলাম, মাত্র ৫ মিনিটে ৫ শত টাকা পেলাম, ফেসবুকে ৫ মিনিটে ১৫ শত টাকা পেলাম, ৫ শত টাকা ফ্লেক্সিলোড পেলাম, ১ হাজার টাকা বিকাশ একাউন্টে জমা হয়েছে, ২০ হাজার টাকা বিকাশ একাউন্ট থেকে তুললাম।

আপনিও আমাদের মত ২০ ডলার দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করুন এবং ঘরে বসেই ৫ হাজার টাকা থেকে ৩৫ হাজার টাকা উপার্জন করুন। কোন কোন ক্ষেত্রে কেউ কেউ তাদের কথামত কাজ করে ২ থেকে ৪ হাজার টাকা ইনকাম করেছেন বলেও প্রমান পাওয়া যায়। কিন্তু, প্রকৃতপক্ষে এমনটি করা হয় মানুষের মনে বিশ্বাস জন্মানোর জন্য- যাতে মানুষ ইজি আর্ন এর প্রতি আস্থাশীল হয়ে উঠতে পারেন। আসলে এ সবকিছুই প্রতারণার নতুন কৌশলমাত্র। প্রসঙ্গত: বিগত দিনের অনেক ঘটনাই অনেকের জানা আছে।

টাকা লগ্নি করে সর্বশান্ত হবার পর লগ্নীকৃত টাকা আদায়ের জন্য রাজপথে মানবন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসুচি পালণ এবং আদালতে মামলা-মোকদ্দমা করেও সেই টাকা আদায় করতে না পেরে ক্ষতিগ্রস্থ অনেকে পথের ভিখারী হয়েছেন। ইতিপূর্বে ইউনিপে-টু-ইউ, স্পিক এশিয়া, ডেসটিনি ২০০০, যুবক, নিউওয়ে, বিসিআই, কাজল, আইটিসিএল, আর্থ ফাউন্ডেশন, প্রভাতি, জিজিএন এর মত যেসব মাল্টিলেভেল মার্কেটিং কোম্পানি এবং এনজিও নামের হায় হায় কোম্পানী মানুষের কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে পলাতক অথবা উধাও হয়ে গেছে, সেসব প্রতারক কোম্পানীর লোকজনেরাই এখন আউটসোর্সিং এর আড়ালে ইজি আর্ন নামীয় নতুন কৌশলে সারাদেশে ডিজিটাল প্রতারনার ফাঁদ পেতে চলেছে।

বিষয়টিকে বিশ্বসযোগ্য করার জন্য গত কয়েকদিন ধরে স্থানীয় এমসিএস নামীয় ক্যাবল নেটওয়ার্কেও যোগাযোগের নাম-ঠিকানা ছাড়াই ইজি আর্ন এর বিজ্ঞাপণ প্রচারিত হচ্ছে। কাজেই ইজি আর্ন নামীয় ডিজিটাল প্রতারণার ব্যাপারে সাবধান। তা না হলে কেউ যখন প্রতারিত হয়েছেন বলে বুঝবেন, তখন আর তিনি সংশোধিত হবার সময় পাবেন না। এ ব্যাপারে আলাপ করলে আজ ৯ নভেম্বর সকাল ১১:১১টায় মৌলভীবাজার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহজালাল বলেন- বিষয়টি তিনি অবগত হয়েছেন এবং এ ব্যাপারে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দিয়েছেন।

লেখাটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন:

সর্বশেষ আপডেট



» পুলিশের সফলতার পেছনে সাধারন মানুষের ভূমিকা ব্যাপক -ওসি কামাল উদ্দীন

» আলীরটেকের বেহাল সড়কগুলো সংস্কারে উদ্দ্যোগ নেই চেয়ারম্যানের

» মৌলভীবাজারে উদ্ভাবকের খোঁজে বিষয়ক প্রেস বিফিং

» গলাচিপায় অবরোধ শেষ হলেও চাল পাননি ৬৫০২ জেলে

» কক্সবাজারের সাংবাদিকের উপর হামলার প্রতিবাদে ঝিনাইদহে মানববন্ধন

» ঝিনাইদহে জেলা ব্র্যান্ডিং, কিশোর বাতায়ন প্রতিযোগীতা বিষয়ে তথ্য অফিসের সংবাদ সম্মেলন

» ঝিনাইদহে জাতীয় স্যানিটেশন মাস অক্টোবর ও বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত

» মাটিতে মিশে গেছে গঙ্গামতি সৈকতের প্রবশদ্বারের একমাত্র রাস্তা

» বান্দরবানে ই-সেবা কার্যক্রম অবহিতকরন উপলক্ষে সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্টিত

» বান্দরবানে অনুপ্রবেশকারীর রোধকল্পে সচেতন মুলক কর্মশালা অনুষ্টিত

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন






Loading…

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
Email: kuakataonline@gmail.com
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন: + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
,

ডিজিটাল প্রতারণার ফাঁদ ইজি আর্ন এর কর্নধার সেলিম

মশাহিদ আহমদ,মৌলভীবাজার: ইজি আর্ন এর ডিজিটাল প্রতারণার সংবাদ বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত হবার পরদিনই গত ৬ নভেম্বর তারা মৌলভীবাজার শহরের চৌমোহনা থেকে গা ঢাকা দিয়ে নতুন অবস্থান থেকে কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করেছে। এর পরদিন গত ৭ নভেম্বর রাত সাড়ে ৮: ৫০ টায় ইজি আর্ন এর মৌলভীবাজার প্রধান সেলিম (সাবেক তিয়ানশি) মৌলভীবাজার অনলাইন প্রেসক্লাবে এসে প্রেসক্লাবের আহবায়ক সাংবাদিক মশাহিদ আহমদের সাথে সমঝোতার চেষ্টা চালান।

এসময় সাংবাদিক মশাহিদ আহমদের প্রশ্নের জবাবে ইজি আর্ন এর সরকারী অনুমোদন নেই স্বীকার করে সেলিম বলেন, প্রয়োজন আইন মানেনা। সরকারী অনুমোদন না থাকলেও আমরা অবৈধ কিছু করছিনা। এর পরদিন গত ৮ নভেম্বর রাত ৮টায় শহরের কুসুমবাগ এলাকার হোটেল রেস্ট ইন-এ গ্রাহক সমাবেশ করে, প্রচারিত সংবাদের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের চেষ্টা চালায়। ওই সমাবেশে উপস্থিত গ্রাহকদেরকে মনভুলানো নানা বক্তব্য দিয়ে আশ্বস্থ করার চেষ্টা চেষ্টায় বলা হয়েছে, প্রকাশিত সংবাদটি সঠিক নয় এবং ওই সংবাদে বিভ্রান্ত না হবার জন্য সবাইকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এর আগে, উক্ত গ্রাহক সমাবেশে কয়েকজন সাংবাদিকের উপস্থিতি টের পেয়ে ইজি আর্ন এর কর্নধাররা উপস্থিত গ্রহকদেরকে বসিয়ে রেখে পার্শ্ববর্তী কলাপাতা রেষ্টুরেন্টে গিয়ে গোপন শলা-পরামর্শ করে এসে তাড়াহুড়ো করে সমাবেশের কার্যক্রম শেষ করে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন। জানা গেছে- ইজি আর্ন এর মৌলভীবাজার প্রধান সেলিমের বাড়ি খুলনা জেলায়। তার পিতা পুলিশের সাবেক এসআই আকরাম। তার নানার বাড়ি মৌলভীবাজার জেলা সদরের মোকামবাজার (নিতেশ্বর)। নানার নাম ছত্তার মিয়া। নানার বাড়িতে বসবাস করেই সেলিম ইজি আর্ন এর কার্যক্রম চালাচ্ছেন।

সেলিমের প্রধান সহযোগী হিসাবে কাজ করছেন শহরের সার্কিট হাউস এলাকার বাবুল ড্রাইভার এর পুত্র রুমেল এবং হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার নাগরিক (সাবেক তিয়ানশি) স্বর্ণা নামীয় এক নারী। তাদেরকে নিয়ন্ত্রণ করেন ঢাকার উত্তরার বাসিন্দা সেলিম ও আলী হোসেন তালুকদার। আর, ঢাকাইয়া সেলিম ও আলী হোসেনকে নিয়ন্ত্রণ করেন ঢাকারই বাসিন্দা মিলণ। মৌলভীবাজারে সেলিম, রুমেল ও স্বর্ণার নেতৃত্বে ইজি আর্ন এর গ্রাহক রয়েছেন আনুমানিক অর্ধসহস্র এবং প্রতিদিনই বাড়ছে তাদের গ্রাহক সংখ্যা।

বেকারত্বের দূর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে অনলাইনে ইনকামসহ অত্যন্ত লোভনীয় সুযোগ-সুবিধা প্রদানের নামে মৌলভীবাজারে দীর্ঘদিন ধরে চলছে ইজি আর্ন নামের এ ডিজিটাল প্রতারণা। এনড্রয়েড ফোন দিয়ে ইজি আর্ন ডাউনলোড করুন, নগদ ২০ ডলার দিয়ে রেজিষ্টেশন করুন, প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা আয় করুন- এসব লোভনীয় কথার ফুলঝুরি ছড়িয়ে প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত সদস্য সংগ্রহ করছে তারা। তাদের মিষ্টি কথায় ভুলে এ ডিজিটাল প্রতারণার ফাঁদে পা দিচ্ছেন সমাজের ধনাট্য ব্যাক্তি থেকে শুরু করে নিম্ন আয়ের সাধারন লোকজনও।

প্রতারকরা হাতে কলমে নিজ দায়িত্বে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদেরকে টাকা উপার্জন ও উত্তোলন করে দেয়ার শতভাগ নিশ্চয়তা দিয়ে সদস্য সংগ্রহ করছে এবং রেজিষ্ট্রেশনের নামে মাথাপিছু ২০ ডলার করে হাতিয়ে নিচ্ছে। প্রমান হিসাবে তাদের সাজানো লোকদেরকে দেখিয়ে বলছে- উনাকে জিঙ্গাসা করে দেখুন উনি গত মাসে, গত সপ্তাহে ও প্রতিদিন কত ডলার ইনকাম করছেন। সাজানো সদস্যরা বলে- আমি এইমাত্র ১০ হাজার টাকা পেলাম, মাত্র ৫ মিনিটে ৫ শত টাকা পেলাম, ফেসবুকে ৫ মিনিটে ১৫ শত টাকা পেলাম, ৫ শত টাকা ফ্লেক্সিলোড পেলাম, ১ হাজার টাকা বিকাশ একাউন্টে জমা হয়েছে, ২০ হাজার টাকা বিকাশ একাউন্ট থেকে তুললাম।

আপনিও আমাদের মত ২০ ডলার দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করুন এবং ঘরে বসেই ৫ হাজার টাকা থেকে ৩৫ হাজার টাকা উপার্জন করুন। কোন কোন ক্ষেত্রে কেউ কেউ তাদের কথামত কাজ করে ২ থেকে ৪ হাজার টাকা ইনকাম করেছেন বলেও প্রমান পাওয়া যায়। কিন্তু, প্রকৃতপক্ষে এমনটি করা হয় মানুষের মনে বিশ্বাস জন্মানোর জন্য- যাতে মানুষ ইজি আর্ন এর প্রতি আস্থাশীল হয়ে উঠতে পারেন। আসলে এ সবকিছুই প্রতারণার নতুন কৌশলমাত্র। প্রসঙ্গত: বিগত দিনের অনেক ঘটনাই অনেকের জানা আছে।

টাকা লগ্নি করে সর্বশান্ত হবার পর লগ্নীকৃত টাকা আদায়ের জন্য রাজপথে মানবন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসুচি পালণ এবং আদালতে মামলা-মোকদ্দমা করেও সেই টাকা আদায় করতে না পেরে ক্ষতিগ্রস্থ অনেকে পথের ভিখারী হয়েছেন। ইতিপূর্বে ইউনিপে-টু-ইউ, স্পিক এশিয়া, ডেসটিনি ২০০০, যুবক, নিউওয়ে, বিসিআই, কাজল, আইটিসিএল, আর্থ ফাউন্ডেশন, প্রভাতি, জিজিএন এর মত যেসব মাল্টিলেভেল মার্কেটিং কোম্পানি এবং এনজিও নামের হায় হায় কোম্পানী মানুষের কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে পলাতক অথবা উধাও হয়ে গেছে, সেসব প্রতারক কোম্পানীর লোকজনেরাই এখন আউটসোর্সিং এর আড়ালে ইজি আর্ন নামীয় নতুন কৌশলে সারাদেশে ডিজিটাল প্রতারনার ফাঁদ পেতে চলেছে।

বিষয়টিকে বিশ্বসযোগ্য করার জন্য গত কয়েকদিন ধরে স্থানীয় এমসিএস নামীয় ক্যাবল নেটওয়ার্কেও যোগাযোগের নাম-ঠিকানা ছাড়াই ইজি আর্ন এর বিজ্ঞাপণ প্রচারিত হচ্ছে। কাজেই ইজি আর্ন নামীয় ডিজিটাল প্রতারণার ব্যাপারে সাবধান। তা না হলে কেউ যখন প্রতারিত হয়েছেন বলে বুঝবেন, তখন আর তিনি সংশোধিত হবার সময় পাবেন না। এ ব্যাপারে আলাপ করলে আজ ৯ নভেম্বর সকাল ১১:১১টায় মৌলভীবাজার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহজালাল বলেন- বিষয়টি তিনি অবগত হয়েছেন এবং এ ব্যাপারে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দিয়েছেন।

লেখাটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Loading…

সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
Email: kuakataonline@gmail.com
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন: + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com