২৫ থেকে ৩০ ফেইক আইডি ব্যবহার করে ছড়ানো হচ্ছে বিভ্রান্তি

হাবিব সরোয়ার আজাদ,তাহিরপুর প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের বাদাঘাটে চুরির অপবাদ দিয়ে নির্যাতন করে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে এক যুবকের মুখে বিষ ঢেলে হত্যার পর বিষয়টি ধামপাচাঁপা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। নিহত যুবকের নাম মানিক মিয়া (২০)। সে উপজেলার বারহাল গ্রামের ছাত্তার মিয়ার ছেলে ও বাজারের পান দোকানদার। এ ঘটনায় আলেচিত কিলার ফ্যামিলির ১১ জন অভিযুক্ত আসামীকে রক্ষায় ও পুলিশী তদন্তকাজে সৃষ্টির জন্য “শারমিন চৌধুরী” নামের এক রহস্যময়ী নারী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জন প্রতিনিধি ও তাহিরপুরে পেশাগত দায়িত্বপালকারী বেশ ক’জন সাংবাদিককে হুমকি প্রদান, গালি গালাজ সহ অহরহ মামলার হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। প্রশ্ন উঠেছে ওই আইডি ব্যবহার কারী পুরুষ না মহিলা, এ নিয়েও চলছে নানা মুখরোচক আলোচনা।’

পুলিশ জানায়, মানিককে ১ নভেম্বর মঙ্গলবার রাতে চোর শনাক্ত করনেচাল পড়া ও মানসিক চাঁপ সৃষ্টির পাশাপাশী নির্যাতন করে বিষপানে আত্বহত্যার প্ররোচনায় বাধ্য করা হয়। ওই ঘটনায়, উপজেলার বড়দল উওর ইউনিয়নের যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক ও বণিক সমিতির সাধারন সম্পাদক পৈলনপুর গ্রামের মাসুক মিয়া,তার ১০ সহযোগীর বিরুদ্ধে নিহত মানিকের সহোদর রতন বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার রাতে এ মামলা দায়ের করেছেন। এদিকে এ মর্মান্তিক ঘটনা গোটা জেলা ও বিভিন্ন উপজেলার ব্যবসাযী , সুশীল সমাজের লোকজনের পক্ষ থেকে নিরব শোক আর নিন্দার ঝড় বইলেও ঘটনার ৯ দিন পেরিয়ে গেলেও পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত কাউকেই গ্রেফতার করতে পারেনি।

উল্ল্যেখযে, বাদাঘাট বাজারের শফিকুলের দোকান থেকে মঙ্গলবার রাতে ৭০ হাজার টাকা চুরি হয়। চোর সন্দেহে হতদরিদ্র মানিক সহ ৫ জনকে চাল পড়া খেতে দেয়া হলে সে চাল ভাঙ্গতে না পারায় বাজারের শতাধিক ব্যবসায়ীর উপস্থিতিতে তাকে চোর বলে চিহ্নিত করে। এরপর সালিশ বৈঠকে যুবলীগ নেতা মাসুক তার লোকজন নিয়ে এসে মানিককে রাতে বণিক সমিতির অফিস কিংবা কাপড় পট্টির একটি দোকানে নিয়ে দরজা বন্ধ করে নির্যাতন করে। আহত মানিক মিয়াকে জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হলে পথেই মারা যায়। এদিকে যাদের বিরুদ্ধে মানিক হত্যার অভিযোগ উঠেছে, তার হাতেই লাঞ্চিত হয় বড়দল উওর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আ’লীগ নেতা জামাল উদ্দিন ও তার ভাতিজা তারেক আল মামুন।

পৈলনপুর গ্রামের ব্যবসায়ী আবুল কালাম আজাদকে মারধোর করে ওই চক্র একবার হাত ভেঙ্গে দেয়। যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাহিদ উদ্দিনকেও মৌখিক ভাবে লাঞ্চিত করে ওই চক্রটি। এছাড়াও তাদের কিছু লোকের সুদ বাণিজ্যের কারনে বাজারের অনেক ব্যবসায়ী আজ পথের ফকির। বাজারে দূর্বলের ভিট দখল , নীজ গ্রাম পৈলনপুওে সংখ্যালঘু নির্যাতন, জায়গা দখল, নিরীহ মানুষকে মারধর করাটা তাদের নিত্যনৈমক্তিক কাজ। এদিকে মানিক খুনের পর থেকে স্থানীয় সাংবাদিকরা লেখালেখির কারনে মাসুক গংরা অব্যাহত ভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কাউকে কাউকে সরাসরি দেখা করে এলাকাছাড়া করা এমনকি প্রাণ নাশের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

অন্যদিকে “ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে “শারমিন চৌধুরী” নামে এক ফেসবুক আইডি খুলে আসামীদের রক্ষায় উল্টো জনপ্রতিনিধি, ও মুলধারার সাংবাদিকদের উল্টো মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়া ছাড়াও অহরহ গালি গালাজ করছে। এক অনুসন্ধানে জানা যায়, গত প্রায় ৩ বছরেরও অধিক সময় ধরে তাহিরপুর ও সুনামগঞ্জের নামে কমপক্ষে ২৫ থেকে ৩০টি ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলে বিভিন্ন ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, খুনী, চোরাচালানীদের রক্ষায় বিভ্রান্তি ছড়ানোর মুল ভুমিকায় রয়েছে রহস্যময়ী নারী “শারমিন চৌধুরী।’

এদিকে কিছুটা কৌশলে মুল ধারার সাংবাদিকরা ফাঁদ পেতে ওই শারমিন চৌধুরীর ইতিপুর্বে ও বর্তমান সময়ে তার ও তার সহযোগীদের ব্যবহ্নত ২৫ থেকে ৩০টি ভুয়া আইডির সন্ধান পায়। আইডিগুলো হল, তাহিরপুরের সম্রাট,তাহিরপুরের আলো,ক্রাইম ক্রাইম,পাহাড়ি বন্যা,তাহিরপুর বিডিলাইভ রিপোর্ট, দৈনিক তাহিরপুরের ডাক, দৈনিক বাদাঘাটের সংবাদ, টর্নেডো বার্তা, আনোয়ারপুর বার্তা , দৈনিক শ্রীপুর নিউজ-তাহিরপুর, তাহিরপুর নিউজ,বড়ছড়ার কন্ঠ, তাহিরপুরের গরম খবর, তাহিরপুর সীমান্তের সংবাদ, দৈনিক তাহিরপুরের কণ্ঠস্বর, সিমান্তেরর কন্ঠ, তাহিরপুর সীমান্তের সংবাদ,তাহিরপুরের খবর, তাহিরপুরের টপ নিউজ,তাহিরপুর এক্সপ্রেস।

এছাড়াও এ চক্রটি একাধিক সিম ও একাধিক মেইল দিয়ে ভুয়া আইডি খুলে সালন মানুষের জননিরাপক্তার বিষয়গুলো হেয় প্রতিপন্ন করার অপচেষ্ঠায় লিপ্ত করেছে। এদিকে পাতানো ফাঁদে পা রাখতে গিয়ে ওই আইডির ব্যবহারকারী দু,সহোদর দ্বীর্ঘ ৪ বছর পর মুঠোফোনে কথা বলতে গিয়ে মূল ধারার একাধিক সাংবাদিকেরজালে ধরা পড়ল।

জানা গেছে, ওই আইডি গুলোর ব্যবহারকারী হল তাহিরপুর উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়া আলেনা বেগম ও রব ভুইয়া নামের দম্পতির ছেলে এসিড মামলার পলাতক আসামী মোজাজ্জেমল আলম ভুইয়া ও তার সহোদর জাহাঙ্গীর আলম ভুইয়ার। অভিযোগ রয়েছে এরা ভুয়া আইডি ব্যবহার করে বিভিন্ন লোকজনের সম্মানহানির হুমকি দিয়ে দ্বীর্ঘ দিন ধরেই চোরাচালানী চক্রের পাশাপাশী নিরীহ লোকজনের নিকট থেকেও চাঁদাবাজি করে আসছে।’মানবকন্ঠের জেলা প্রতিনিধি শাহজাহান চৌধুরী জানান, মোজাম্মেল- –জাহাঙ্গীর মানব কন্ঠের সাংবাদিক না হয়েও গাড়িতে পত্রিকার স্টীকার লাগিয়ে প্রভাব বিস্তার ও বিভিন্ন খেয়াঘাটে টোল পরিশোধ না করে উল্টো দাপট দেখায় বলে অনেকেই অভিযোগ করেছেন।’

জয়নাল আবেদীন কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ছায়াদুল কিবরিয়া জানান, মোজাম্মেল উন্মুক্ত পরীক্ষা চলাকালে চাঁদাদাবি ও কলেজের ছাত্রীদেও রাস্তাঘাটে উক্তপ্ত করার কারনে তাহিরপুর সদর বাজাওে কলেজ শিক্ষার্থীরা তাকে গণপিটুনি দেয়।’ এরপর সাংবাদিক বাবরুল হাসান বাবলুর এক আত্বীয় মারা গেলে ওখানে গিয়েও রহস্যজনক মৃত্যু বলে চাঁদাদাবি করলে চরথাপ্পরও কপালে জুঠে তার।’ তাহিরপুরের একদল বিক্ষুদ্ধ যুবক লাকড়ি দিয়ে পিঠিয়ে হোটেলের পেছনে নিয়ে আটকে রাখে।

ওই ঘটনায় ৭দিন হাসপাতাল কোয়ার্টারে আটকে থাকার পর সাংবাদিক আজাদের সহযোগীতায় আলোর মুখ দেখে সে। উজান তাহিরপুর গ্রামের মেয়েদের উক্তপ্ত করার কারনে উপজেলা আ’লীগের সহ সভাপতির লোকজন একদফা গণপিঠুনি দেয়।’সাংবাদিক পরিচয়ে ভিসিডির ক্যাসেট ফাও আনতে গিয়ে ভিসিডি ব্যবসায়ীরা একবার রাম ধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। টেকেরঘাটের লাকমায় গিয়ে পাহাড়ি ছড়ায় নারী শ্রমিকরা কয়লা তুললে সে চাঁদাদাবি করলে এরার তার সহোদর সহ নারীরা বাঁশ দিয়ে পিঠিয়ে তাদেরকে পানিতে ফেলে দেয়। ’ বড়ছড়া শুল্ক ষ্টেশনে বিগত নির্বাচনে জেলার সাংবাদিকদেও নিয়ে বিরুপ মন্তব্য করলে উক্তেজিত জনতা আরেক দফা গণপিঠুনি দিয়ে তার জামা-কাপড় ছিড়ে ফেলে।

পরেএ ঘটনায় জেলার প্রথম সারির ৪ সাংবাদিক সহ ৮ জনের বিরুদ্ধে তার চেইন ছিনতাই,চাঁদাদাবি, টাকার মানিব্যাগ নিয়ে যাওয়া, ও ডিবি ক্যামেড়া ছিনতাইর মিথ্যা মামলা করলে পুলিশী তদন্তে তা মিথ্যা প্রমাণিত হয়। এরপর ক্ষুদ্ধ হয়ে সাংবাদিকের শিশু পুত্রকে এসিড নিক্ষেপ করে। সাংবাদিক হাবিব সরোয়ার আজাদ যুগান্তরে ধারাবাহিক ভাবে সীমান্তের কয়লা চোরাচালান নিয়ে রিপোর্ট করলে প্রায় ৩ কোটি টাকার চোরাই কয়লার চালান বিজিবি- পুলিশ আটক করে। ওই ঘটনায় ২২টি মামলা হয়। এক পর্যায়ে ওই চোরাচালানীরা তার নিকট গেলে পালিয়ে থেকে উস্কানি দিয়ে সাংবাদিক আজাদের বিরুদ্ধে দু’টি মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা করায় যা তদন্তে প্রমাণিত হয়নি।

এসব ভুয়া চাঁদাবাজির মামলাকে পুজি করে মোজাম্মেল ওরফে বিকাশ ফকির মোজা বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টালে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ কওে পিতার রবের ন্যায় গঞ্জিকা কাব্য রচনা করে। তাহিরপুরের লাউড়েরগড় সীমান্ত থেকে বাগলী পর্য্যন্ত বিজিবির ৬টি পয়েন্টে চোরাচালানীদের নিকট থেকে বখরা নেয় সে ও তার ভাই। বখরা না পেলেই সংশ্লিস্ট বিওপির ক্যাম্প কমান্ডার ও বিজিবির ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে দায়িত্বশীলদের উক্তপ্ত করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয় এলাকায় আত্বহত্যাকে রহস্যজনক মৃত্যু,সাধারন মৃত্যুকে অস¦াভাবিক মৃত্যু, নিরীহ মানুষকে চোরাচালানী, আর চোরাচালানীকে সমাজসেবক বানানোর এই কলম কেরানির বিরুদ্ধে রয়েছে বিস্তর অভিযোগ।

বড়দল উওর ইউপি সদস্য সমাট্র মিয়া, বড়ছড়ার ইউপি সদস্য জম্মত আলী, লাকমার তিতু মিয়া, চারাগাঁওর ইউপি সদস্য হাসেন আলী, বাগলীর শাহজাহান খন্দকার বলেন ,এলাকায় কয়লার ব্যবসা বন্ধ, লোকজন পাহাড়ি ছড়ায় পাথর তুলে জীবিকা চালায় এখানেও মাজাম্মেল ও তার ভাই জাহাঙ্গীর চাঁদাদাবি কওে, চাঁদা আদায় করে। চাঁদা না দিলে বিজিবি ক্যাম্পে ফোন করে পাথর উক্তোলন বন্ধ করে দেয় তারা, না হয় বিজিবির অধিনায়ককে দিয়ে চোরাচালানী মামলা করার হুমকি দেয়। কিছুদিন পুর্বে সাংবাদিকের ভগ্নিপতির এক কাজের মেয়েকে ফুসলিয়ে মিথ্যা যৌন হয়রানীর অভিযোগ তুলে চাঁদাদাবি করে, চাদা না দেয়ায় ওই ফেইক আইডিতে আপক্তিকর লিখা শুরু করে।

আর এ কাজে কথিত ভুয়া আ্ইডির ব্যবহারকারী মোজাম্মেল , তার সহোদর জাহাঙ্গীর অপর সহযোগী ইয়াবা ব্যবসায়ী কালু কেমালের সহযোগীতা করে। মোজাম্মেল (০১৭১৫-৬৪৩৮৮৭) থেকে রাতে দু’জন সাংবাদিককে ও তার ভাই জাহাঙ্গীর (০১৭১৪-৬৭৪৭৮১) নং থেকে আরো দু’জন সাংবাদিককে হুমকি দেয়। একটি নির্ভরযোগ্য সুত্রে জানা যায়, তাহিরপুর থানায় এসিড মামলার গ্রেফতারী পরোয়ানাভুক্ত আসামী হিসাবে গত তিন বছর পালিয়ে থেকেও মোজাজ্জেল

জেলা পুলিশের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসন , বিজিবির দায়িত্বশীল কর্মকর্তা, থানা পুলিশের সাথে একাধিক সিম দিয়ে কথোপকতন করে তাদের বক্তব্য ফেইক আইডিতে প্রচার করে জনমনে ভীতির সঞ্চার করে আসছে। তাদের দুই সহোদর অযাচিত ভাবে প্রায় হাজার খানেক ই- মেইল ঠিকানা সংগ্রহ করে জেলা , উপজেলায় কর্মরত প্রিন্ট, অনলাইন নিউজপোর্টাল ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ায় ভুয়া খবর দিয়ে মুল ধারার সংবাদকর্মীদেও পেশাগত দায়িত্ব পালনে বিভ্রান্তিও হয়রানীর অপচেষ্টা করে আসছে। দু’বছর পুর্বে ওই চক্রটি লাউড়েরগড় শাহ আরেফিনের ওরস মোবারকে যুগান্তরের সাংবাদিক হাবিব সরোয়ার আজাদের ব্যবহ্নত ল্যাপটপ, আইডি কার্ড, দুটি মোবাইল ফোন সেট গুরুত্বফ’র্ণ ডকুমেন্ট ছিনতাই করে নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে থানায় জিডি করা হলেও পুলিশ রহস্যজনক কারনে ওইসব ছিনতাইকৃত মালামাল উদ্যারে ব্যার্থ হয়।

জাহাঙ্গীরের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে যোগোযোগ করা হলে, সে বিরুদ্ধে আনসা অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সে তেলে বেগুলে জ্বলে জ্বলে উঠে, সে প্রথমে নিজেকে মানবজমিন পত্রিকার প্রতিনিধি পরিচয় দিলেও পওে বলে আমি একাধিক পত্রিকায় কাজ করি আপনার কয়টা পত্রিকার দরকার। চাঁদাবাজির প্রসঙ্গ এড়িয়ে গিয়ে বলে আমি এসব করিনা, গাড়িতে ষ্টীকার লাগাইনা।’ মোজাম্মেলের বক্তব্য জানতে বুধবার বেলা ১১ টায় মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে সে এ প্রতিবেদকেবলে, আমি তো মামলার কারনে এলাকাতেই নাই, আমার কোন ফেইক আইডিও নাই, এগুলো ষড়যন্ত্র।’

থানার ওসি শ্রী নন্দন কান্তি ধর বলেন, এ ধরণের অপপ্রচার জনমনে সাময়িক বিভ্রান্তি ছড়াতে পারে, তবে মামলার তদন্ত কাজে কোন বিঘ ঘটবেনা।’ ফেইক আইডি বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। মোজাম্মেল বর্তমানে এসিড মামলায় পলাতক রয়েছে তাকে গ্রেফতারে পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।’ জেলা গোয়েন্দা সংস্থার এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা নাম গোপন রাখার শর্তে জানান, ফেইক আইডি গুলো সম্পর্কে খোঁজ খবর নেয়া হচ্ছে, শ্রীঘ্রই এরা আইনের জালে বন্ধী হবে।

লেখাটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন:

সর্বশেষ আপডেট



» থিয়েটার এসোসিয়েশন’র কমিটি গঠন খুরশীদ আলম সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক কবির উদ্দিন

» ফতুল্লায় বিয়ের প্রলোভনে আরবী শিক্ষিকাকে ধর্ষন

» ফতুল্লায় ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার-২

» ফতুল্লায় মডেল হতে না দেয়ায়….!

» এখনও ধরা পড়েনি অস্ত্রধারী নিয়াজুল

» চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেয়া হয়েছে আইভীকে

» মেয়র আইভির চিকিৎসায় পাঁচ সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড গঠন

» নারায়নগঞ্জের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী ক্ষুব্ধ, দল বিব্রত

» মাদকাসক্ত হয়ে বাবা-মায়ের খুনি আর কোনো ঐশী তৈরি হোক আমরা চাই না-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

» মাদক ব্যবসায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই গাজীপুরের টঙ্গীতে আক্তার ও মিমকে হত্যা

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন




ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
Email: kuakataonline@gmail.com
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
,

২৫ থেকে ৩০ ফেইক আইডি ব্যবহার করে ছড়ানো হচ্ছে বিভ্রান্তি

হাবিব সরোয়ার আজাদ,তাহিরপুর প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের বাদাঘাটে চুরির অপবাদ দিয়ে নির্যাতন করে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে এক যুবকের মুখে বিষ ঢেলে হত্যার পর বিষয়টি ধামপাচাঁপা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। নিহত যুবকের নাম মানিক মিয়া (২০)। সে উপজেলার বারহাল গ্রামের ছাত্তার মিয়ার ছেলে ও বাজারের পান দোকানদার। এ ঘটনায় আলেচিত কিলার ফ্যামিলির ১১ জন অভিযুক্ত আসামীকে রক্ষায় ও পুলিশী তদন্তকাজে সৃষ্টির জন্য “শারমিন চৌধুরী” নামের এক রহস্যময়ী নারী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জন প্রতিনিধি ও তাহিরপুরে পেশাগত দায়িত্বপালকারী বেশ ক’জন সাংবাদিককে হুমকি প্রদান, গালি গালাজ সহ অহরহ মামলার হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। প্রশ্ন উঠেছে ওই আইডি ব্যবহার কারী পুরুষ না মহিলা, এ নিয়েও চলছে নানা মুখরোচক আলোচনা।’

পুলিশ জানায়, মানিককে ১ নভেম্বর মঙ্গলবার রাতে চোর শনাক্ত করনেচাল পড়া ও মানসিক চাঁপ সৃষ্টির পাশাপাশী নির্যাতন করে বিষপানে আত্বহত্যার প্ররোচনায় বাধ্য করা হয়। ওই ঘটনায়, উপজেলার বড়দল উওর ইউনিয়নের যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক ও বণিক সমিতির সাধারন সম্পাদক পৈলনপুর গ্রামের মাসুক মিয়া,তার ১০ সহযোগীর বিরুদ্ধে নিহত মানিকের সহোদর রতন বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার রাতে এ মামলা দায়ের করেছেন। এদিকে এ মর্মান্তিক ঘটনা গোটা জেলা ও বিভিন্ন উপজেলার ব্যবসাযী , সুশীল সমাজের লোকজনের পক্ষ থেকে নিরব শোক আর নিন্দার ঝড় বইলেও ঘটনার ৯ দিন পেরিয়ে গেলেও পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত কাউকেই গ্রেফতার করতে পারেনি।

উল্ল্যেখযে, বাদাঘাট বাজারের শফিকুলের দোকান থেকে মঙ্গলবার রাতে ৭০ হাজার টাকা চুরি হয়। চোর সন্দেহে হতদরিদ্র মানিক সহ ৫ জনকে চাল পড়া খেতে দেয়া হলে সে চাল ভাঙ্গতে না পারায় বাজারের শতাধিক ব্যবসায়ীর উপস্থিতিতে তাকে চোর বলে চিহ্নিত করে। এরপর সালিশ বৈঠকে যুবলীগ নেতা মাসুক তার লোকজন নিয়ে এসে মানিককে রাতে বণিক সমিতির অফিস কিংবা কাপড় পট্টির একটি দোকানে নিয়ে দরজা বন্ধ করে নির্যাতন করে। আহত মানিক মিয়াকে জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হলে পথেই মারা যায়। এদিকে যাদের বিরুদ্ধে মানিক হত্যার অভিযোগ উঠেছে, তার হাতেই লাঞ্চিত হয় বড়দল উওর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আ’লীগ নেতা জামাল উদ্দিন ও তার ভাতিজা তারেক আল মামুন।

পৈলনপুর গ্রামের ব্যবসায়ী আবুল কালাম আজাদকে মারধোর করে ওই চক্র একবার হাত ভেঙ্গে দেয়। যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাহিদ উদ্দিনকেও মৌখিক ভাবে লাঞ্চিত করে ওই চক্রটি। এছাড়াও তাদের কিছু লোকের সুদ বাণিজ্যের কারনে বাজারের অনেক ব্যবসায়ী আজ পথের ফকির। বাজারে দূর্বলের ভিট দখল , নীজ গ্রাম পৈলনপুওে সংখ্যালঘু নির্যাতন, জায়গা দখল, নিরীহ মানুষকে মারধর করাটা তাদের নিত্যনৈমক্তিক কাজ। এদিকে মানিক খুনের পর থেকে স্থানীয় সাংবাদিকরা লেখালেখির কারনে মাসুক গংরা অব্যাহত ভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কাউকে কাউকে সরাসরি দেখা করে এলাকাছাড়া করা এমনকি প্রাণ নাশের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

অন্যদিকে “ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে “শারমিন চৌধুরী” নামে এক ফেসবুক আইডি খুলে আসামীদের রক্ষায় উল্টো জনপ্রতিনিধি, ও মুলধারার সাংবাদিকদের উল্টো মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়া ছাড়াও অহরহ গালি গালাজ করছে। এক অনুসন্ধানে জানা যায়, গত প্রায় ৩ বছরেরও অধিক সময় ধরে তাহিরপুর ও সুনামগঞ্জের নামে কমপক্ষে ২৫ থেকে ৩০টি ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলে বিভিন্ন ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, খুনী, চোরাচালানীদের রক্ষায় বিভ্রান্তি ছড়ানোর মুল ভুমিকায় রয়েছে রহস্যময়ী নারী “শারমিন চৌধুরী।’

এদিকে কিছুটা কৌশলে মুল ধারার সাংবাদিকরা ফাঁদ পেতে ওই শারমিন চৌধুরীর ইতিপুর্বে ও বর্তমান সময়ে তার ও তার সহযোগীদের ব্যবহ্নত ২৫ থেকে ৩০টি ভুয়া আইডির সন্ধান পায়। আইডিগুলো হল, তাহিরপুরের সম্রাট,তাহিরপুরের আলো,ক্রাইম ক্রাইম,পাহাড়ি বন্যা,তাহিরপুর বিডিলাইভ রিপোর্ট, দৈনিক তাহিরপুরের ডাক, দৈনিক বাদাঘাটের সংবাদ, টর্নেডো বার্তা, আনোয়ারপুর বার্তা , দৈনিক শ্রীপুর নিউজ-তাহিরপুর, তাহিরপুর নিউজ,বড়ছড়ার কন্ঠ, তাহিরপুরের গরম খবর, তাহিরপুর সীমান্তের সংবাদ, দৈনিক তাহিরপুরের কণ্ঠস্বর, সিমান্তেরর কন্ঠ, তাহিরপুর সীমান্তের সংবাদ,তাহিরপুরের খবর, তাহিরপুরের টপ নিউজ,তাহিরপুর এক্সপ্রেস।

এছাড়াও এ চক্রটি একাধিক সিম ও একাধিক মেইল দিয়ে ভুয়া আইডি খুলে সালন মানুষের জননিরাপক্তার বিষয়গুলো হেয় প্রতিপন্ন করার অপচেষ্ঠায় লিপ্ত করেছে। এদিকে পাতানো ফাঁদে পা রাখতে গিয়ে ওই আইডির ব্যবহারকারী দু,সহোদর দ্বীর্ঘ ৪ বছর পর মুঠোফোনে কথা বলতে গিয়ে মূল ধারার একাধিক সাংবাদিকেরজালে ধরা পড়ল।

জানা গেছে, ওই আইডি গুলোর ব্যবহারকারী হল তাহিরপুর উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়া আলেনা বেগম ও রব ভুইয়া নামের দম্পতির ছেলে এসিড মামলার পলাতক আসামী মোজাজ্জেমল আলম ভুইয়া ও তার সহোদর জাহাঙ্গীর আলম ভুইয়ার। অভিযোগ রয়েছে এরা ভুয়া আইডি ব্যবহার করে বিভিন্ন লোকজনের সম্মানহানির হুমকি দিয়ে দ্বীর্ঘ দিন ধরেই চোরাচালানী চক্রের পাশাপাশী নিরীহ লোকজনের নিকট থেকেও চাঁদাবাজি করে আসছে।’মানবকন্ঠের জেলা প্রতিনিধি শাহজাহান চৌধুরী জানান, মোজাম্মেল- –জাহাঙ্গীর মানব কন্ঠের সাংবাদিক না হয়েও গাড়িতে পত্রিকার স্টীকার লাগিয়ে প্রভাব বিস্তার ও বিভিন্ন খেয়াঘাটে টোল পরিশোধ না করে উল্টো দাপট দেখায় বলে অনেকেই অভিযোগ করেছেন।’

জয়নাল আবেদীন কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ছায়াদুল কিবরিয়া জানান, মোজাম্মেল উন্মুক্ত পরীক্ষা চলাকালে চাঁদাদাবি ও কলেজের ছাত্রীদেও রাস্তাঘাটে উক্তপ্ত করার কারনে তাহিরপুর সদর বাজাওে কলেজ শিক্ষার্থীরা তাকে গণপিটুনি দেয়।’ এরপর সাংবাদিক বাবরুল হাসান বাবলুর এক আত্বীয় মারা গেলে ওখানে গিয়েও রহস্যজনক মৃত্যু বলে চাঁদাদাবি করলে চরথাপ্পরও কপালে জুঠে তার।’ তাহিরপুরের একদল বিক্ষুদ্ধ যুবক লাকড়ি দিয়ে পিঠিয়ে হোটেলের পেছনে নিয়ে আটকে রাখে।

ওই ঘটনায় ৭দিন হাসপাতাল কোয়ার্টারে আটকে থাকার পর সাংবাদিক আজাদের সহযোগীতায় আলোর মুখ দেখে সে। উজান তাহিরপুর গ্রামের মেয়েদের উক্তপ্ত করার কারনে উপজেলা আ’লীগের সহ সভাপতির লোকজন একদফা গণপিঠুনি দেয়।’সাংবাদিক পরিচয়ে ভিসিডির ক্যাসেট ফাও আনতে গিয়ে ভিসিডি ব্যবসায়ীরা একবার রাম ধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। টেকেরঘাটের লাকমায় গিয়ে পাহাড়ি ছড়ায় নারী শ্রমিকরা কয়লা তুললে সে চাঁদাদাবি করলে এরার তার সহোদর সহ নারীরা বাঁশ দিয়ে পিঠিয়ে তাদেরকে পানিতে ফেলে দেয়। ’ বড়ছড়া শুল্ক ষ্টেশনে বিগত নির্বাচনে জেলার সাংবাদিকদেও নিয়ে বিরুপ মন্তব্য করলে উক্তেজিত জনতা আরেক দফা গণপিঠুনি দিয়ে তার জামা-কাপড় ছিড়ে ফেলে।

পরেএ ঘটনায় জেলার প্রথম সারির ৪ সাংবাদিক সহ ৮ জনের বিরুদ্ধে তার চেইন ছিনতাই,চাঁদাদাবি, টাকার মানিব্যাগ নিয়ে যাওয়া, ও ডিবি ক্যামেড়া ছিনতাইর মিথ্যা মামলা করলে পুলিশী তদন্তে তা মিথ্যা প্রমাণিত হয়। এরপর ক্ষুদ্ধ হয়ে সাংবাদিকের শিশু পুত্রকে এসিড নিক্ষেপ করে। সাংবাদিক হাবিব সরোয়ার আজাদ যুগান্তরে ধারাবাহিক ভাবে সীমান্তের কয়লা চোরাচালান নিয়ে রিপোর্ট করলে প্রায় ৩ কোটি টাকার চোরাই কয়লার চালান বিজিবি- পুলিশ আটক করে। ওই ঘটনায় ২২টি মামলা হয়। এক পর্যায়ে ওই চোরাচালানীরা তার নিকট গেলে পালিয়ে থেকে উস্কানি দিয়ে সাংবাদিক আজাদের বিরুদ্ধে দু’টি মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা করায় যা তদন্তে প্রমাণিত হয়নি।

এসব ভুয়া চাঁদাবাজির মামলাকে পুজি করে মোজাম্মেল ওরফে বিকাশ ফকির মোজা বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টালে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ কওে পিতার রবের ন্যায় গঞ্জিকা কাব্য রচনা করে। তাহিরপুরের লাউড়েরগড় সীমান্ত থেকে বাগলী পর্য্যন্ত বিজিবির ৬টি পয়েন্টে চোরাচালানীদের নিকট থেকে বখরা নেয় সে ও তার ভাই। বখরা না পেলেই সংশ্লিস্ট বিওপির ক্যাম্প কমান্ডার ও বিজিবির ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে দায়িত্বশীলদের উক্তপ্ত করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয় এলাকায় আত্বহত্যাকে রহস্যজনক মৃত্যু,সাধারন মৃত্যুকে অস¦াভাবিক মৃত্যু, নিরীহ মানুষকে চোরাচালানী, আর চোরাচালানীকে সমাজসেবক বানানোর এই কলম কেরানির বিরুদ্ধে রয়েছে বিস্তর অভিযোগ।

বড়দল উওর ইউপি সদস্য সমাট্র মিয়া, বড়ছড়ার ইউপি সদস্য জম্মত আলী, লাকমার তিতু মিয়া, চারাগাঁওর ইউপি সদস্য হাসেন আলী, বাগলীর শাহজাহান খন্দকার বলেন ,এলাকায় কয়লার ব্যবসা বন্ধ, লোকজন পাহাড়ি ছড়ায় পাথর তুলে জীবিকা চালায় এখানেও মাজাম্মেল ও তার ভাই জাহাঙ্গীর চাঁদাদাবি কওে, চাঁদা আদায় করে। চাঁদা না দিলে বিজিবি ক্যাম্পে ফোন করে পাথর উক্তোলন বন্ধ করে দেয় তারা, না হয় বিজিবির অধিনায়ককে দিয়ে চোরাচালানী মামলা করার হুমকি দেয়। কিছুদিন পুর্বে সাংবাদিকের ভগ্নিপতির এক কাজের মেয়েকে ফুসলিয়ে মিথ্যা যৌন হয়রানীর অভিযোগ তুলে চাঁদাদাবি করে, চাদা না দেয়ায় ওই ফেইক আইডিতে আপক্তিকর লিখা শুরু করে।

আর এ কাজে কথিত ভুয়া আ্ইডির ব্যবহারকারী মোজাম্মেল , তার সহোদর জাহাঙ্গীর অপর সহযোগী ইয়াবা ব্যবসায়ী কালু কেমালের সহযোগীতা করে। মোজাম্মেল (০১৭১৫-৬৪৩৮৮৭) থেকে রাতে দু’জন সাংবাদিককে ও তার ভাই জাহাঙ্গীর (০১৭১৪-৬৭৪৭৮১) নং থেকে আরো দু’জন সাংবাদিককে হুমকি দেয়। একটি নির্ভরযোগ্য সুত্রে জানা যায়, তাহিরপুর থানায় এসিড মামলার গ্রেফতারী পরোয়ানাভুক্ত আসামী হিসাবে গত তিন বছর পালিয়ে থেকেও মোজাজ্জেল

জেলা পুলিশের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসন , বিজিবির দায়িত্বশীল কর্মকর্তা, থানা পুলিশের সাথে একাধিক সিম দিয়ে কথোপকতন করে তাদের বক্তব্য ফেইক আইডিতে প্রচার করে জনমনে ভীতির সঞ্চার করে আসছে। তাদের দুই সহোদর অযাচিত ভাবে প্রায় হাজার খানেক ই- মেইল ঠিকানা সংগ্রহ করে জেলা , উপজেলায় কর্মরত প্রিন্ট, অনলাইন নিউজপোর্টাল ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ায় ভুয়া খবর দিয়ে মুল ধারার সংবাদকর্মীদেও পেশাগত দায়িত্ব পালনে বিভ্রান্তিও হয়রানীর অপচেষ্টা করে আসছে। দু’বছর পুর্বে ওই চক্রটি লাউড়েরগড় শাহ আরেফিনের ওরস মোবারকে যুগান্তরের সাংবাদিক হাবিব সরোয়ার আজাদের ব্যবহ্নত ল্যাপটপ, আইডি কার্ড, দুটি মোবাইল ফোন সেট গুরুত্বফ’র্ণ ডকুমেন্ট ছিনতাই করে নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে থানায় জিডি করা হলেও পুলিশ রহস্যজনক কারনে ওইসব ছিনতাইকৃত মালামাল উদ্যারে ব্যার্থ হয়।

জাহাঙ্গীরের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে যোগোযোগ করা হলে, সে বিরুদ্ধে আনসা অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সে তেলে বেগুলে জ্বলে জ্বলে উঠে, সে প্রথমে নিজেকে মানবজমিন পত্রিকার প্রতিনিধি পরিচয় দিলেও পওে বলে আমি একাধিক পত্রিকায় কাজ করি আপনার কয়টা পত্রিকার দরকার। চাঁদাবাজির প্রসঙ্গ এড়িয়ে গিয়ে বলে আমি এসব করিনা, গাড়িতে ষ্টীকার লাগাইনা।’ মোজাম্মেলের বক্তব্য জানতে বুধবার বেলা ১১ টায় মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে সে এ প্রতিবেদকেবলে, আমি তো মামলার কারনে এলাকাতেই নাই, আমার কোন ফেইক আইডিও নাই, এগুলো ষড়যন্ত্র।’

থানার ওসি শ্রী নন্দন কান্তি ধর বলেন, এ ধরণের অপপ্রচার জনমনে সাময়িক বিভ্রান্তি ছড়াতে পারে, তবে মামলার তদন্ত কাজে কোন বিঘ ঘটবেনা।’ ফেইক আইডি বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। মোজাম্মেল বর্তমানে এসিড মামলায় পলাতক রয়েছে তাকে গ্রেফতারে পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।’ জেলা গোয়েন্দা সংস্থার এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা নাম গোপন রাখার শর্তে জানান, ফেইক আইডি গুলো সম্পর্কে খোঁজ খবর নেয়া হচ্ছে, শ্রীঘ্রই এরা আইনের জালে বন্ধী হবে।

লেখাটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
Email: kuakataonline@gmail.com
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com