পালাইয়া থাক,এহন অসুবিধা আছে, ক্রস-ফ্রস দিয়া দেয়, শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী রনিকে হামিদ হাওলাদার

স্টাফ রিপোর্টার:- ফতুল্লা থানাধীন পাগলার পশ্চিম নন্দনালপুর এলাকার সালামের ছেলে শীর্ষ মাদক সম্রাট রনি ওরফে পেচাঁ রনির বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদে স্থানীয় পঞ্চায়েত কমিটির কর্তাদের শেল্টার রয়েছে এমন অভিযোগ রয়েছে স্থানীয়দের। উক্ত প্রকাশিত সংবাদে পঞ্চায়েত কমিটির সদস্যদের পক্ষে দুইজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ফতুল্লা মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন পশ্চিম নন্দলালপুর পঞ্চায়েত কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবদুল হামিদ হাওলাদার।

 

এ দিকে গতকাল মঙ্গলবার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়েরের পরই র্শীষ মাদক সম্রাট রনি ওরফে পেচাঁ রনির সাথে মুঠোফোনে প্রায় ১০ মিনিট ৩৫ সেকেন্ড কথোপকথন হয় নিজেকে তুলসী পাতায় ধোয়ার চেস্টাকারী কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবদুল হামিদ হাওলাদারের। যার ভয়েস রেকর্ডটি অত্র প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।

 

নিম্মে তাদের কথোপকথনের আংশিক বিষয় তুলে ধরা হলোঃ

 

রনিঃ সালামালাইকুম কাকা।

 

হা,হাওলাদারঃ কে

 

রনিঃ নয়নের ভাই রনি

 

হা,হাওলাদারঃ কে

 

রনিঃ রনি রনি

 

হা,হাওলাদারঃ জনি

 

রনিঃ নয়নের ছোটভাই রনি,সালামের পোলা রনি

 

হা,হাওলাদারঃ হ্যাঁ

 

রনিঃ কাকা আপনের শরীলডা ভালানি, আপনের শরীলডা ভালানি কাকা

 

হা,হাওলাদারঃ আছে মুটামুটি,সে রকম ভালা থাকেনি

 

রনিঃ কেমতে থাকবো,ঐ সাংবাদিক খা…….. পোলায় যা শুরু করছে আপনের নামে আমার নামে পত্রিকায় যা শুরু করছে

 

হা,হাওলাদারঃ কি করমু কও

 

রনিঃ ঐ খা…… পোলায় যা শুরু করছে

 

হা,হাওলাদারঃ কি করস তোরা,ও এ মহল্লায় থাকে কেমনে

 

রনিঃ কয়দিন আগে দেখলাম,ফেসবুক ও পেপার-পত্রিকায় আমার-আপনের নামে লেখছে

 

হা,হাওলাদারঃ আমরা তেগো সেল্ডার দেই।

 

রনিঃ ওরে পিডাইয়া মহল্লারতে খেদান যায় না,আমি কাকা কয়েকটা মাস দইরা অশান্তিতে আছি। আমার টেকা পয়সা শেষ কইরা দিসে,ওরে ওরে কইরা আমার সংসার ধ্বংস অইয়া গেছে। আমার বাড়িঘর ফালাইয়া মাইনসের বাসায় দৌড়ফাড়ি,নদীর ওপারে থাকি।

 

রনিঃ কাকা আগে-পড়ে যা দিসি ঐ খা……. পোলার কারনে সবশেষ,যা পাইবেন কাডে কাডে মাল আনছি (কাডে কাডে মাল মানে প্রতি কাডে ১০ হাজার পিস ইয়াবা কথা বলছে রনি ) সব ওর কারনে শেষ অইছে।

 

হা,হাওলাদারঃ এক’শ জন মানুষ লইয়া থানায় গেছি। ওসি ঐ সাংবাদিকগো কইছে হেগো নামে এমন সংবাদ লেহে ক্যামনে,হেরপরে তাগো নামে কেস দিয়া আইছি।

 

রনিঃ উইয়ে কার জোড়ে এমন করে ওর একটা ব্যবস্থা নেয়া যায়না।

 

হা,হাওলাদারঃ তালুকদার কইছে ধর ওরে হের পড়ে দৌড়াইয়া গেছে,থানায়তো আমরা গেছি এসআই কইছে রাইতে বাইন্দা মাইর দিয়া আমারে ফোন দিবেন। হের পরে আমরা সাথে সাথে কেইস দিয়া থানায় লইয়া আমু। নাম্বার দিয়া দিছে আমাগো।

 

রনিঃ আমার বাড়িঘরে আমি একটা রাইতে ঘুমাতে পারিনা। ও আমারে ধ্বংস কইরা লাইছে,বাড়ির দলিলও বন্ধক,আমি রাস্তায় নাইমা গেলাম,তারপরও আমার পিছ ছাড়েনা।

 

হা,হাওলাদারঃ দেহো হেনো আমাগো যখন উইয়ে বাজছে আমরাও হগলে ওর পিছনে বাজছি। চেয়ারম্যানরেও কইছি। চেয়ারম্যানের কাছে গেছি কাইল,২ডা দিন এমনে কাডাইতাছি। এহন পেলাপাইনে কয় ওরে মারমু,মাইরা হালামু,ওরে রাখমুনা।

 

রনিঃ ওরে মাইরা হালাইয়া কি করবেন,পরে একটা মামলা খাইবো পুলাপান। ওরে পুলিশ দিয়া একটা মামলা দিয়া দেন জেল খাটাইতে অইবো বছরের পর বছর। কাকা আপনে যে টেহা দিছেন বার বার মাল আনছি আর ধরা খাইছি,আমার কাড কাড মাল ধরাইছে পুলিশ দিয়া।

 

হা,হাওলাদারঃ এখন কি আর করুম,নতুন কইরা করতে অইবো।

 

রনিঃ কিভাবে করমু,আমার কিছু নাইরে বাপ, আমার বাবা আমার কিছু নাইরে বাবা,ওরে যা করার করবেনই এহন আমারে একটা কিছু করেন।

 

হা,হাওলাদারঃ এহন শোন শত্রু দমন করতে অইবো,কথা বুঝছো। থানায় কইছে অরে ধইরা মাইরা হাত-পা ভাইঙ্গা থানায় দিবেন। আমরা পোলাপাইন লাগাইছি,রাজিবরা ওরা।

 

রনিঃ রাজিব খানকির পোলার দোকানডা উঠাইয়া দেয়া যায়না।আমিতো মহল্লায় ঢুকতে পারবোনা,ঢুকলে ওরে গুলি কইরা দিতাম।

 

হা,হাওলাদারঃ এক ফাঁকে আহো।

 

রনিঃ ও বাবা ও বাবা আমি যে এক ফাাঁকে আমু কেমনে আমার পেছনেতো লোক লাগাইয়া রাখছে। ওরে আজকে হোক আর কালকে হোক ওরে দেখতে অইবো। আমি ওরে দেখাইয়া লমু,ওরে ওর কোন বাবায় বাচায়।

 

হা,হাওলাদারঃ দেয়ালে যহন আমার পিঠ ঠেইককা গেছে,১০০ লোক লইয়া গেছি রোজার দিন দেইক্যা কিছু খাওয়ান লাগে নাই,আল্লায় আমারে বাচাইছে কিন্তু গাড়ী ভাড়া দিয়ে দিছি। হের পর দিছি থানায় আর কোর্টে।

 

রনিঃ আপনের মাইয়াডারে পাঠাইছি।

 

হা,হাওলাদারঃ পাডাও পাডাও

 

রনিঃ আমি কি না খাইয়া মইরা যামু।

 

হা,হাওলাদারঃ ঐ শালার পোলা শালায় সবকিছু করতাছে

 

রনিঃ যে চোদন দিছে পুলিশে এখন ও বাড়িঘর ছুইয়া পালাইবো।

 

হা,হাওলাদারঃ তগো ফেমিলির সকলের কাগজপাতি উঠাইয়া লইয়া আইছি,উইয়ে তোগোমত ভাল মানুষ গুলারে খারাপ বানাইতাছে। এই ধরনের কাজ এ সমস্ত মানুষের নামে অপবাদ দিয়া ও আমাগো দোসী করতাছে।

 

রনিঃ আপনের মাইয়াডারে পাডামু,কয়ডা টেহাটোহা হাওলাদ দিবেন তাইলে কয়ডা দিন চলতে পারতাম।

 

হা,হাওলাদারঃ বিল্ডিংয়ের কাজ বন্ধ কইরা রাখছি হের পরও হালার পোলায় আমাদের বিরুদ্ধে করতাছে।

 

রনিঃ মরবেন নাতো,আগে পরে কিছু দিছেন,হয়তবা কিছু বাইজ্জা গেছে দিয়া দিমু, তয় মাইরা খামুনা। আমি বাইচ্চা থাকতে আপনেরে বিপদে হালামুনা। আমি পালাইয়া থাকতে রাজি কিন্তু ওরে আমি দেইখ্যা লমু।

 

হা,হাওলাদারঃ পালাইয়া থাক,এহন অসুবিধা আছে,এখন ক্রস-ফ্রস দিয়া দেয়। যেই হানেই আছোস সাবধানে থাক। প্রায় ১০ মিনিট ৩৫ সেকেন্ডে আবদুল হামিদ হাওলাদার ও শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী রনি ওরফে পেচাঁ রনির মাঝে কথোপকথনের আংশিক সকলের মাঝে তুলে ধরা হলো। বিস্তারিত আরো তথ্যের জন্য চোখ রাখুন আমাদের এ নিউজ পোর্টালে।

 

গত ৩রা জুন ২০১৮ইং তারিখে ”ফতুল্লার নন্দলালপুরে মাদকের স্বর্গরাজ্যে সোর্স নয়ন যেন থানা পুলিশের নয়নতারা!! শীর্ষক সংবাদটি কুয়াকাটা নিউজসহ কয়েকটি নিউজ পোর্টাল ও স্থানীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়।

ফতুল্লা থানাধীন পাগলার পশ্চিম নন্দলালপুর মেডিকেল গলি এলাকায় মাদক ডাকাতি ছিনতাই চুরিসহ বিভিন্ন অপরাধে আলোচিত একটি পরিবার হিসেবে সুখ্যাতি রয়েছে সালামের পরিবারের সকল সদস্যদের। আর তাদের শেল্টার দিচ্ছে অত্র এলাকার পঞ্চায়েত কমিটির সিনিয়র সহ- সভাপতি আব্দুল হামিদ হাওলাদার, পঞ্চায়েত কমিটির সাধারণ সম্পাদক শফিক উদ্দিন তালুকদার এবং বাবুল তায়েব এ সকল অভিযোগ পশ্চিম নন্দলালপুর এলাকাবাসীর।

 

সালামের পরিবারের সদস্য’র মধ্যে রনি ওরফে পেঁচা রনি ও ডাকাত নয়ন অন্যতম। রনির স্ত্রী পপি,রনির শশুর দেলোয়ার ওরফে তালই,রনির শ্যালক শান্ত,ছোট শ্যালক সজীব, রনির ভাই পাগল মুন্না,রনির ভাই সোর্স মিন আলী,রনির মাদক ব্যবসার ম্যানেজার আজম ওরফে সোহেল অন্যতম। এ সকল গুনধরদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে এলাকাবাসী।

 

সালামের বড় ছেলে নয়ন। ধুরন্দর এ নয়নের বিরুদ্ধে রয়েছে যশোহর সাতক্ষীরা থানাসহ ঢাকার কদমতলী থানা, সিদ্ধিরগঞ্জ, ফতুল্লা মডেল থানাসহ বিভিন্ন থানায় ১৫ থেকে ২০টিরও অধিক মামলা রয়েছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। মাদক ব্যবসা,চুরি ডাকাতিসহ এমন কোন অপকর্ম বাদ নেই নয়নের দ্বারা হয়নি। নয়নের ছোটভাই রনি ওরফে পেঁচা রনি,ভাইয়ের অপকর্মের রাজ্যেকে অনুসরন ও অনুকরন করে সে নিজেও বনে যায়,চুরি,ছিনতাই,মাদক বিক্রিসহ নানা প্রকার অপকর্মে। রনির এ সকল অপকর্মে পুরোটাই জড়িত রয়েছে স্ত্রী পপি,শশুর দেলোয়ার ওরফে তালই,রনির শ্যালক শান্ত,ছোট শ্যালক সজীব, রনির ভাই পাগল মুন্নাসহ অনেকেই।

 

পুলিশী অভিযানের বিষয়টি দ্রুত রনির কানে পৌছে যাওয়ার ফলে রনিকে কোনভাবেই পুলিশ গ্রেফতার করতে পারছেনা। যার মুলে রয়েছে রনির বড়ভাই নয়ন,নয়নের সঙ্গী স্থানীয় আবুল ওরফে আবুইল্লা চোরার ছেলে কামাল ওরফে সোর্স কামাল। কারন এরা দুজনই ফতুল্লা মডেল থানার একজন স্বনামধন্য পুলিশ কর্মকর্তা সোর্স হিসেবে কাজ করে। একাধিক মামলার আসামী পুলিশের গাড়িতে চড়ে নিরাপদে সাধারন মানুষকে হয়রানীকারীর মুলহোতার কারনে পুলিশতো দুরের কথা স্থানীয় কেউ প্রতিবাদ করলে ভাই নয়নের ক্ষমতার বলে উল্টো প্রতিবাদকারী সেই দারোগা বাবুকে দিয়ে উল্টো মাদক দিয়ে হেনস্থা করে থাকে। পেচাঁ রনিকে বেশ কয়েকবার থানা পুলিশ গ্রেফতার করতে গেলে তা পারেনি পুলিশ,প্রথমত আগেই সংবাদ পেয়ে যায় বড়ভাই নয়নের মাধ্যমে দ্বিতীয়ত রনির নিজস্ব বাড়িতে প্রতিটি ঘরের জানালাতে রয়েছে বিশেষ পকেট কাটা যা দিয়ে পুলিশ আসার সংবাদটি পাওয়া মাত্রই জানালা দিয়ে লাফিয়ে পড়ে দ্রুত সটকে যায়।

 

রনির বড়ভাই নয়নের বিরুদ্ধেও মাদক বিত্রেতাদের শেল্টার দেয়া ছাড়াও পাগলা তালতলা এলাকায় বিভিন্ন ভাঙ্গারী দোকান থেকে থানা পুলিশের নামে প্রতিদিন মাসোহারা তোলার অভিযোগ রয়েছে। যদি কোন দোকানী নয়নকে পুলিশী মাসোহারা দিতে অস্বীকৃতি জানায় তাহলে ইয়াবা অথবা হেরোইন দিয়ে পুলিশের ধরিয়ে দেয়ার হুমকী প্রদান করে থাকে।

 

স্থানীয়দের দাবী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনার সফলতা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে দেখা গেলেও পাগলা কুতুবপুর এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী ও এদের শেল্টার দাতারা পুলিশের সোর্স হওয়ার সুবাদে তেমন কোন সফলতার মুখ দেখা মিলছেনা এখানে। এখানকার বেশীরভাগ মাদক ব্যবসাগুলো পুলিশের সাথে থাকা একাধিক মামলার আসামী সোর্সগুলো। নয়ন,পেচাঁ রনি,পাগলা মুন্না,তাদের সর্বপিতা সালাম এবং তাদের নিকটাতœীয়দের অপরাধের মুলে পুলিশের ভুমিকা বলেই তাবী স্থানীয়দের। কারন হিসেবে তারা বলেন পুরো পশ্চিম নন্দলালপুরের মাদকসহ বিভিন্ন অপকর্মের মুলে সালামের পরিবারের প্রতিটি সদস্য।

 

তারা আরও বলেন,অত্র এলাকাজুড়ে পঞ্চায়েত কমিটির মাদক বিরোধী অভিযান চালালেও সালামের পরিবারের উপর এখন পর্যন্ত কোনো প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করে নাই পঞ্চায়েত কমিটির নেতৃবৃন্দরা। অনেকেই বলেন,যদি শর্ষের ভেতরে ভুতের বসবাস থাকে তাহলে কোনভাবেই ভুত তাড়ানো সম্ভব নয়।

 

এ বিষয়ে পঞ্চায়েত কমিটির সিনিয়র সহ- সভাপতি আব্দুল হামিদ হাওলাদারের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,দিনের আলোতে এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে রাতের আধারে এরা পুনরায় মাদক বিক্রি করছে। এদের গ্রুপের ৭/৮জন রয়েছে যারা দিনরাত সারাক্ষনই মাদক বিক্রি করে আসছে। রনিদের নিজস্ব বাড়ি রয়েছে এখান থেকে সকল অপকর্মের যাত্রা করছে ওরা কেউ প্রতিবাদ করলে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে থাকে। আমরা পুলিশী সহযোগিতা চেয়েও বিভিন্ন সময়ে তাদের সহযোগিতা পাইনা।

পশ্চিম নন্দলালপুর এলাকাবাসী সালামের পরিবারের সদস্যদের মাদকের সাম্রাজ্য ও অপকর্মের সম্রাজ্যে থেকে স্থানীয় বাচাঁতে পুলিশ সুপারের সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন:

সর্বশেষ আপডেট



» এমপির ছেলে হোক আর এমপি হোক, কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

» সমাজকে ইভটিজিং ও মাদকমুক্ত রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই-ওসি মঞ্জুর কাদের

» গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি সানি লিওন

» আমিও ৬ বছর জেলে ছিলাম: ওরা চেয়েছিল আমি যেন মরে যাই: এরশাদ

» উদ্বোধনের অপেক্ষায় আ’লীগের নবনির্মিত কেন্দ্রীয় কার্যালয়

» এবার পদ্মা সেতুতে আরো ১ হাজার ৪০০ কোটি টাকা ব্যয় বাড়ল

» অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে বরগুনা ছেড়েছেন চারটি লঞ্চ

» কলাপাড়ায় বখাটেদের হামলায় দুই শিক্ষার্থী গুরুতর আহত

» গিনেস বুকে নাম লিখাতে চায় বান্দরবানের মেয়ে এ এ সাইং মারমা

» বান্দরবানে বিএনপির মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জ, আটক- ৬

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন




ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
Email: info@kuakatanews.com
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
,

পালাইয়া থাক,এহন অসুবিধা আছে, ক্রস-ফ্রস দিয়া দেয়, শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী রনিকে হামিদ হাওলাদার

স্টাফ রিপোর্টার:- ফতুল্লা থানাধীন পাগলার পশ্চিম নন্দনালপুর এলাকার সালামের ছেলে শীর্ষ মাদক সম্রাট রনি ওরফে পেচাঁ রনির বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদে স্থানীয় পঞ্চায়েত কমিটির কর্তাদের শেল্টার রয়েছে এমন অভিযোগ রয়েছে স্থানীয়দের। উক্ত প্রকাশিত সংবাদে পঞ্চায়েত কমিটির সদস্যদের পক্ষে দুইজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ফতুল্লা মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন পশ্চিম নন্দলালপুর পঞ্চায়েত কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবদুল হামিদ হাওলাদার।

 

এ দিকে গতকাল মঙ্গলবার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়েরের পরই র্শীষ মাদক সম্রাট রনি ওরফে পেচাঁ রনির সাথে মুঠোফোনে প্রায় ১০ মিনিট ৩৫ সেকেন্ড কথোপকথন হয় নিজেকে তুলসী পাতায় ধোয়ার চেস্টাকারী কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবদুল হামিদ হাওলাদারের। যার ভয়েস রেকর্ডটি অত্র প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।

 

নিম্মে তাদের কথোপকথনের আংশিক বিষয় তুলে ধরা হলোঃ

 

রনিঃ সালামালাইকুম কাকা।

 

হা,হাওলাদারঃ কে

 

রনিঃ নয়নের ভাই রনি

 

হা,হাওলাদারঃ কে

 

রনিঃ রনি রনি

 

হা,হাওলাদারঃ জনি

 

রনিঃ নয়নের ছোটভাই রনি,সালামের পোলা রনি

 

হা,হাওলাদারঃ হ্যাঁ

 

রনিঃ কাকা আপনের শরীলডা ভালানি, আপনের শরীলডা ভালানি কাকা

 

হা,হাওলাদারঃ আছে মুটামুটি,সে রকম ভালা থাকেনি

 

রনিঃ কেমতে থাকবো,ঐ সাংবাদিক খা…….. পোলায় যা শুরু করছে আপনের নামে আমার নামে পত্রিকায় যা শুরু করছে

 

হা,হাওলাদারঃ কি করমু কও

 

রনিঃ ঐ খা…… পোলায় যা শুরু করছে

 

হা,হাওলাদারঃ কি করস তোরা,ও এ মহল্লায় থাকে কেমনে

 

রনিঃ কয়দিন আগে দেখলাম,ফেসবুক ও পেপার-পত্রিকায় আমার-আপনের নামে লেখছে

 

হা,হাওলাদারঃ আমরা তেগো সেল্ডার দেই।

 

রনিঃ ওরে পিডাইয়া মহল্লারতে খেদান যায় না,আমি কাকা কয়েকটা মাস দইরা অশান্তিতে আছি। আমার টেকা পয়সা শেষ কইরা দিসে,ওরে ওরে কইরা আমার সংসার ধ্বংস অইয়া গেছে। আমার বাড়িঘর ফালাইয়া মাইনসের বাসায় দৌড়ফাড়ি,নদীর ওপারে থাকি।

 

রনিঃ কাকা আগে-পড়ে যা দিসি ঐ খা……. পোলার কারনে সবশেষ,যা পাইবেন কাডে কাডে মাল আনছি (কাডে কাডে মাল মানে প্রতি কাডে ১০ হাজার পিস ইয়াবা কথা বলছে রনি ) সব ওর কারনে শেষ অইছে।

 

হা,হাওলাদারঃ এক’শ জন মানুষ লইয়া থানায় গেছি। ওসি ঐ সাংবাদিকগো কইছে হেগো নামে এমন সংবাদ লেহে ক্যামনে,হেরপরে তাগো নামে কেস দিয়া আইছি।

 

রনিঃ উইয়ে কার জোড়ে এমন করে ওর একটা ব্যবস্থা নেয়া যায়না।

 

হা,হাওলাদারঃ তালুকদার কইছে ধর ওরে হের পড়ে দৌড়াইয়া গেছে,থানায়তো আমরা গেছি এসআই কইছে রাইতে বাইন্দা মাইর দিয়া আমারে ফোন দিবেন। হের পরে আমরা সাথে সাথে কেইস দিয়া থানায় লইয়া আমু। নাম্বার দিয়া দিছে আমাগো।

 

রনিঃ আমার বাড়িঘরে আমি একটা রাইতে ঘুমাতে পারিনা। ও আমারে ধ্বংস কইরা লাইছে,বাড়ির দলিলও বন্ধক,আমি রাস্তায় নাইমা গেলাম,তারপরও আমার পিছ ছাড়েনা।

 

হা,হাওলাদারঃ দেহো হেনো আমাগো যখন উইয়ে বাজছে আমরাও হগলে ওর পিছনে বাজছি। চেয়ারম্যানরেও কইছি। চেয়ারম্যানের কাছে গেছি কাইল,২ডা দিন এমনে কাডাইতাছি। এহন পেলাপাইনে কয় ওরে মারমু,মাইরা হালামু,ওরে রাখমুনা।

 

রনিঃ ওরে মাইরা হালাইয়া কি করবেন,পরে একটা মামলা খাইবো পুলাপান। ওরে পুলিশ দিয়া একটা মামলা দিয়া দেন জেল খাটাইতে অইবো বছরের পর বছর। কাকা আপনে যে টেহা দিছেন বার বার মাল আনছি আর ধরা খাইছি,আমার কাড কাড মাল ধরাইছে পুলিশ দিয়া।

 

হা,হাওলাদারঃ এখন কি আর করুম,নতুন কইরা করতে অইবো।

 

রনিঃ কিভাবে করমু,আমার কিছু নাইরে বাপ, আমার বাবা আমার কিছু নাইরে বাবা,ওরে যা করার করবেনই এহন আমারে একটা কিছু করেন।

 

হা,হাওলাদারঃ এহন শোন শত্রু দমন করতে অইবো,কথা বুঝছো। থানায় কইছে অরে ধইরা মাইরা হাত-পা ভাইঙ্গা থানায় দিবেন। আমরা পোলাপাইন লাগাইছি,রাজিবরা ওরা।

 

রনিঃ রাজিব খানকির পোলার দোকানডা উঠাইয়া দেয়া যায়না।আমিতো মহল্লায় ঢুকতে পারবোনা,ঢুকলে ওরে গুলি কইরা দিতাম।

 

হা,হাওলাদারঃ এক ফাঁকে আহো।

 

রনিঃ ও বাবা ও বাবা আমি যে এক ফাাঁকে আমু কেমনে আমার পেছনেতো লোক লাগাইয়া রাখছে। ওরে আজকে হোক আর কালকে হোক ওরে দেখতে অইবো। আমি ওরে দেখাইয়া লমু,ওরে ওর কোন বাবায় বাচায়।

 

হা,হাওলাদারঃ দেয়ালে যহন আমার পিঠ ঠেইককা গেছে,১০০ লোক লইয়া গেছি রোজার দিন দেইক্যা কিছু খাওয়ান লাগে নাই,আল্লায় আমারে বাচাইছে কিন্তু গাড়ী ভাড়া দিয়ে দিছি। হের পর দিছি থানায় আর কোর্টে।

 

রনিঃ আপনের মাইয়াডারে পাঠাইছি।

 

হা,হাওলাদারঃ পাডাও পাডাও

 

রনিঃ আমি কি না খাইয়া মইরা যামু।

 

হা,হাওলাদারঃ ঐ শালার পোলা শালায় সবকিছু করতাছে

 

রনিঃ যে চোদন দিছে পুলিশে এখন ও বাড়িঘর ছুইয়া পালাইবো।

 

হা,হাওলাদারঃ তগো ফেমিলির সকলের কাগজপাতি উঠাইয়া লইয়া আইছি,উইয়ে তোগোমত ভাল মানুষ গুলারে খারাপ বানাইতাছে। এই ধরনের কাজ এ সমস্ত মানুষের নামে অপবাদ দিয়া ও আমাগো দোসী করতাছে।

 

রনিঃ আপনের মাইয়াডারে পাডামু,কয়ডা টেহাটোহা হাওলাদ দিবেন তাইলে কয়ডা দিন চলতে পারতাম।

 

হা,হাওলাদারঃ বিল্ডিংয়ের কাজ বন্ধ কইরা রাখছি হের পরও হালার পোলায় আমাদের বিরুদ্ধে করতাছে।

 

রনিঃ মরবেন নাতো,আগে পরে কিছু দিছেন,হয়তবা কিছু বাইজ্জা গেছে দিয়া দিমু, তয় মাইরা খামুনা। আমি বাইচ্চা থাকতে আপনেরে বিপদে হালামুনা। আমি পালাইয়া থাকতে রাজি কিন্তু ওরে আমি দেইখ্যা লমু।

 

হা,হাওলাদারঃ পালাইয়া থাক,এহন অসুবিধা আছে,এখন ক্রস-ফ্রস দিয়া দেয়। যেই হানেই আছোস সাবধানে থাক। প্রায় ১০ মিনিট ৩৫ সেকেন্ডে আবদুল হামিদ হাওলাদার ও শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী রনি ওরফে পেচাঁ রনির মাঝে কথোপকথনের আংশিক সকলের মাঝে তুলে ধরা হলো। বিস্তারিত আরো তথ্যের জন্য চোখ রাখুন আমাদের এ নিউজ পোর্টালে।

 

গত ৩রা জুন ২০১৮ইং তারিখে ”ফতুল্লার নন্দলালপুরে মাদকের স্বর্গরাজ্যে সোর্স নয়ন যেন থানা পুলিশের নয়নতারা!! শীর্ষক সংবাদটি কুয়াকাটা নিউজসহ কয়েকটি নিউজ পোর্টাল ও স্থানীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়।

ফতুল্লা থানাধীন পাগলার পশ্চিম নন্দলালপুর মেডিকেল গলি এলাকায় মাদক ডাকাতি ছিনতাই চুরিসহ বিভিন্ন অপরাধে আলোচিত একটি পরিবার হিসেবে সুখ্যাতি রয়েছে সালামের পরিবারের সকল সদস্যদের। আর তাদের শেল্টার দিচ্ছে অত্র এলাকার পঞ্চায়েত কমিটির সিনিয়র সহ- সভাপতি আব্দুল হামিদ হাওলাদার, পঞ্চায়েত কমিটির সাধারণ সম্পাদক শফিক উদ্দিন তালুকদার এবং বাবুল তায়েব এ সকল অভিযোগ পশ্চিম নন্দলালপুর এলাকাবাসীর।

 

সালামের পরিবারের সদস্য’র মধ্যে রনি ওরফে পেঁচা রনি ও ডাকাত নয়ন অন্যতম। রনির স্ত্রী পপি,রনির শশুর দেলোয়ার ওরফে তালই,রনির শ্যালক শান্ত,ছোট শ্যালক সজীব, রনির ভাই পাগল মুন্না,রনির ভাই সোর্স মিন আলী,রনির মাদক ব্যবসার ম্যানেজার আজম ওরফে সোহেল অন্যতম। এ সকল গুনধরদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে এলাকাবাসী।

 

সালামের বড় ছেলে নয়ন। ধুরন্দর এ নয়নের বিরুদ্ধে রয়েছে যশোহর সাতক্ষীরা থানাসহ ঢাকার কদমতলী থানা, সিদ্ধিরগঞ্জ, ফতুল্লা মডেল থানাসহ বিভিন্ন থানায় ১৫ থেকে ২০টিরও অধিক মামলা রয়েছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। মাদক ব্যবসা,চুরি ডাকাতিসহ এমন কোন অপকর্ম বাদ নেই নয়নের দ্বারা হয়নি। নয়নের ছোটভাই রনি ওরফে পেঁচা রনি,ভাইয়ের অপকর্মের রাজ্যেকে অনুসরন ও অনুকরন করে সে নিজেও বনে যায়,চুরি,ছিনতাই,মাদক বিক্রিসহ নানা প্রকার অপকর্মে। রনির এ সকল অপকর্মে পুরোটাই জড়িত রয়েছে স্ত্রী পপি,শশুর দেলোয়ার ওরফে তালই,রনির শ্যালক শান্ত,ছোট শ্যালক সজীব, রনির ভাই পাগল মুন্নাসহ অনেকেই।

 

পুলিশী অভিযানের বিষয়টি দ্রুত রনির কানে পৌছে যাওয়ার ফলে রনিকে কোনভাবেই পুলিশ গ্রেফতার করতে পারছেনা। যার মুলে রয়েছে রনির বড়ভাই নয়ন,নয়নের সঙ্গী স্থানীয় আবুল ওরফে আবুইল্লা চোরার ছেলে কামাল ওরফে সোর্স কামাল। কারন এরা দুজনই ফতুল্লা মডেল থানার একজন স্বনামধন্য পুলিশ কর্মকর্তা সোর্স হিসেবে কাজ করে। একাধিক মামলার আসামী পুলিশের গাড়িতে চড়ে নিরাপদে সাধারন মানুষকে হয়রানীকারীর মুলহোতার কারনে পুলিশতো দুরের কথা স্থানীয় কেউ প্রতিবাদ করলে ভাই নয়নের ক্ষমতার বলে উল্টো প্রতিবাদকারী সেই দারোগা বাবুকে দিয়ে উল্টো মাদক দিয়ে হেনস্থা করে থাকে। পেচাঁ রনিকে বেশ কয়েকবার থানা পুলিশ গ্রেফতার করতে গেলে তা পারেনি পুলিশ,প্রথমত আগেই সংবাদ পেয়ে যায় বড়ভাই নয়নের মাধ্যমে দ্বিতীয়ত রনির নিজস্ব বাড়িতে প্রতিটি ঘরের জানালাতে রয়েছে বিশেষ পকেট কাটা যা দিয়ে পুলিশ আসার সংবাদটি পাওয়া মাত্রই জানালা দিয়ে লাফিয়ে পড়ে দ্রুত সটকে যায়।

 

রনির বড়ভাই নয়নের বিরুদ্ধেও মাদক বিত্রেতাদের শেল্টার দেয়া ছাড়াও পাগলা তালতলা এলাকায় বিভিন্ন ভাঙ্গারী দোকান থেকে থানা পুলিশের নামে প্রতিদিন মাসোহারা তোলার অভিযোগ রয়েছে। যদি কোন দোকানী নয়নকে পুলিশী মাসোহারা দিতে অস্বীকৃতি জানায় তাহলে ইয়াবা অথবা হেরোইন দিয়ে পুলিশের ধরিয়ে দেয়ার হুমকী প্রদান করে থাকে।

 

স্থানীয়দের দাবী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনার সফলতা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে দেখা গেলেও পাগলা কুতুবপুর এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী ও এদের শেল্টার দাতারা পুলিশের সোর্স হওয়ার সুবাদে তেমন কোন সফলতার মুখ দেখা মিলছেনা এখানে। এখানকার বেশীরভাগ মাদক ব্যবসাগুলো পুলিশের সাথে থাকা একাধিক মামলার আসামী সোর্সগুলো। নয়ন,পেচাঁ রনি,পাগলা মুন্না,তাদের সর্বপিতা সালাম এবং তাদের নিকটাতœীয়দের অপরাধের মুলে পুলিশের ভুমিকা বলেই তাবী স্থানীয়দের। কারন হিসেবে তারা বলেন পুরো পশ্চিম নন্দলালপুরের মাদকসহ বিভিন্ন অপকর্মের মুলে সালামের পরিবারের প্রতিটি সদস্য।

 

তারা আরও বলেন,অত্র এলাকাজুড়ে পঞ্চায়েত কমিটির মাদক বিরোধী অভিযান চালালেও সালামের পরিবারের উপর এখন পর্যন্ত কোনো প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করে নাই পঞ্চায়েত কমিটির নেতৃবৃন্দরা। অনেকেই বলেন,যদি শর্ষের ভেতরে ভুতের বসবাস থাকে তাহলে কোনভাবেই ভুত তাড়ানো সম্ভব নয়।

 

এ বিষয়ে পঞ্চায়েত কমিটির সিনিয়র সহ- সভাপতি আব্দুল হামিদ হাওলাদারের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,দিনের আলোতে এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে রাতের আধারে এরা পুনরায় মাদক বিক্রি করছে। এদের গ্রুপের ৭/৮জন রয়েছে যারা দিনরাত সারাক্ষনই মাদক বিক্রি করে আসছে। রনিদের নিজস্ব বাড়ি রয়েছে এখান থেকে সকল অপকর্মের যাত্রা করছে ওরা কেউ প্রতিবাদ করলে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে থাকে। আমরা পুলিশী সহযোগিতা চেয়েও বিভিন্ন সময়ে তাদের সহযোগিতা পাইনা।

পশ্চিম নন্দলালপুর এলাকাবাসী সালামের পরিবারের সদস্যদের মাদকের সাম্রাজ্য ও অপকর্মের সম্রাজ্যে থেকে স্থানীয় বাচাঁতে পুলিশ সুপারের সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
Email: info@kuakatanews.com
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited