নাঃগঞ্জে সন্তানকে পুড়িয়ে মারার ঘটনায় শেফালী ও পরকীয়া প্রেমিকের বিরুদ্ধে মামলা

আড়াইহাজার উপজেলার উচিৎপুরা ইউনিয়নের বাড়ৈপাড়া এলাকায় নিজ শিশু সন্তানের আগুনে পুড়িঁয়ে মারায় ঘটনায় ঘাতক মা (শেফালী আক্তার) ও তার পরকীয়া প্রেমিক রাশেদুল ইসলাম মোমেন কে আসামী করে মামলা দায়ের করেছেন নিহত হৃদয়ের দাদা বিল্লাল হোসেন দর্জি।

 

গত শুক্রবার রাতে নিজের নাতি শিশু হৃদয় (৯) কে আগুনে পুড়িঁয়ে হত্যা ও আরেক নাতি শিশু জিহাদ (৫) কে একই কায়দায় হত্যার চেষ্টার অভিযোগ এনে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন ঘাতক শেফালীর শ্বশুড় ও আরেক ঘাতক রাশেদুল ইসলাম মোমেনের পিতা বিল্লাল হোসেন । ঘটনার পর পরই পু্লিশ শিশুদের মা শেফালী আক্তার কে ঘটনাস্হল থেকে আটক করতে সক্ষম হলেও ঘটনার পর থেকে শেফালীর দেবর ও পরকীয়া প্রেমিক রাশেদুল ইসলাম মোমেন এখনো পলাতক রয়েছে বলে জানা গেছে ।

 

উল্লেখ্য যে বাহরাইন প্রবাসী আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী সুন্দরী শেফালী আক্তার, তাদের দুই সন্তান হৃদয় ও জিহাদ, অপর দিকে শেফালী আক্তারের পরকীয়া প্রেমিক রাশেদুল ইসলাম মোমন আনোয়ার হোসেনের সৎ মায়ের সন্তান, মামলার বাদী নিহত হৃদয়ের দাদা বিল্লাল হোসেনের দ্বিতীয় স্ত্রীর ছেলে বলে সুত্রে জানা গেছে। এদিকে এই আলোচিত-সমালোচিত মর্মান্তিক বীভৎস ঘটনার মামলাটির তদন্ত কারী পুলিশ কর্মকর্তা আড়াই হাজার থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) শফিকুল ইসলাম জানায়, প্রবাসীর স্ত্রী শেফালী আক্তারের সাথে তার স্বামী আনোয়ারের সৎ মায়ের ছেলে (সৎ ভাই) রাশেদুল ইসলাম মোমেনের সাথে বেশ কয়েক মাস ধরে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠেছিল। এই ঘটনায় ইতিপূর্বে স্হানীয় ভাবে বেশ কয়েকবার শালিসী বৈঠকও হয়েছে ।

 

সুত্রে আরো জানায়, গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে শেফালী আক্তারের শয়ন কক্ষে ঢুকেঁ পড়েন তার পরকীয়া প্রেমিক মোমেন এর পরে তারা দুজনে উক্ত কক্ষের মেঝেতে দৈহিক মিলনে লিপ্ত হয়ে এক পর্যায়ে ঘটনাস্হলের নিকটবর্তী খাটে ঘুমিঁয়ে থাকা শেফালী আক্তারের শিশু পুত্র হৃদয় হঠাৎ ঘুম থেকে জেগে ওঠে মায়ের অনৈতিক ঘটনাটি দেখতে পেয়ে তাৎক্ষনিক শিশুটি এবিষয় গুলো তার প্রবাসী পিতা (আনোয়ার হোসেন) কে মোবাইলের মাধ্যমে জানাবে বলে মা কে শাসাঁয়। যদিও এসময় হৃদয়ের পাশে তার ছোট ভাই রাজু তখনও ঘুমন্ত ছিল।

 

সুত্রে জানা গেছে, নিজ সন্তান হৃদয়ের মুখে এই কথা শোনার পর মা (শেফালী) ও পরকীয়া প্রেমিক মোমেন ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে পরিকল্পনা কষঁছে শুরু করেন। আর সেই পরিকল্পনার অংশ হিসাবে এসময় শেফালী ও তার পরকীয়া প্রেমিক শিশু হৃদয় ও জিহাদের শরীরের উপর একটি কাথাঁ পেচিঁয়ে দিয়ে এর পরে সেখানে ম্যাচের কাঠি জ্বালিয়ে দিলে আগুনে পুড়েঁ অঙ্গার হয়ে মৃত্যুবরন করে শিশু হৃদয়, এসময় আগুনে দন্ধ হয় মারাত্বক আহত হয় শেফালীর আরেক পুত্র শিশু জিহাদ ।

 

পুলিশ জানায়, ঘটনার পর শিশুদের মা শেফালী আক্তার কে পুলিশ আটক করে জিঙ্গাসাবাদ করলে স্বামীর সৎ ভাই দেবর রাশেদুল ইসলাম মোমেনের সাথে তার দীর্ঘ দিন ধরে পরকীয়া প্রেম চলছে এবং ঘটনার সময় তারা দুজনে ঘরের মেঝেতে দৈহিক মিলনে লিপ্ত হয়েছিল আর সেটি শিশু পুত্র হৃদয় দেখে ফেলেছে এসব স্বীকার করলেও সন্তান দের আগুন দিয়ে মারা কিন্বা মারার চেষ্টার ঘটনাটিতে মা (শেফালী) জড়িত নয় বলে দাবী করেছেন পুলিশের কাছে । পুলিশের প্রাথমিক জিঙ্গাসাবাদে শেফালী পুলিশ কে জানায়, মোমেন সেই রাতে দৈহিক মিলনের এক পর্যায়ে তাকে ই শ্বাসরোধ করে হত্যা করতে চেয়েছিল। সে অচেতন হওয়া পড়ার পর তার পরকীয়া প্রেমিক রাশেদুল ইসলাম মোমেন ঘুমন্ত শিশু সন্তান হৃদয় ও জিহাদ কে আগুন দিয়ে পুড়িঁয়ে হত্যা করার চেষ্টা চালালে আগুনে পুড়েঁ ঘটনাস্হলে হৃদয় নিহত হয়।

 

আগুনে দন্ধ জিহাদ কে মারাত্বক আহত অবস্হায় উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্হ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলেও পরে সেখান থেকে শিশুটি কে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (ঢামেকে) বার্ণ ইউনিটে ভর্তি করানো হয়েছে। পুলিশ আরো জানায়, প্রাথমিক ভাবে দেওয়া জবানবন্দীতে ধৃত শেফালী আক্তার পুরো ঘটনাটি তার পরকীয়া প্রেমিক রাশেদুল ইসলাম মোমেনের উপর চাপিঁয়ে দিলেও এবিষয় গুলো নিয়ে আমরা তদন্ত করছি, আশা করি শেফালী আক্তার আদালতে ম্যাজিষ্ট্রেটের কাছে যখন সে জবানবন্দী দিবে তখন অবশ্যই সত্যটা তুলে ধরবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন:

সর্বশেষ আপডেট



» বক্তাবলী খেয়াঘাটে মহিউদ্দিনের অতিরিক্ত টোল আদায়,দেখার যেন কেউ নেই!

» ফতুল্লায় সাড়ে ছয় বছরের শিশুকে ধর্ষনের ঘটনায় ইব্রাহীম গ্রেপ্তার 

» ফতুল্লায় ইয়াবা ট্যাবলেট হেরোইনসহ গ্রেপ্তার -৪

» ফতুল্লায় মুরগী ব্যবসায়ী মো. মনির হোসেন কাজী নিখোঁজ

» কলাপাড়ায় লালুয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন।। ভোটারা রয়েছে চরম উৎকন্ঠায় ।। সাউন্ড সন্ত্রাসের অভিযোগ

» বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে নিষিদ্ধ সময়ে বাশঁ কেটে পাচারের অভিযোগে কয়েক হাজার বাঁশ জব্দ

» বান্দরবানে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ পালিত

» সোনারগাঁয়ে শতাধিক ব্যক্তির জাতীয় পার্টিতে যোগদান

» সোনারগাঁয়ে জাতীয় মহিলা পার্টির মতবিনিময় সভায়, মানুষের দোয়া ও ভালোবাসা একজন এমপির সবচেয়ে বড় পাওয়া: ডালিয়া লিয়াকত

» ভারত থেকে বেনাপোল চেকপোষ্ট দিয়ে আমদানি হলো ৫০ জোড়া মহিষ

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন






ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
Email: info@kuakatanews.com
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com
Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
,

নাঃগঞ্জে সন্তানকে পুড়িয়ে মারার ঘটনায় শেফালী ও পরকীয়া প্রেমিকের বিরুদ্ধে মামলা

আড়াইহাজার উপজেলার উচিৎপুরা ইউনিয়নের বাড়ৈপাড়া এলাকায় নিজ শিশু সন্তানের আগুনে পুড়িঁয়ে মারায় ঘটনায় ঘাতক মা (শেফালী আক্তার) ও তার পরকীয়া প্রেমিক রাশেদুল ইসলাম মোমেন কে আসামী করে মামলা দায়ের করেছেন নিহত হৃদয়ের দাদা বিল্লাল হোসেন দর্জি।

 

গত শুক্রবার রাতে নিজের নাতি শিশু হৃদয় (৯) কে আগুনে পুড়িঁয়ে হত্যা ও আরেক নাতি শিশু জিহাদ (৫) কে একই কায়দায় হত্যার চেষ্টার অভিযোগ এনে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন ঘাতক শেফালীর শ্বশুড় ও আরেক ঘাতক রাশেদুল ইসলাম মোমেনের পিতা বিল্লাল হোসেন । ঘটনার পর পরই পু্লিশ শিশুদের মা শেফালী আক্তার কে ঘটনাস্হল থেকে আটক করতে সক্ষম হলেও ঘটনার পর থেকে শেফালীর দেবর ও পরকীয়া প্রেমিক রাশেদুল ইসলাম মোমেন এখনো পলাতক রয়েছে বলে জানা গেছে ।

 

উল্লেখ্য যে বাহরাইন প্রবাসী আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী সুন্দরী শেফালী আক্তার, তাদের দুই সন্তান হৃদয় ও জিহাদ, অপর দিকে শেফালী আক্তারের পরকীয়া প্রেমিক রাশেদুল ইসলাম মোমন আনোয়ার হোসেনের সৎ মায়ের সন্তান, মামলার বাদী নিহত হৃদয়ের দাদা বিল্লাল হোসেনের দ্বিতীয় স্ত্রীর ছেলে বলে সুত্রে জানা গেছে। এদিকে এই আলোচিত-সমালোচিত মর্মান্তিক বীভৎস ঘটনার মামলাটির তদন্ত কারী পুলিশ কর্মকর্তা আড়াই হাজার থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) শফিকুল ইসলাম জানায়, প্রবাসীর স্ত্রী শেফালী আক্তারের সাথে তার স্বামী আনোয়ারের সৎ মায়ের ছেলে (সৎ ভাই) রাশেদুল ইসলাম মোমেনের সাথে বেশ কয়েক মাস ধরে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠেছিল। এই ঘটনায় ইতিপূর্বে স্হানীয় ভাবে বেশ কয়েকবার শালিসী বৈঠকও হয়েছে ।

 

সুত্রে আরো জানায়, গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে শেফালী আক্তারের শয়ন কক্ষে ঢুকেঁ পড়েন তার পরকীয়া প্রেমিক মোমেন এর পরে তারা দুজনে উক্ত কক্ষের মেঝেতে দৈহিক মিলনে লিপ্ত হয়ে এক পর্যায়ে ঘটনাস্হলের নিকটবর্তী খাটে ঘুমিঁয়ে থাকা শেফালী আক্তারের শিশু পুত্র হৃদয় হঠাৎ ঘুম থেকে জেগে ওঠে মায়ের অনৈতিক ঘটনাটি দেখতে পেয়ে তাৎক্ষনিক শিশুটি এবিষয় গুলো তার প্রবাসী পিতা (আনোয়ার হোসেন) কে মোবাইলের মাধ্যমে জানাবে বলে মা কে শাসাঁয়। যদিও এসময় হৃদয়ের পাশে তার ছোট ভাই রাজু তখনও ঘুমন্ত ছিল।

 

সুত্রে জানা গেছে, নিজ সন্তান হৃদয়ের মুখে এই কথা শোনার পর মা (শেফালী) ও পরকীয়া প্রেমিক মোমেন ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে পরিকল্পনা কষঁছে শুরু করেন। আর সেই পরিকল্পনার অংশ হিসাবে এসময় শেফালী ও তার পরকীয়া প্রেমিক শিশু হৃদয় ও জিহাদের শরীরের উপর একটি কাথাঁ পেচিঁয়ে দিয়ে এর পরে সেখানে ম্যাচের কাঠি জ্বালিয়ে দিলে আগুনে পুড়েঁ অঙ্গার হয়ে মৃত্যুবরন করে শিশু হৃদয়, এসময় আগুনে দন্ধ হয় মারাত্বক আহত হয় শেফালীর আরেক পুত্র শিশু জিহাদ ।

 

পুলিশ জানায়, ঘটনার পর শিশুদের মা শেফালী আক্তার কে পুলিশ আটক করে জিঙ্গাসাবাদ করলে স্বামীর সৎ ভাই দেবর রাশেদুল ইসলাম মোমেনের সাথে তার দীর্ঘ দিন ধরে পরকীয়া প্রেম চলছে এবং ঘটনার সময় তারা দুজনে ঘরের মেঝেতে দৈহিক মিলনে লিপ্ত হয়েছিল আর সেটি শিশু পুত্র হৃদয় দেখে ফেলেছে এসব স্বীকার করলেও সন্তান দের আগুন দিয়ে মারা কিন্বা মারার চেষ্টার ঘটনাটিতে মা (শেফালী) জড়িত নয় বলে দাবী করেছেন পুলিশের কাছে । পুলিশের প্রাথমিক জিঙ্গাসাবাদে শেফালী পুলিশ কে জানায়, মোমেন সেই রাতে দৈহিক মিলনের এক পর্যায়ে তাকে ই শ্বাসরোধ করে হত্যা করতে চেয়েছিল। সে অচেতন হওয়া পড়ার পর তার পরকীয়া প্রেমিক রাশেদুল ইসলাম মোমেন ঘুমন্ত শিশু সন্তান হৃদয় ও জিহাদ কে আগুন দিয়ে পুড়িঁয়ে হত্যা করার চেষ্টা চালালে আগুনে পুড়েঁ ঘটনাস্হলে হৃদয় নিহত হয়।

 

আগুনে দন্ধ জিহাদ কে মারাত্বক আহত অবস্হায় উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্হ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলেও পরে সেখান থেকে শিশুটি কে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (ঢামেকে) বার্ণ ইউনিটে ভর্তি করানো হয়েছে। পুলিশ আরো জানায়, প্রাথমিক ভাবে দেওয়া জবানবন্দীতে ধৃত শেফালী আক্তার পুরো ঘটনাটি তার পরকীয়া প্রেমিক রাশেদুল ইসলাম মোমেনের উপর চাপিঁয়ে দিলেও এবিষয় গুলো নিয়ে আমরা তদন্ত করছি, আশা করি শেফালী আক্তার আদালতে ম্যাজিষ্ট্রেটের কাছে যখন সে জবানবন্দী দিবে তখন অবশ্যই সত্যটা তুলে ধরবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: আবুল কালাম আজাদ, খোকন
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : কামাল হোসেন খান
সম্পাদক : এডভোকেট মো: ফেরদৌস খান
বার্তা সম্পাদক : মো: সো‌হেল অাহ‌ম্মেদ
মফস্বল বিভাগ প্রধান: উত্তম কুমার হাওলাদার
Email: info@kuakatanews.com
যোগাযোগ: বাড়ী- ৫০৬/এ, রোড- ৩৫,
মহাখালী, ডি ও এইচ এস, ঢাকা- ১২০৬,
ফোন: +৮৮ ০১৭৩১ ৬০০ ১৯৯, ৯৮৯১৮২৫,
বার্তা এবং বিজ্ঞাপন : + ৮৮ ০১৬৭৪ ৬৩২ ৫০৯।
বিজ্ঞাপন এবং নিউজ : + ৮৮ ০১৭১৬ ৮৯২ ৯৭০।
News: editor.kuakatanews@gmail.com

© Copyright BY KuakataNews.Com

Design & Developed BY PopularITLimited